ঢাকা : ৩ ডিসেম্বর, ২০১৬, শনিবার, ৬:২৬ পূর্বাহ্ণ
সর্বশেষ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site

জমে উঠেছে দিনাজপুরের ঈদ বাজার

ঈদের দিন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে উত্তরের সীমান্ত ঘেঁষা জেলা দিনাজপুরে জমে উঠেছে ঈদ বাজার। সকাল থেকে গভীর রাত অবধি চলছে বেচাকেনার ধুম। মার্কেটগুলোতে ভিড় বাড়ছে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের। সাধ আর বাজেটের সঙ্গে মিল রেখে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত আপনজনদের জন্য করছেন কেনাকাটা। রাতের বাহারি আলোকসজ্জায় বর্ণিল হয়ে উঠেছে মার্কেট-শপিংমল।

তাই তো ক্রেতা-বিক্রেতারা ব্যস্ত সময় পার করছেন পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের মধ্য দিয়ে। জেলার ১৩টি উপজেলার বিভিন্ন বাজারগুলোতে সারে জমিনে গিয়ে দেখা যায়, ক্রেতার উপচেপড়া ভিড়। পোষাক এর পাশাপাশি প্রসাধনী সামগ্রীর বিপনী-বিতান গুলো ও কোন অংশে কম নয় ; সেজেছে রঙ্গিণ সাজে। এ বছর বাজিরাও মাস্তানি, পাখি ড্রেস, কিরন বালা, তোমাকে চাই, বাগি ড্রেস, লকনা, কাশিশ, আশিকি, সামপুরা, কান্দি ভাঙ্গা, থ্রী-ডি, ক্যাকটাস, লং কোটি, সুইচ লন, ওয়াইফাই, বিভা সহ বিভিন্ন ধরনের পোষাকের কদর রয়েছে মেয়েদের কাছে। এদিকে ছেলেদের জন্য গ্যাবাডিন ও জিন্স প্যান্ট, কালারফুল শার্ট, চেক শার্ট এবং এক কালারের শার্টসহ বিভিন্ন রকমের বাহারী পাঞ্জাবিতে সাজিয়ে পড়েছে দোকানগুলো। বিক্রেতারা বলছে, ভারতীয় সিরিয়ালের নামে নামকরণ করা ও চাইনা পোশাকের কদর রয়েছে।

অন্যান্য বারের তুলনায় বিক্রিও বেশি হচ্ছে। উচ্চ-মধ্যম-নিম্ন শ্রেণীর লোকদের ভিড়ে লোকারণ্য দিনাজপুর শহরের জাবেদ সুপার মার্কেট, উল্টরা মার্কেট, রহিম সুপার মার্কেট, গুলশান মার্কেট, লুৎফর নেছা টাওয়ার, বিগ বাজার, মালদহপট্রি মার্কেটসহ বিভিন্ন শপিং-মল গুলো। বেশ কয়েকজন দোকানিদের সাথে কথা হলে ; তারা জানায়, “বেচা-বিক্রি ভালই হচ্ছে। কিন্তু অনেক ক্রেতা শুধু পণ্য দেখছেই, কেনার সাথে স্যাত নেই। শুধু বলে ওটা দ্যাখান ওটা দ্যাখান।” এ দিকে ক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, কাঙ্কিত পণ্য এখনও পছন্দ করতে পারছেন না তারা।

যেসব পণ্য পছন্দ হয়, তার দাম নাগালের বাহিরে। তাছাড়া আগের বছরের তুলনায় অনেক পণ্যেরই দাম বেড়েছে, বলে জানিয়েছেন বেশ কয়েকজন ক্রেতা। ক্রেতারা আরো জানায়, “সাধ্যের মধ্যে পোশাক কিনতে বাজারে এসে সাধ্য কুলায় না। এখন হয়তো দোকানিরা দাম ছাড়বে না, তাই ঈদের আগে আবার বাজারে আসবো। তখনও যদি দোকানিরা দাম না ছাড়ে তাহলে ফুটপাত থেকে কম দামে কিনব (আক্ষেপের সাথে)। কারণ আমরা গ্রামের মানুষ চড়া দামে কাপড় কেনার আমাদের ক্ষমতা নেই।” এক ক্রেতা অভিযোগ করে জানায়, “গত বছরের তুলনায় এ বছর পোশাকের দাম একটু বেশী। গত বছর যে থ্রি পিসের দাম ছিল এক হাজার থেকে ১৫শ’ টাকা এ বছর তার দাম ১৭শ’ থেকে দুই হাজার টাকা।

একই পোশাক একেক দোকানে একেক দামে বিক্রি হচ্ছে।” এ দিকে এমন কথা বললে ; দোকানিরা জানায়, “আমরা বেশি দামে ঈদের পোশাক আনি। আর বিত্তবান ক্রেতারা চলে যায় পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত বা ঢাকায় কেনাকাটা করতে যায। তাই আমাদের দামি পোশাক কমদামে বিক্রি করতে হয়।” “তাছাড়া ও পোশাকের গুণগত মান আগের তুলনায় একটু ভাল হওয়াতেই দাম বেশী যাচ্ছে, বলে জানিয়েছে বিক্রেতা মহল।” পোশাকের পাশাপাশি সুগন্ধি (আতর, সুরমা) এর দোকানগুলোতে ও বেড়েছে ক্রয়-বিক্রেতা।

এ সম্পর্কিত আরও

Check Also

full_110027732_1480667562

শনিবার সংবাদ সম্মেলনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী

পানি সম্মেলন উপলক্ষে হাঙ্গেরিতে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের অভিজ্ঞতা জানাতে শনিবার সংবাদ সম্মেলনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী …

Mountain View

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *