Mountain View

চট্টগ্রামে দুই খুনীর ফাঁসি কার্যকর হচ্ছে রাত ১২টায়

প্রকাশিতঃ জুলাই ১২, ২০১৬ at ১১:০০ অপরাহ্ণ

প্রায় দেড় যুগ আগে এক সিএনজি অটোরিকশা চালককে হত্যার দায়ে দুই পেশাদার ছিনতাইকারীর ফাঁসি আজ (মঙ্গলবার) ১২ জুলাই রাত ১২টায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে সম্পন্ন হতে যাচ্ছে।  ফাঁসি কার্যকরের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ।
chittagong karagar

ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দণ্ড কার্যকরের জন্য অপেক্ষমান দুজন হল, মো.সাইফুল ওরফে শহীদ এবং মো.শহীদুল্লাহ ওরফে শহীদ।২০০৭ সালে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে স্ত্রী হত্যার দায়ে দণ্ডিত এক আসামির ফাঁসি কার্যকর হয়েছিল।  এর দশ বছর পর আরও দুজনের ফাঁসি কার্যকর হতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে।

চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগীয় উপ কারা মহাপরিদর্শক (ডিআইজি-প্রিজন) অসীম কান্ত পাল বলেন, ফাঁসির জন্য মঞ্চ প্রস্তুত করা হয়েছে।  সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দিষ্ট সময়ে হাজির থাকতে বলা হয়েছে।  রাত ১২টায় ফাঁসি কার্যকরের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে।

সাইফুল ওরফে শহীদ মিরসরাই উপজেলার উত্তর হাজীসরাই গ্রামের লেদু মিয়ার বাড়ির কামাল উদ্দিনের ছেলে।  শহীদুল্লাহ ওরফে শহীদ একই উপজেলার মধ্যম সোনাপাড়া গ্রামের তাজুল ইসলামের ছেলে।

কারা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, ২০০১ সালের ৩১ মে রাতে মিরসরাই উপজেলা সদর থেকে একটি সিএনজি অটোরিকশা ভাড়া করে তিনজন ফটিকছড়ি যায়।  ফটিকছড়িতে একটি নির্জন স্থানে চালক নাইনকা রবি দাশকে খুন করে ফেলে রেখে তারা অটোরিকশাটি নিয়ে পালিয়ে যায়।

অসীম কান্ত পাল  জানান, সিএনজি অটোরিকশা চালক নিখোঁজের ঘটনায় মিরসরাই থানায় একটি মামলা দায়ের হয়। মামলা নম্বর ০৮ (০৫) ২০০১।  মরদেহ উদ্ধারের পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তর হয়।  মামলায় তিনজনকে আসামি করা হয়েছিল।

২০০৫ সালের ২৯ নভেম্বর চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল তিন আসামিকে ফাঁসির দণ্ড দিয়েছিল।  হাইকোর্টে রায়ের বিরুদ্ধে আপিলে সাজা বহাল থাকে।  আপিল বিভাগে একজনের দণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন করা হয় বলে জানান অসীম কান্ত পাল।

আপিল বিভাগে ফাঁসির দণ্ড বহাল থাকার পর সাইফুল ওরফে শহীদ এবং শহীদুল্লাহ ওরফে শহীদ রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চেয়ে ব্যর্থ হন।  প্রাণভিক্ষার আবেদন নাকচ হওয়ার নথি চট্টগ্রাম কারাগারে এসে পৌঁছানোর পর তাদের ফাঁসি কার্যকরের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও

Mountain View