ঢাকা : ২১ আগস্ট, ২০১৭, সোমবার, ১০:৪২ পূর্বাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site

এসেক্সকে হারানো প্রথম বাংলাদেশি মুস্তাফিজ নয়!

file (5)

কাওসার মুজিব অপূর্ব : কাউন্টি ক্রিকেট গ্রাউন্ড, চেমসফোর্ড। সাড়ে ছয় হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার ছোট্ট একটা মাঠ। এই মাঠটাতেই বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে স্বাগতিক এসেক্সের বিপক্ষে চার ওভার বল করে ২৩ রান দিয়ে চারটা উইকেট নিলেন সাসেক্সের বাংলাদেশি বাঁ-হাতি পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। বলা যায়, ম্যাচ সেরা মুস্তাফিজ একাই হারিয়ে দিলেন এসেক্সকে।

তবে, এই একই ভেন্যু ও একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে বাংলাদেশ দল কিংবা বাংলাদেশ দলের এক সদস্যের নায়ক হয়ে ওঠার এটাই প্রথম নজির নয়। তার আগে, জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ সুজনই ছিলেন বাংলাদেশের এসেক্স বধের নায়ক।

সেই গল্পটা জানতে ফিরে যেতে হবে ১৭ বছর আগে – ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশের অভিষেক বিশ্বকাপে। সেবার বিশ্বকাপের আগে তিনটা ওয়ার্ম আপ ম্যাচ খেলেছিল বাংলাদেশ। দু’টো কাউন্টি দল এসেক্স ও মিডলসেক্সের বিপক্ষে দুই ম্যাচেই জিতেছিল আমিনুল ইসলাম বুলবুলের বাংলাদেশ। হেরেছিল নর্দাম্পটনশায়ারের কাছে।

এর মধ্যে প্রথমটাতেই তারা হারিয়েছিল এসেক্সকে। সে সময়ের বাংলাদেশ দলের জন্য ইংলিশ কন্ডিশনে এসেক্সের মত দলকে হারানো কতটা কঠিন ছিল সেটা বুঝতে একটা তথ্যই যথেষ্ট। সেই দলে ছিলেন – ইংল্যান্ডের রনি ইরানি, মার্ক ইলিয়ট, পিটার সাচ, পিটার গ্রেসন, ড্যারেন রবিনসন। ছিলেন পরবর্তীতে বাংলাদেশের কোচ বনে যাওয়া অস্ট্রেলিয়ার স্টুয়ার্ট ল।

আট মে, ১৯৯৯ – এই দিনে চেমসফোর্ডে টসে হেরে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। সেদিন খালেদ মাহমুদ সুজন ৯১ বল ক্রিজে ছিলেন। তাতে সাত চার আর পাঁচ ছক্কায় ১০৮ রানের অপরাজিত এক ইনিংস খেলেন। আকরাম খানের ৫৮, বুলবুলের ৪৩ ও খালেদ মাসুদ পাইলটের ২৩ রানের ইনিংসে ভর করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে বাংলাদেশ করে সাত উইকেট হারিয়ে ২৬৩ রান।

এরপর ৩৪ ওভারে ১৯৯ রান তুলতেই আটটি উইকেট হারিয়ে বসে এসেক্স। ডাকওয়ার্থ লুইসের মারপ্যাচে স্বাগতিকরা হেরে যায় পাঁচ রানের ব্যবধানে। মোহাম্মদ রফিক চারটি ও এনামুল হক মনি-বুলবুল দুটি করে উইকেট নেন।

এর একদিন বাদেই একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করে মাত্র এক রানে জিতে ইংল্যান্ড দল!

১০ মে, সাউথগেটে ওয়াইজ শাহ, জাস্টিন ল্যাঙ্গার, মার্ক রামপ্রকাশদের মিডলসেক্সকেও বাংলাদেশ ডাকওয়ার্থ লুইস মেথডে হারিয়েছিল ১২ রানের ব্যবধানে। সেই ম্যাচে আকরাম খানে ৮০ ও শাহরিয়ার হোসেন বিদ্যুৎ ৫২ রান করেন।

এসেক্সর বিপক্ষে ৯১ বলে ১০৮ করার পর নর্দাম্পটনশায়ারের বিপক্ষে সুজন করেছিলেন ২১ বলে ৪০। ব্রিটিশ মিডিয়া তাকে বলেছিল ‘বাংলাদেশের জয়াসুরিয়া’!

ওয়ার্ম আপ ম্যাচের অভিজ্ঞতা বিশ্বকাপের মূল পর্বেও কাজে আসে বাংলাদেশের। প্রথমবার বিশ্বকাপে খেলতে নেমেই তারা হারিয়ে দেয় স্কটল্যান্ড ও পাকিস্তানকে। গড়ে নতুন ইতিহাস!

 

এ সম্পর্কিত আরও

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *