Mountain View

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ হবে ২০১৭ সালের ১৬ ডিসেম্বর

প্রকাশিতঃ জুলাই ২০, ২০১৬ at ৬:৪৫ অপরাহ্ণ

nnn20160720183232

২০১৭ সালের ১৬ ডিসেম্বর মহাকাশে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণ করা হবে বলে সংসদে জানিয়েছেন সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সফল ভাবে উৎক্ষেপিত হলে নির্দিষ্ট অরবিটার স্লট ১১৯.১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে পৌঁছাতে ২ সপ্তাহের মতো সময় লাগবে।

আজ (বুধবার) ২০ জুলাই জাতীয় সংসদে যশোর-২ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল ইসলামের প্রশ্নের লিখিত উত্তরে এসব তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রী। বিকেল সাড়ে ৫টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের অধিবেশন শুরু হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সফল উৎক্ষেপণের পর স্যাটেলাইটের ইন-অরবিট টেস্ট (আইওটি) সম্পন্ন করতে আনুমানিক ৩ মাস সময় লাগবে। সম্পূর্ণ টেস্টিং মিশনিং শেষে আগামী ২০১৮ সালের এপ্রিল থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট পূর্ণাঙ্গভাবে বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করতে পারবে বলে আশা করা যায়’।

‘বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট সফলভাবে উৎক্ষেপণের পর পর্যায়ক্রমে বঙ্গবন্ধু-২ ও বঙ্গবন্ধু-৩ নামক আরও দু’টি স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠানোর পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে’।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণের ফলে দেশের স্থল ও জলসীমায় নিরবচ্ছিন্ন টেলিযোগাযোগ ও সম্প্রচারের নিশ্চয়তা, স্যাটেলাইট টেকনোলজি ও সেবা প্রসারের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটে মোট ৪০টি ট্রান্সপন্ডার থাকবে। তার মধ্যে ২০টি বাংলাদেশের জন্য এবং ২০টি দেশের বাইরে ব্যবহার করা হবে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের কোনো কোনো দেশসহ পাশ্ববর্তী দেশগুলোতে এসব ট্রান্সপন্ডার লিজের মাধ্যমে বৈদেশিক মূদ্রা আয় করা হবে’।

‘বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের মাধ্যমে টেলিযোগাযোগ ও সম্প্রচার সেবার পাশাপাশি টেলিমেডিসিন, ই-লার্নিং, ই-এডুকেশন, ডিটিএইচ (ডিরেক্ট টু হোম) ইত্যাদি সেবা প্রদান করা হবে। প্রাকৃতিক দুযোর্গ টেরিস্ট্রিয়াল অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্থ হলে সারাদেশে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থা বহাল থাকা, পরিবেশ যোগাযোগ মাধ্যম হিসাবে ই-সেবা নিশ্চিত করাসহ স্পেস টেকনোলজির জ্ঞান সমৃদ্ধ মর্যাদাশীল জাতি গঠনেও অনবদ্য ভূমিকা রাখবে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট। বর্তমানে বিদেশি স্যাটেলাইটের ভাড়া বাবদ প্রদেয় বার্ষিক প্রায় ১৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সাশ্রয়সহ বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের সুযোগ সৃষ্টি হবে’।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট মহাকাশে উৎক্ষেপণ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৯৫১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। গ্রাউন্ড স্টেশন নির্মাণের জন্য গাজীপুর ও বেতবুনিয়ায় ৫ একর করে জমি অধিগ্রহণের পর ভরাটের কাজ চলছে।

এ সম্পর্কিত আরও