ঢাকা : ৩ ডিসেম্বর, ২০১৬, শনিবার, ৩:৫৩ অপরাহ্ণ
সর্বশেষ
রামগঞ্জে ১১টাকার জন্য স্কুলছাত্রকে খুঁটিতে বেঁধে নির্যাতন রোহিঙ্গাদের সহায়তা দেয়ার অনুমতি চাচ্ছে জাতিসঙ্ঘ : সাড়া দিচ্ছে না সরকার এবার রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ৩ কোটি ১০ লাখ ডলার হ্যাকড বাচা-মরার লড়াইয়ে টস জিতে ব্যাটিংয়ে রংপুর রাইডার্স শীর্ষস্থান সহ শীর্ষ দশের বাংলাদেশেরই সাত কারখানা প্রতিবন্ধীদের সাথে নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে : প্রধানমন্ত্রী দেশের ভেতরে রোহিঙ্গার সমস্যার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে দুষলেন সু চি ৫৫০ ছবি নিয়ে আজ থেকে স্বল্পদৈর্ঘ্য ও মুক্ত চলচ্চিত্র উৎসব রোহিঙ্গাবোঝাই চারটি নৌকা ফেরত পাঠিয়েছে বিজিবি মনে হচ্ছিল এটা আইপিএল ম্যাচ: ব্রাভো
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site

হালুয়াঘাটে প্রতিবন্ধিকে ধর্ষনের চেষ্টা, গ্রাম্য সালিশে জুতাপেটা

মাজহারুল ইসলাম মিশু : ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে এক প্রতিবন্ধিকে হাফেজ কর্তৃক ধর্ষনের চেষ্টায় গ্রাম্য সালিশে জুতা পেটার অভিযোগ পাওয়া যায়। ঘটনা সুত্রে জানা যায় উপজেলার স্বদেশী ইউনিয়নে পশ্চিম বাউশা গ্রামের মোঃ তোলা মিয়ার সারে তিন ফুট উচ্চতা ১৮ বছরের প্রতিবন্ধি কন্যাকে গত ১২ জুলাই একই এলাকার শহীদুল ইসলামের ছেলে হাফেজ কামরুল ইসলাম মাদ্রাসায় ঝাড়– দেয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে তাকে ধর্ষনের চেষ্টা চালায়। এ সময় প্রতিবন্ধি মেয়েটির চিৎকারে পাশের বাড়ির লোকজন উদ্ধার করে তার পিতা-মাতার কাছে হস্তান্তর করে। এই নিয়ে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হলে স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার জন্য ১৩ জুলাই এক সালিশের আয়োজন করা হয়। উক্ত সালিশে মোঃ আজিজুল ইসলাম আজির নেতৃত্বে শাহেদ আলী, আফছর উদ্দিন, লাল মিয়া ও হাফেজ আবুবক্কর সিদ্দিক সহ গ্রামের মাতাব্বরগন হাফেজ কামরুল ইসলামকে জুতাপেটা করে সালিশি সমাপ্ত ঘোষনা করেন। এমন সংবাদ শুনে গত ১৭ জুলাই স্বাবলম্বীর পেসেস প্রকল্পের লিগ্যাল এইড এর ইউনিয়ন ম্যানেজার চঞ্চল সরকার এবং মানবাধিকার সংস্থা আমাদের আইন এর হালুয়াঘাট উপজেলা কমিটির নির্বাহী পরিচালক মোঃ আব্দুল হক লিটন ঘটনা স্থলে হাজির হয়। এ সময় প্রতিবন্ধি মেয়েটিকে জিজ্ঞাসা করলে সে জানায় তাকে হাফেজ কামরুল ইসলাম মাদ্রাসায় ঝাড়– দেয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে প্রথমে ঝাপটে ধরে পরে তার পরিহিত সেলোয়ার খুলে ফেলে। তার পিতা তোলা মিয়া বাড়িতে না থাকায় মা সুফিয়া খাতুন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন গরিবের কোন বিচার নাই, তাই মূখ বন্ধ করে আছি। শেষে মামলা করেছেন কি না জানতে চাইলে তিনি জানান কামরুলের পিতা শহীদুল তারা বড়লোক মানুষ, তাদের সাথে আমরা মামলা করে ঠিকে থাকতে পারব না। আমরা গরিব মানুষ দিন আনে দিন খাই। পরে লিগ্যালএইড এর কর্মীরা বিনামূল্যে আইনী সহায়তা প্রদান করতে প্রতিবন্ধীর পরিবারকে আশ্বস্থ করেন।

এ সম্পর্কিত আরও

Check Also

sadek

ঠাকুরগাঁওয়ে জেলা পরিষদ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান প্রার্থী বিজয়ী

 এস. এম. মনিরুজ্জামান মিলন, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না …

Mountain View

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *