ঢাকা : ৩ ডিসেম্বর, ২০১৬, শনিবার, ৩:৫৪ অপরাহ্ণ
সর্বশেষ
রামগঞ্জে ১১টাকার জন্য স্কুলছাত্রকে খুঁটিতে বেঁধে নির্যাতন রোহিঙ্গাদের সহায়তা দেয়ার অনুমতি চাচ্ছে জাতিসঙ্ঘ : সাড়া দিচ্ছে না সরকার এবার রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ৩ কোটি ১০ লাখ ডলার হ্যাকড বাচা-মরার লড়াইয়ে টস জিতে ব্যাটিংয়ে রংপুর রাইডার্স শীর্ষস্থান সহ শীর্ষ দশের বাংলাদেশেরই সাত কারখানা প্রতিবন্ধীদের সাথে নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে : প্রধানমন্ত্রী দেশের ভেতরে রোহিঙ্গার সমস্যার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে দুষলেন সু চি ৫৫০ ছবি নিয়ে আজ থেকে স্বল্পদৈর্ঘ্য ও মুক্ত চলচ্চিত্র উৎসব রোহিঙ্গাবোঝাই চারটি নৌকা ফেরত পাঠিয়েছে বিজিবি মনে হচ্ছিল এটা আইপিএল ম্যাচ: ব্রাভো
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site

স্বরূপকাঠিতে পেয়ারার দাম কম, হতাশ চাষিরা

untitled-3_153313


  • বাংলার আপেল নামে খ্যাত স্বরূপকাঠিতে উত্পাদিত পেয়ারা সংরক্ষণের অভাব ও দাম কম হওয়ায় আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন চাষিরা। প্রায় দু’শ বছর ধরে পেয়ারার চাষাবাদ শুরু হলেও গত ৬০/৭০ বছর থেকে চলছে পেয়ারার বাণিজ্যিক আবাদ। পেয়ারা বাগানে এনথ্রাকনোস নামক (স্থানীয় ভাষায় ছিটপড়া) রোগের প্রাদুর্ভাব থাকলেও সিডরের পর থেকে প্রাকৃতিক কারণে ঐ রোগের প্রাদুর্ভাব কমে যায়। কিন্তু গত বছর থেকে পুনরায় পেয়ারায় দেখা দিয়েছে ছিটপড়া রোগ। সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণে সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগ থাকলে মৌসুমী এ ফল পেয়ারা বছর জুড়ে ভোক্তাদের চাহিদা মিটিয়ে এবং বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা যেত। পাশাপাশি চাষিরাও আর্থিকভাবে লাভবান হত।
  • কিন্তু দীর্ঘদিনেও উদ্যোক্তার অভাবে হিমাগারসহ প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প গড়ে না উঠায় এবং উত্পাদন খরচ দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় চাষিরা পেয়ারা চাষাবাদে আগ্রহ হারাচ্ছে। উপজেলার আটঘর, কুড়িয়ানা, আদমকাঠী, ধলহার, কঠুরাকাঠি, আন্দাকুল, জিন্দাকাঠি, ব্রাহ্মণকাঠি, আতা, জামুয়া, মাদ্রা ঝালকাঠি, শশীদ, পূর্ব জলাবাড়ি, আদাবাড়ি ও জৌসারসহ বিভিন্ন গ্রামের ৬৫২ হেক্টর জমিতে পেয়ারার চাষাবাদ হয়। আষাঢ, শ্রাবণ ও ভাদ্র এ তিন মাস পেয়ারার মৌসুম। তবে শ্রাবণ মাস জুড়ে পেয়ারার ভরা মৌসুম। উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে আড়াই হাজারের মত পেয়ারা বাগান রয়েছে এবং প্রায় দু’ হাজার চাষি এ পেয়ারার চাষাবাদ করে আসছে। আর পেয়ারার চাষাবাদ ও বিপণন ব্যবস্থার সাথে প্রায় ৬/৭ হাজার শ্রমজীবী মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত।
  • বাগান পরিচর্যায় শ্রম মজুরিসহ উত্পাদন ব্যয় বেশি। কিন্তু ফলন ও তুলনামূলক দাম কম হওয়ায় চাষিরা আর্থিকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন।
  • উপজেলার কুড়িয়ানা, আটঘর, আদমকাঠি, ধলহার, জিন্দাকাঠিসহ বিভিন্ন স্থানে প্রতিদিনই পেয়ারার ভাসমান হাট বসে। বর্তমানে পেয়ারা পাইকারিভাবে মণ প্রতি ২০০/২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। হেক্টর প্রতি ৭/৮ মে. টন উত্পাদিত পেয়ারা থেকে বছরে প্রায় সাড়ে চার থেকে পাঁচ কোটি টাকা আয় হয়। পেয়ারার এ মৌসুমে ঢাকা, চাঁদপুর, কুমিল্ল­­া, সিলেট, নোয়াখালী, পটুয়াখালী, ভোলা, বরগুনা, খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের এক শ্রেণির পাইকাররা এখান থেকে সরাসরি পেয়ারা ক্রয় করে নিয়ে যায়।
  • দ্রুত পচনশীল এ পেয়ারা সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণে সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগ থাকলে বছর জুড়ে ভোক্তাদের চাহিদা মেটাতে পারত এবং পেয়ারা থেকে উত্পাদিত জ্যাম-জেলি দেশি বাজারে চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানি করা যেত।

এ সম্পর্কিত আরও

Check Also

tren

টঙ্গীতে ট্রেনে কাটা পড়ে নারীর মৃত্যু

গাজীপুরের টঙ্গীতে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।শনিবার সকালে টঙ্গী রেলওয়ে জংশনের উত্তর …

Mountain View

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *