Mountain View

অবশেষে আর্টিসানে আটক ‘সন্দেহভাজন’ শাওনের মৃত্যু

প্রকাশিতঃ জুলাই ৮, ২০১৬ at ৫:৪০ অপরাহ্ণ

sawon

রাজধানীর গুলশানের হলি আর্টিসান রেস্টেুরেন্ট থেকে আটক সন্দেহভাজন জঙ্গি জাকির হোসেনে শাওন মারা যাওয়া গুঞ্জনই সত্য হল। তবে সকালে মারা না গেলেও বিকেলের দিকে তিনি মারা যান বলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক খাজা আবদুর গফুর নিশ্চিত করেছেন।

আজ (শুক্রবার) ৮ জুলাই শাওনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে নিবির পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেয়া হয়েছে।এর আগে সকালেই বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি সংবাদ মাধ্যমে শাওনের বাবা আবদুস সাত্তারের বরাত দিয়ে শাওনের মৃত্যুর সংবাদ প্রকাশ করা হয়। পরে আবার সেই সংবাদগুলো সংবাদমাধ্যম থেকে সড়িয়ে নেয়া হয়। এ নিয়ে শুরু হয় নানান কানাঘুষা।

এর আগেই দুপুরের দিকে খাজা আবদুর গফুর জানিয়েছিলেন, শাওনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে আইসিইউতে নেয়া হয়েছে। এসময় শাওনের মা মাসুদা বেগম জানান, ওর (শাওনের) অবস্থা খুব খারাপ। সকাল থেকে তার নাক-মুখ দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল। পরিবারের উপার্জনক্ষম সন্তান বাঁচবে কি-না তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন এই মা।

এর কিছুক্ষণ পরে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে আবদুল গফুর শাওনের মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করেন। এদিকে পরিবারের ভাষ্যমতে, শাওন প্রায় একবছর ধরে হলি আর্টিসান বেকারিতে বাবুর্চির সহকারী হিসেবে কাজ করছিলেন। তিনি কোনো অপরাধে জড়িত নন।

কিন্তু ১ জুলাই ওই রেস্টুরেন্টে সন্ত্রাসী হামলার পর সন্দেহভাজন জঙ্গি হিসেবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শাওনকে ধরে নিয়ে যায় মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এরপর থেকেই শাওন ঢামেকে ভর্তি ছিল।

উল্লেখ্য, শুক্রবার (১ জুলাই) একদল সন্ত্রাসী আর্টিসান রেস্টুরেন্টে ঢুকে দেশি-বিদেশি অতিথিদের জিম্মি করে। খবর পেয়ে পুলিশ তাদের উদ্ধার করতে গেলে সন্ত্রাসীদের গ্রেনেডে হামলা ও গুলিতে দুই পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হন।

পরদিন শনিবার সকালে কমান্ডো অভিযানে জিম্মি ঘটনার অবসান ঘটে। অভিযানে ৬ জঙ্গিসহ সেখান থেকে তিন বাংলাদেশি ও ১৭ জন বিদেশি নাগরিকের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। জীবিত জিম্মিদের মধ্যে উদ্ধার হয় একজন জাপানি, দুজন শ্রীলঙ্কান ও ১০ জন বাংলাদেশিসহ মোট ১৩ জন।

এ সম্পর্কিত আরও