ঢাকা : ৩ ডিসেম্বর, ২০১৬, শনিবার, ৪:২৪ পূর্বাহ্ণ
সর্বশেষ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site

মিসবাহর রেকর্ডের সাথে বাংলাদেশি আশরাফুল-তামিম ও জাভেদ ওমর

ashrafull

মিসবাহ উল হক লর্ডস টেস্ট কীভাবে মনে রাখবেন? ইংল্যান্ড অভিষেকের প্রথম টেস্টেই সেঞ্চুরি, তাও ৪২ বছর বয়সে, অনেক দিনই মনে রাখার কথা। কিন্তু যতবারই সেটি মনে করতে যাবেন, দ্বিতীয় ইনিংসের স্মৃতিটাও তো উঁকি দিয়ে যাবে। প্রথম ইনিংসে অমন একটা সেঞ্চুরির পরেই ইনিংসেই যে শূন্য রানে আউট হয়েছেন পাকিস্তান অধিনায়ক! একই টেস্টে সেঞ্চুরি ও শূন্য—মুদ্রার দুই পিঠ নেওয়ার অভিজ্ঞতা টেস্ট ক্রিকেটে আরও অনেকেরই ঘটেছে। সেখানে বাংলাদেশেরও আছে তিনজন।

একটা দিক দিয়ে মিসবাহ সঙ্গী হিসেবে পাচ্ছেন শুধু সাবেক ওয়েস্ট ইন্ডিজ ব্যাটসম্যান চার্লি ডেভিসকে। ১৯৬৯ সালে লর্ডস টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১০৩ রান করার পর দ্বিতীয় ইনিংসে শূন্য রানে আউট হয়ে গিয়েছিলেন ডেভিস। লর্ডসে প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি ও দ্বিতীয় ইনিংসে ‘ডাকের’ অভিজ্ঞতা আছে শুধু এই দুজনেরই। তবে প্রথম ইনিংসে ডাকের পর দ্বিতীয় ইনিংসে সেঞ্চুরি লর্ডসে আরও চারজন করেছেন। ১৮৯৬ সালে এটি প্রথম করেছিলেন অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যান হ্যারি ট্রট। এরপর সেটির পুনরাবৃত্তি করেছেন সিডনি বার্নস, পিটার মে, রয় ফ্রেডেরিকস, দিলীপ ভেংসরকার ও সাবেক ইংল্যান্ড অধিনায়ক মাইকেল ভন।

একই টেস্টে সেঞ্চুরি ও শূন্যের অভিজ্ঞতা হয়েছে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদেরও। ২০০৩ সালে পাকিস্তানের সঙ্গে পেশোয়ার টেস্টে প্রথম ইনিংসে ১১৯ রান করার পর কোনো রান না করেই আউট হয়ে গিয়েছিলেন জাভেদ ওমর। ২০০৭ সালে শ্রীলঙ্কায় প্রথম ইনিংসে শূন্যের পর দ্বিতীয় ইনিংসে অপরাজিত ১২৯ রান করেছিলেন মোহাম্মদ আশরাফুল। আর বাংলাদেশের হয়ে সর্বশেষ এই অম্লমধুর অভিজ্ঞতা হয়েছে তামিম ইকবালের। ২০১০ সালে ভারতের
বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে শূন্য রানে আউট হয়ে যাওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে ১৫১ রান করেছিলেন বাংলাদেশের বাঁহাতি ওপেনার।

বাংলাদেশের বিপক্ষে শুধু এই অভিজ্ঞতা আছে নিউজিল্যান্ডের বিজে ওয়াটলিংয়ের। ২০১৩ সালে চট্টগ্রামে প্রথম ইনিংসে ১০৩ রানের পর কোনো রান না করেই আউট হয়ে গিয়েছিলেন ওয়াটলিং।

এই তালিকায় শোয়েব মালিক এক দিক দিয়ে আলাদা। গত বছর এই ইংল্যান্ডের সঙ্গেই প্রথম ইনিংসে ২৪৫ রান করার পর দ্বিতীয় ইনিংসে শূন্য রানে আউট হয়ে গিয়েছিলেন। প্রথম ইনিংসে এত বেশি রান করে পরের বার কোনো রান না করার ‘কীর্তি’ আর কারও নেই। একই টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি ও শূন্যের অভিজ্ঞতা অবশ্য আছে পাকিস্তানের ইমতিয়াজ আহমেদ, ওয়েস্ট ইন্ডিজের সিমুর নার্স, স্যার ভিভ রিচার্ডস ও অস্ট্রেলিয়ার রিকি পন্টিংয়ের।

এ সম্পর্কিত আরও

Check Also

20161202_100329

অসাধারণ ‘ডাবল’ অর্জনের সামনে তিন ইংলিশ

এমন একটি ‘ডাবল’ যেটি ক্রিকেট ইতিহাসের কোনো দেশের দুই ক্রিকেটার একই বছরে অর্জন করতে পারেননি। …

Mountain View

One comment

  1. দারুন তবে বস অ্যাশরাফুলেটা গ্রেট। কারণ ০ থেকে হিরো হওয়ার স্বাদ আলাদা 🙂

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *