ঢাকা : ৫ ডিসেম্বর, ২০১৬, সোমবার, ২:৩৭ অপরাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site

তনুর পরিবার সেনাবাহিনীর নজরদারীতে!

সেনাবাহিনী নজরদারিতে রাখছে বলে অভিযোগ করেছেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজছাত্রী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনুর মা আনোয়ারা বেগম।

আজআজ (সোমবার) দুপুরে তনু হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার দাবিতে কুমিল্লায় গণজাগরণ মঞ্চ আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় তনুর মা বলেন, ‘আমরা সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলি না। আমাদের মেয়ে সোহাগী জাহান তনু সেনানীবাস এলাকায় হত্যার শিকার হয়েছে, এই সত্যটি বলি।

হত্যাকারীদের বিচার দাবিতে আমরা কথা বলি। আমার মেয়ের হত্যাকারীদের আটকের ব্যাপারে কারো কোনো মাথাব্যথা নেই, অথচ আমাদের কড়া নজরে রাখা হচ্ছে। আমরা কোথায় যাই, কী করি, কী বলি, কার সঙ্গে কথা বলি সবই নজরদারিতে রাখে সেনাবাহিনী।’

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজছাত্রী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু হত্যার আজ তিন মাস পূর্ণ হয়েছে। এ হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার দাবিতে কুমিল্লায় প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে গণজাগরণ মঞ্চ।

আজ সোমবার দুপুরে নগরীর পূবালী চত্বরের সামনে ঘণ্টাব্যাপী এ সমাবেশ ও মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় তনু হত্যার দ্রুত বিচার দাবি করে স্লোগানে মুখরিত হয়েওঠে পূবালী চত্বর এলাকা। এ সময় তনুর মা আনোয়ারা বেগম ও ছোট ভাই আনোয়ার হোসেন গণজাগরণ মঞ্চের এ কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে বক্তব্য দেন।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির কুমিল্লা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক পরেশ কর, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোতাহের হোসেন বাবুল গণজাগরণ মঞ্চের কুমিল্লার মুখপাত্র খায়রুল আনাম রায়হান এবং দৈনিক কুমিল্লার কাগজের সম্পাদক আবুল কাশেম হৃদয় প্রমুখ।

গণজাগরণ মঞ্চের কুমিল্লার মুখপাত্র খায়রুল আনাম রায়হান বলেন, ‘তনু হত্যার তিন মাস আজ, তার হত্যার তেমন কোনো অগ্রগতি না থাকায় হতাশ হচ্ছে দেশবাসী। তবে এই হত্যাকাণ্ডের কোনো ফলাফল না আসলে জোরালো আন্দোলনের হুশিয়ারি দেন তিনি।’

উল্লেখ্য, গত ২০ মার্চ কুমিল্লা সেনানীবাসের ভেতরে ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতন করে হত্যা করা হয় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজছাত্রী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনুকে। এ অভিযোগে পর দিন কুমিল্লা কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা দায়ের করেন তনুর বাবা ইয়ার হোসেন। মামলাটি প্রথমে জেলা পুলিশ, পরে জেলা গোয়েন্দ পুলিশ সবশেষে মামলাটি হস্তান্তর করা হয় সিআইডিতে। হত্যাকাণ্ডের তিন মাস অতিবাহিত হলেও তদন্তের তেমন কোনো অগ্রগতি হয়নি।

এ সম্পর্কিত আরও

Check Also

23cac260e0e06efa81849ba8495e00cfx236x157x8

রোহিঙ্গাদের বিষয়ে বাংলাদেশ কী করবে?

কয়েক সপ্তাহ ধরে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর অত্যাচারের মুখে রাখাইন রাজ্যের রোহিঙ্গারা আশ্রয়ের সন্ধানে বাংলাদেশে পালিয়ে আসছে। …

Mountain View

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *