Mountain View

বিসিবির কাছে তামিমের একটি ছোট আবদার

প্রকাশিতঃ জুলাই ২৭, ২০১৬ at ৮:৩৩ অপরাহ্ণ

tamim

বাংলাদেশের শিশু-কিশোর এমনকি ক্রিকেটারদেরও স্বপ্ন থাকে মিরপুর শের-ই বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে খেলার। এখানে লর্ডসের মত অনার্স বোর্ড থাকলে ওরা আরও বেশি অনুপ্রাণিত হবে।

ক্রিকেটাররা যখন তাদের ক্যারিয়ার শেষ করবে তখন এ সাফল্য তাদের পরিবারকে দেখিয়ে গর্বও করতে পারবে। মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামের বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের(বিসিবি) কার্যালয়ে বুধবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে দেশের সেরা ওপেনার তামিম ইকবাল এসব কথা বলেন। 

বুধবার মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামের বিসিবি কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তামিম বলেন, ‘লর্ডসের মত একটা অনার্স বোর্ড আমি মনে করি আমাদেরও অবশ্যই থাকা উচিৎ। লর্ডস যেমন ইংল্যান্ডের জন্য গুরুত্বপূর্ণ আমাদের জন্য শের-ই বাংলা সমান গুরুত্বপূর্ণ। শুধু লর্ডসে নয়,ইংল্যান্ডের অনেক মাঠেই এমন বোর্ড আছে যেমন ওল্ড ট্রাফোর্ডেও।’

তামিম ইকবাল বলেন, আমার জন্য সব মাঠই গুরুত্বপূর্ণ, তবে আমার দেশের নিজের মাটি একটু বেশি গুরুত্বপূর্ণ। যদি একটা বোর্ড করা হয়, কেউ যদি বড় কোন কীর্তি করে ওইগুলা যদি লেখা হয় সেটা যতদিন খেলবো ততদিন হয়তো মূল্য বুঝবো না, যখন ক্রিকেট ছেড়ে দেবো, তখন বুঝবো। তখন আমি আমার ছেলেকে দেখাতে পারবো আমি এখানে কিছু একটা করেছিলাম। আমি নিশ্চিত অন্য সবাই তাদের পরিবারের সদস্যদের দেখাতে পারবে।

অনার্স বোর্ডের পাশাপাশি ক্রিকেট জাদুঘরেরও তাগিদ অনুভব করেন তামিম। তবে তিনি আশাবাদী সময় হলেই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) তা করে ফেলবে। ধীরে ধীরেই সব হবে বলে মনে করেন তিনি। আগের চেয়ে এখন অনেক বেশি সুবিধা পাচ্ছেন বলেই এ বিশ্বাস তার।

২০১০ সালের ৩০ মে। লর্ডস টেস্টে চতুর্থ দিনে ফলোঅনে পড়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করছে বাংলাদেশ। ওই পরিস্থিতিতেও মাত্র ৯৪ বলে দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি করে প্রতিরোধ গড়েন ওপেনার তামিম ইকবাল। শুধু তাই নয়, সঙ্গে সঙ্গেই লর্ডসের বিখ্যাত অনার্স বোর্ডে নাম তুলে ফেলেন তিনি।

অবশ্য, ইংল্যান্ডের অনার্স বোর্ডে তামিমের আগেই এ কীর্তি করেছেন একজন বাংলাদেশি বোলার। একই টেস্টে ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে পাঁচ উইকেট নিয়ে প্রথম বাংলাদেশী হিসাবে সে বোর্ডে নাম লেখান শাহাদাত হোসেন।

এ সম্পর্কিত আরও