ঢাকা : ১১ ডিসেম্বর, ২০১৬, রবিবার, ১০:০৬ পূর্বাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site

বাতের ব্যথা হওয়ার কারণ ও সমাধান

‘বাত’ সাধারণত আথ্রাইটিস নামে পরিচিত। শরীরের যে কোনো জয়েন্ট বা গিরায় ব্যথা হলে তাকেই আমরা ‘বাত’ বলি। এ ব্যথা কখনও কখনও ঘাড়, কোমর এবং হাত কিংবা পায়ের দিকেও ছড়িয়ে পড়ে। বয়স বেশি হলেই মানুষ এ সমস্যায় ভুগে থাকেন।

তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পুরুষের তুলনায় নারীরা এই ব্যথায় বেশি ভোগে। ডাক্তারের নির্দেশিত ওষুধ খেলেই যে এ ব্যথা ভালো হয় এমনটি নয়। বরং জীবনধারা পরিবর্তন করেই এর নিরাময় সম্ভব। সেক্ষেত্রে প্রাত্যহিক জীবনে চলার পথে এমন কিছু অভ্যাস পরিত্যাগ করুন যা এ সমস্যা দূর করতে সহায়তা করবে।

জেনে নিন বাতের ব্যথা হওয়ার কারণসমূহ…..

১. ব্যায়াম না করা
নিয়মিত ব্যায়াম করার মাধ্যমেই কেবল পেশী শক্তিশালী হয় এবং বাতের ব্যথা কমে। কাজেই ব্যথা এড়াতে নিয়মিত ব্যায়াম করার চেষ্টা করুন।

২. পর্যাপ্ত না ঘুমানো
বাতের ব্যথা ঘুমানোর ক্ষেত্রে বাঁধার সৃষ্টি করে। ফলে নারী কিংবা পুরুষ কারও পক্ষেই কমপক্ষে সাত ঘণ্টা ঘুমানো সম্ভব হয় না। এতে শরীরেরও অনেক ক্ষতি হয়। কাজেই কষ্ট করে হলেও পর্যাপ্ত ঘুমানোর অভ্যাস গড়ে তুলুন। এতে সহজেই ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব হবে।

৩. ডাক্তারের পরামর্শ উপেক্ষা করা
অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ সঠিকভাবে মেনে চলা উচিত। তা না হলে পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যেতে পারে এবং ব্যথা আরও বাড়তে পারে। কাজেই ব্যথা এড়াতে চাইলে ডাক্তারের পরামর্শ কখনই উপেক্ষা করা উচিত নয়।

৪. অতিরিক্ত চাপ
বাতের ব্যথা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে অতিরিক্ত চাপ। এছাড়া শরীরের আরও নানা সমস্যার জন্যও দায়ী এটি। কাজেই নিজের উপর থেকে চাপ কমানোর চেষ্টা করুন। এক্ষেত্রে চাপ কমাতে যোগব্যায়াম করতে পারেন। এতে হালকা বোধ হওয়ার পাশাপাশি বাতের ব্যথাও কমবে।

বাতের ব্যথা কমাতে করণীয়
সাধারণত খাদ্য তালিকায় অপর্যাপ্ত পরিমাণ ক্যালসিয়াম গ্রহণ, ভিটামিন ডি পর্যাপ্ত পরিমাণে না হওয়া এবং অতিরিক্ত কায়িক পরিশ্রম করার ফলে হাড় ক্ষয়ের সম্ভাবনা থাকে। এতে বাতের ব্যথাও বেড়ে যায়। কাজেই এ সময় এমন কিছু কাজ করুন যা ব্যথা কমাতে ভূমিকা রাখবে।

জেনে নিন বাতের ব্যথা কমাতে করণীয় কী কী

১. ব্যথা বেশি হলে সাতদিন বিশ্রাম নিন

২. নিয়মিত ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা নিন

৩. ব্যথার জায়গায় ১০-১৫ মিনিট ধরে গরম/ঠান্ডা স্যাক দিন

৪. বিছানায় শোয়া ও উঠার সময় যে কোন একদিকে কাত হয়ে হাতের উপর ভর দিয়ে শুয়ে পড়ুন এবং উঠুন।

৫. মেরুদন্ড ও ঘাড় নীচু করে কোনো কাজ করবেন না।

৬. নিচু জিনিস যেমন- পিড়া, মোড়া বা ফ্লোরে না বসে চেয়ারে পিঠ সাপোর্ট দিয়ে মেরুদন্ড সোজা করে বসবেন।

৭. ফোম ও জাজিমে না শুয়ে উচু শক্ত সমান বিছানায় শুয়ে পড়ুন।

৮. মাথায় বা হাতে ভারি ওজন/ বোঝা বহন করবেন না।

৯. দাঁড়িয়ে বা চেয়ারে বসে রান্না করুন।

১০. ফিজিওথেরাপি চিকিৎসকের নির্দেশমত দেখানো ব্যায়াম নিয়মিত করুন, ব্যথা বেড়ে গেলে ব্যায়াম বন্ধ রাখুন।

১১. শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

১২. কোনো প্রকার মালিশ করা থেকে বিরত থাকুন।

১৩. দীর্ঘক্ষণ এক জায়গায় বসে বা দাঁড়িয়ে থাকবেন না, ১ ঘন্টা পরপর অবস্থান বদলান।

১৪. শোওয়ার সময় একটি পাতলা নরম বালিশ ব্যবহার করুন।

১৫. হাই হিলের পরিবর্তে নরম জুতা ব্যবহার করুন।

সূত্র: হেলথ বিডি

এ সম্পর্কিত আরও

Check Also

যে খাবারগুলি আপনার মস্তিষ্ককে ধ্বংস করতে পারে

শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল মস্তিষ্ক। গোটা শরীরকে এটি চালনা করে। তাই মস্তিষ্ককে সচল রাখা …

Mountain View

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *