ঢাকা : ২৮ জুলাই, ২০১৭, শুক্রবার, ৪:৩৯ পূর্বাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site
Home / রাজনীতি / সাহস থাকলে বলুন- ‘জামায়াতের সঙ্গে সম্পর্ক নেই’

সাহস থাকলে বলুন- ‘জামায়াতের সঙ্গে সম্পর্ক নেই’

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি ইঙ্গিত করে ১৪ দলের মুখপাত্র ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, ‘খালেদা জিয়াকে বলব, যদি সাহসী থাকে আর মুক্তিযুদ্ধের চেতনা একদিনের জন্য হলেও ধারণ করে থাকেন তাহলে জাতির কাছে ক্ষমা চেয়ে বলুন- জামায়াতের সঙ্গে আপনাদের কোনো সম্পর্ক নেই।’

জামায়াতে ইসলামীকে বাদ দিয়ে জাতির কাছে ক্ষমা চাইলে বিএনপির সঙ্গে ঐক্যের চিন্তা করা হবে বলে রোববার এক মানববন্ধনে জানিয়েছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

এর একদিন পরই সোমবার (২০ জুন) সন্ধ্যায় পল্টনে মণি সিংহ-ফরহাদ ট্রাস্ট ভবন মিলনায়তনে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন স্মরণে “অব্যাহত গুপ্তহত্যার মাধ্যমে রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করার পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে করনীয়” শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ১৪ দলের মুখপাত্র ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম আবারো একই ইঙ্গিত করলেন।

খালেদা জিয়া গুপ্তহত্যার বিরোধিতা না করে উল্টো জঙ্গিদের পক্ষে কথা বলছে বলেও মন্তব্য করেছেন আ. লীগের এ শীর্ষ নেতা।

তিনি বলেন, ‘খালেদার সঙ্গে আপস করা মানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা। তাই তিনি (খালেদা জিয়া) যতোই সংলাপের কথা বলুক না কেন, ১৪ দল তার সাথে আপস করবে না।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গুপ্তহত্যার লক্ষ্য-উদ্দেশ্য পরিষ্কার। জামায়াত-বিএনপির নেতৃত্বে এসব ঘটনা ঘটছে। এসব করে যুদ্ধাপরাধীদের রায় কার্যকরের প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে জামায়াত-বিএনপি। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের রায় কার্যকরের পর জামায়াত এর বিরোধিতা করে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। তখন খালেদা জিয়া কোনো কথা না বলে নীরব থেকেছেন। জামায়াতের সাথে পরামর্শ করে দেশজুড়ে নাশকতা চালিয়েছেন। এখন খালেদা জিয়া গুপ্তহত্যার বিরুদ্ধে কোনো বক্তব্য না দিয়ে জঙ্গিদের পক্ষে কথা বলছেন। খুনিদের রক্ষার জন্য চেষ্টা করছেন। বর্তমানে গুপ্তহত্যার ঘটনা বিএনপি-জামায়াতের পূর্ব নাশকতার ধারাবাহিকতা।’

তিনি আরও বলেন, ‘গুপ্তহত্যার টার্গেট করা হচ্ছে নিরীহ মানুষদের। এর মাধ্যমে তাদের (বিএনপি-জামায়াত) লক্ষ্য দুনিয়ার মানুষের সামনে আওয়ামী লীগকে ব্যর্থ প্রমাণ করা। কিন্তু ১৪ দল জনগণকে সঙ্গে নিয়ে খালেদা জিয়ার সব ষড়যন্ত্র ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ করবে। গুপ্তহত্যা প্রতিরোধে ঈদের পর গ্রামে গ্রামে গিয়ে মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করা হবে। এর আগেও খালেদা জিয়ারকে নিবৃত্ত করা হয়েছিল। বর্তমানে গুপ্তহত্যাকারীদের নির্মূলের লক্ষ্য হাসিল না হওয়া পর্যন্ত শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ১৪ দল আপসহীনভাবে কাজ করে যাবে।’

সভায় আরও বক্তব্য রাখেন- আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্রুনালের চিফ প্রসিকিউটর গোলাম আরিফ টিপু ও গণতান্ত্রিক পার্টির সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেন প্রমুখ।

এ সম্পর্কিত আরও

আপনার-মন্তব্য