Mountain View

সাইবার নিরাপত্তার ঝুঁকিতে শীর্ষে গণমাধ্যমকর্মীরা

প্রকাশিতঃ জুলাই ১৬, ২০১৬ at ৯:১৩ অপরাহ্ণ

খবরের প্রয়োজনে ফেসবুক, গুগলপ্লাস ও টুইটারের মতো সামাজিকযোগাযোগ মাধ্যম কিংবা লিংকডইন, ফ্লিকারের মতো ফটো শেয়ারিং সাইটে অনুসন্ধানী চোখ নিয়ে ঢুঁ মারতে হয় গণমাধ্যমকর্মীদের। অনলাইন থেকে প্রাপ্ত খবর, অডিও, ভিডিও ক্লিপ অথবা ছবি নিয়ে কাজ করতে গিয়ে সূত্রের বিশ্বাসযোগ্যতা, সত্যতা যাচাই করাটা দুরুহ হয়ে পরে। আবার ভাইবার, স্কাইপে-তেও নজর রাখতে হয়। মোকাবেলা করতে হয়, মুঠোফোনে আসা ফেক বার্তা কিংবা নকল মেইল। এভাবেই তথ্য অনুসন্ধানের কৌতুহলের ভেলায় চেপে একজন গণমাধ্যমকর্মীকে প্রতিনিয়তই মুখোমুখি হতে হয় ভার্চুয়াল বিড়ম্বনার। কৌশল ও ব্যবহারিক কারণেই এই সময়ে সাইবার জগতে সবচেয়ে ঝুঁকিতে রয়েছেন দেশের সংবাদকর্মীরা। তাই সাংবাদিকদের এ বিষয়ে সচেতন হওয়া অনেক বেশি জরুরি।
শনিবার একটি কর্মশালায় অংশ নিয়ে কথাগুলো বলেছেন সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা। রাজধানীর কাকরাইলে আইডিইবি ভবনে ‘সাইবার অপরাধ সচেতনতা ও অনুসন্ধান’ শীর্ষক কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।  তথ্যপ্রযুক্তি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান যাদুকর আইটির সহযোগিতায় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশন (সিসিএ ফাউন্ডেশন) ও ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) এর যৌথ আয়োজনে বিভিন্ন গণমাধ্যমের শতাধিক সংবাদকর্মী এই কর্মশালায় অংশ নেন।

 কর্মশালায় সিসিএ ফাউন্ডেশনের সদস্য সচিব কাজী মুস্তাফিজের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন আইডিইবির সাধারণ সম্পাদক মো. শামসুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ ও বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার সিনিয়র রিপোর্টার ও ক্রাইম রিপোর্টার অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) সাবেক সভাপতি খায়রুজ্জামান কামাল। কর্মশালা পরিচালনা করেন সিসিএ ফাউন্ডেশনের সাইবার সিকিউরিটি এক্সপার্ট মেহেদী হাসান ও আইনজীবী তানভীর হাসান জোহা।
কর্মশালায় দেশে সাইবার ঝুঁকির প্রকৃতি ও হামলা থেকে নিজেদের রক্ষার মৌলিক বিষয়ের ওপর আলোচনা করা হয়। একজন সাংবাদিক সাইবার অপরাধ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন তৈরিতে কোন কোন কারিগরি কৌশলগুলো জানা দরকার, তা নিয়ে আলোচনা করেন মেহেদী হাসান। তথ্যপ্রযুক্তি আইনের নানা দিক নিয়ে আলোচনা করেন তানভীর হাসান জোহা।
মেহেদী হাসান বলেন, “খবরের প্রয়োজনে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনুসন্ধানী চোখ নিয়ে ঢুঁ মারতে হয় গণমাধ্যম কর্মীদের। অনলাইন থেকে প্রাপ্ত খবর, অডিও, ভিডিও ক্লিপ অথবা ছবি নিয়ে কাজ করতে গিয়ে সূত্রের বিশ্বাসযোগ্যতা, সত্যতা যাচাই করাটা দুরুহ হয়ে পড়ে। আবার ভাইবার, স্কাইপে-তেও নজর রাখতে হয়। মোকাবেলা করতে হয়, মুঠোফোনে আসা ফেক বার্তা কিংবা নকল মেইল। এভাবেই তথ্য অনুসন্ধানের কৌতুহলের ভেলায় চেপে একজন গণমাধ্যমকর্মীকে প্রতিনিয়তই মুখোমুখি হতে হয় ভার্চুয়াল বিড়ম্বনার।”
তিনি বলেন, “কৌশল ও ব্যবহারিক কারণেই এই সময়ে সাইবার জগতে সবচেয়ে ঝুঁকিতে রয়েছেন দেশের সংবাদকর্মীরা। তাই সাংবাদিকদের এ বিষয়ে সচেতন হওয়া অনেক বেশি জরুরি। প্রত্যেকটি কাজে একজন সাংবাদিকের সাইবার নিরাপত্তার বিষয়গুলো সম্পর্কে সতর্ক থাকা উচিত।”

এ সম্পর্কিত আরও

Mountain View