Mountain View

এইবার বিনে পয়সায় আর্জেন্টিনার কোচ হতে চান ম্যারাডোনা

প্রকাশিতঃ জুলাই ২০, ২০১৬ at ৭:২৮ অপরাহ্ণ

2016_06_28_12_09_12_iQ7jINwPJUu3O2NTYqKjB8bEqDhHZa_original

জগত বিখ্যাত ফুটবলার। তবে কোচ হিসাবে সেই সুনাম অর্জন করতে পারেননি। বরং সমালোচোনাই কুড়িয়েছেন বেশী। তিনি দিয়েগো ম্যারাডোনা। আর্জেন্টিনার হয়ে দুই বছর ছিলেন মূল কোচের দায়িত্বে। এরপর দুবাইয়ের আল ওয়াসল অধ্যায়। যার শেষটা বরখাস্তে।

তবে মোড় ঘুরানোর চেষ্টায় এবার আর্জেন্টাইন ফুটবল ঈশ্বর। বলেছেন, বিনে পয়সায় হলেও আর্জেন্টিনার কোচ হিসাবে দায়িত্ব পালন করতে রাজি আছেন তিনি।

শতর্বর্ষী কোপা আমেরিকার ফাইনালে চিলির কাছে টাইব্রেকারে হারের পর আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে বিদায়ের ঘোষণা দেন লিওনেল মেসি। পরে মূল কোচের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ান সাবেক বার্সার দ্রোনাচার্য জেরার্ডো মার্টিনো। আর্জেন্টিনার মূল কোচের পদ তাই এখন শূন্য। খোঁজ চলছে নতুন কোচের। যেখানে সবার চেয়ে এগিয়ে আছেন অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের আর্জেন্টাইন কোচ দিয়েগো সিমিওনে।

তবে এরই মাঝে ম্যারাডোনার নতুন ঘোষণা নতুন আলোচনার জন্ম দিল। ম্যারাডোনার হাতে কি উঠবে আর্জেন্টিনার ফুটবল দলের দায়িত্ব। অভিজ্ঞতা খুব একটা সুখকর নয় অতীতের। আবার খুব বাজে তাও বলা যাবে না। ২০১০ দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে ম্যারাডোনার অধীনেই আর্জেন্টিনা উঠেছিল কোয়ার্টার ফাইনালে। তবে জার্মানির কাছে ৪-০ গোলে হেরে বিদায় নিয়েছিল মেসিরা। পরে দেশে ফিরে নিজ পদ থেকে সরে দাঁড়ান ম্যারাডোনা।

কিন্তু ম্যারাডোনার আসল কৃতিত্ব ছিল ২০১০ বিশ্বকাপ ফুটবলের বাছাই পর্বে। যেখানে অনেক কষ্টেসৃষ্টে মূল পর্বের জায়গা করে নিয়েছিল আর্জেন্টিনা। ডাগ আউটে যার মূল কারিগর ছিলেন ম্যারাডোনা। সেই ম্যারাডোনা আবার ছয় বছর পর ইচ্ছা পোষণ করলেন নিজ দলের কোচ হওয়ার।

যদিও তিনি বলেছেন, কোচ হতে চাই, সে ক্ষেত্রে অর্থ কোন মূখ্য বিষয় নয়। চিত্র পরিস্কার, অল্প হলেও তুষ্ট ১৯৮৬ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে চ্যাম্পিয়ন করা এই খুদে ফুটবল জাদুকর।  ফক্স স্পোর্টসকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে ম্যারাডোনা বলেছেন, ‘অর্থগত কারণেই এই পোস্টের (আর্জেন্টিনার কোচ পদ) জন্য আগ্রহী নয় দিয়েগো সিমিওনে। তবে আমার কাছে টাকা কোন বিষয় নয়। প্রয়োজনে ফ্রিতে জাতীয় দলের হয়ে কাজ করব’।

তিনি আরও বলেন, ‘অনেকেই মনে করেন আমি দামি কোচ। কিন্তু মরিনহো? কিংবা আনচেলত্তি কিংবা সিমিওনে। আমি জানি না এদের চেয়ে কতটা আমি দামি।’

শেষ অংশে নিজের ভুলগুলো অবশ্য স্বীকার করেছেন তিনি। ভুল কোচিং কিংবা সাংবাদিকদের মারতে তেড়ে যাওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে তার বক্তব্যে, ‘শুরুতে কোচিংয়ে ভুল ছিল অনেক। খেলোয়াড়দের সঙ্গেও কাজের ধরণটা ঠিক ছিল না এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে ফাইট করাও’।

এ সম্পর্কিত আরও