রবিবার , অক্টোবর ২২ ২০১৭
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site
প্রচ্ছদ / অন্যান্য / বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক গুহা ‘হ্যাং সন ডুং’

বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক গুহা ‘হ্যাং সন ডুং’

প্রকাশিত :

বিশ্বের রহস্যজনক গুহাগুলোর একটি ‘হ্যাং সন ডুং’। এটি অতি আশ্চর্য এক গুহা। শুধু তাই নয়, এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক গুহা বলেও পরিচিত।

ভিয়েতনামের কোং বিন প্রদেশের বো টাচ জেলায় অবস্থিত এই গুহাটির অভ্যন্তরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য কল্পনারও অনেক বেশি কিছু। গুহার ভেতরেই যেন লুকিয়ে রয়েছে সম্পূর্ণ একটা দুনিয়া।

বিজ্ঞানীরা যেখানে পৃথিবীর সীমানা ছাড়িয়ে কয়েক দশক আগে থেকেই মহাকাশে নানা গ্রহ-নক্ষত্র আবিস্কার করে চলেছে, সেখানে আশ্চর্যের বিষয় হলো, পৃথিবীর মাটিতে সবচেয়ে বড় এই গুহাটি অনাবিষ্কৃতই ছিল।

১৯৯১ সালে হো-খানহ নামক এক কৃষক সর্বপ্রথম গুহাটির সন্ধান পেলেও সেখানে অভিযানের সাহস দেখাননি কেউ। ২০০৯ সালে সর্বপ্রথম বিট্রিশ গুহা গবেষণা প্রতিষ্ঠানের একটি দুঃসাহসী দল প্রথমবারের মতো এ গুহায় অভিযানে যান।

হ্যাং সন ডুং গুহাটি আবিষ্কারের আগে মালয়েশিয়ার ডির গুহা ছিল বিশ্বের সবচেয়ে বড় গুহা। গুহার ভেতরে বেড়ে উঠেছে গাছপালা। গুহার ভেতরেই গড়ে উঠেছে বনও। গুহাটি ২০০ মিটারের বেশি উচ্চতাবিশিষ্ট এবং ১৫০ মিটার চওড়া, সব মিলিয়ে ৫.৬ কিলোমিটার। গুহাটি প্রায় ১৫০টি গুহার সমন্বয়ে গঠিত। গুহার ভেতরে রয়েছে প্রবাহমান নদী এবং সবুজ রঙের পানির অসংখ্য নালা।

প্রবেশকারীদের মতে, বাইরের জগত থেকে একেবারেই আলাদা ও বৈচিত্র্যময় গুহার ভেতরটা। যেন সম্পূর্ণ ভিন্ন একটা জগত।
গুহার ভেতর সুরঙ্গপথের কোনো কমতি নেই। এসব সুরঙ্গ দিয়ে অনায়েসেই ভিয়েতনামের এক প্রদেশ থেকে অন্য প্রদেশে যাতায়াত করা যায়।

রয়েছে সুবিশাল আকৃতির থাম। গবেষক দল গুহাটির আয়তন পরিমাপ করতে পারলেও এর শেষ খুঁজে বের করতে পারেননি।

গুহাটি আবিষ্কারের পর এখনো এটি সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত নয়। কারণ বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই গুহাটি বিপজ্জনক। কারণ আবিষ্কারের সময় নানা ধরণের বিপদের সম্মুখীন হয়েছেন বিজ্ঞানীরাও। গুহার মধ্যে গবেষণা দল বিষধর সাপ, বড় মাকড়সা, বিভিন্ন প্রাণী ও অপরিচিত বৃক্ষের দেখা পেয়েছেন।

এ সম্পর্কিত আরও

Check Also

১০ মাসের শিশুর ৩০ কেজি ওজন!

মাত্র ১০ মাস বয়সে তার ওজন ৩০ কেজির বেশি। লুইস মেনুএল নামের এই শিশু এক …

Leave a Reply