বাবুল আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদ: চারটি প্রশ্ন

প্রকাশিতঃ জুন ২৯, ২০১৬ at ১০:৪৯ পূর্বাহ্ণ

বাবুলকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বাসায় পৌঁছে দেওয়ার প্রশ্ন ছিল না। আইনত তাঁকে গ্রেপ্তার করতে হতো; মাহমুদা হত্যা মামলার বাদী বাবুল আক্তার পরিণত হতেন প্রধান সন্দেহভাজন আসামিতে। কিন্তু পুলিশের কর্তারা সে পথে যাননি। তাঁরা বাবুল আক্তারকে দুটি বিকল্প প্রস্তাব করেছেন: হয় কারাগার, নয় পুলিশ বাহিনী থেকে বিদায়। প্রথম বিকল্পটি নিশ্চয়ই তাঁরা চাননি, তাই তাঁকে ডেকে নিয়ে গিয়ে প্রকারান্তরে বলেছেন, তুমি পুলিশ বাহিনী থেকে বিদায় হও।

এসব যদি সত্য হয়, তাহলে চারটা সুনির্দিষ্ট প্রশ্ন ওঠে: এক. পুলিশ কর্তৃপক্ষ এসপি বাবুলকে ত্যাজ্য করতে চাইছে কেন? বাহিনীর ‘ভাবমূর্তি’ রক্ষার স্বার্থে? তারা কি দেশবাসীকে এই বার্তা দিতে চায় যে, বাবুল আক্তারই তাঁর স্ত্রীকে হত্যার জন্য দায়ী এবং এ রকম ‘স্ত্রী হন্তারকের’ স্থান এই বাহিনীতে নেই? দুই. নাকি ‘চৌকস’ এসপি বাবুল আক্তারকে অন্য কোনো স্বার্থের বলি করা হচ্ছে?

তিন. মানুষ হত্যার মতো গুরুতর ফৌজদারি অপরাধের সঙ্গে বাবুল আক্তারের সশ্লিষ্টতার সব তথ্য–প্রমাণ যদি পাওয়া গিয়েই থাকে, তাহলে তাঁকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় না করিয়ে পুলিশ বাহিনী থেকে চলে যাওয়ার সুযোগ দিলে কি পুলিশের ও সরকারের ভাবমূর্তি আদৌ রক্ষা পাবে? নাকি উল্টোটাই ঘটবে? চার. এ দেশের আইন প্রয়োগকারীরা কি মনে করেন, আইন শুধু অন্যদের ক্ষেত্রেই প্রয়োগযোগ্য? তাঁরা নিজেরা আইনের ঊর্ধ্বে?

এ সম্পর্কিত আরও