Mountain View

বাংলাদেশের অনুরোধ পেলে জাকির নায়েককে নিষিদ্ধ করবে ভারত

প্রকাশিতঃ জুলাই ৬, ২০১৬ at ১১:০৩ অপরাহ্ণ

বিতর্কিত এই ইসলামী চিন্তাবিদ, বক্তা ও লেখকের বক্তৃতায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দক্ষিণ এশিয়ার বহু তরুণ জঙ্গিবাদে ঝুঁকছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

গুলশান হামলার হামলাকারীদের মধ্যে কয়েকজন নিয়মিত জাকির নায়েকের মত বিতর্কিত ইসলামী চিন্তাবিদের বক্তব্য অনুসরণ করতেন বলেও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে তাদের অ্যাকাউন্ট থেকে তথ্য মিলেছে।

কিরেন রিজ্জু বুধবার বলেন, ভারতে ‘আন ল’ফুল অ্যাক্টিভিটিজ প্রিভেনশন অ্যাক্ট’ নামের একটি আইন রয়েছে, যার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানকে নিষিদ্ধ করা যায়।“জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে আমরা নিষিদ্ধ করতে পারি ওই আইনে। তবে ওই আইনে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা এ পর্যন্ত নেওয়া হয় না।”

তবে যেহেতু বাংলাদেশের নিরাপত্তার বিষয়টিকে ভারত ‘সর্বোচ্চ’ গুরুত্ব দিয়ে থাকে, সেহেতু ভারত ব্যক্তির কিরুদ্ধেও ওই আইন ব্যবহারের কথা ভাবতে পারে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

“আমরা যদি ঢাকা থেকে অনুরোধ পাই, তাহলে জাকির নায়েককে নিষিদ্ধের বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করব।”যেসব মাধ্যমে এ ধরনের ধর্মীয় উগ্রবাদের প্রচার হচ্ছে, সেগুলো পর্যালোচনা করার কথাও ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভাবছে বলে জানান রিজ্জু।

“তাদের ঠেকানোর ব্যবস্থা আমাদের করতে হবে। প্রয়োজনে সেগুলো আমরা বন্ধ করে দেব।”আরবি ভাষাভাষীদের বাইরে ইসলাম প্রচারকারীদের মধ্যে অন্যতম আলোচিত ব্যক্তি হলেন এই জাকির নায়েক। নিজের প্রতিষ্ঠিত পিস টিভিতে তিনি তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব নিয়ে যে আলোচনা করেন, তা বাংলাদেশের মানুষের কাছেও পরিচিত। ইসলামের যে ব্যাখ্যা তিনি সেসব বক্তৃতায় দেন, তা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে বিভিন্ন সময়ে।

ভারতের মহারাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া জাকির আবদুল করিম নায়েক চিকিৎসা শাস্ত্রে ডিগ্রিধারী। ৪৭ বছর বয়সী এই বক্তা ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট। পিস টিভি ওই ফাউন্ডেশনেরই প্রতিষ্ঠান।

ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগে জাকির নায়েকের ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশন যুক্তরাজ্য ও কানাডায় নিষিদ্ধ। এমনকি মুসলিম প্রধান মালয়েশিয়াতেও জাকির নায়েকের বক্তব্য প্রচারের অনুমতি নেই।

এ সম্পর্কিত আরও

Mountain View