ঢাকা : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭, শনিবার, ৭:৫১ অপরাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site

ভারতীয় তরুণীর আইএস-সংশ্লিষ্টতার কাহিনী

সিরিয়ায় মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন আইএসের জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন ভারতের হায়েদ্রাবাদের এক তরুণী। সংগঠনটির হায়েদ্রাবাদ ইউনিটের হয়ে কাজ করছিল সে। ওই তরুণী গ্রেফতারকৃত এক আইএস সদস্যের বোন।

সিরিয়াভিত্তিক দুই নেতা ওই নারীকে বিয়েও করতে চেয়েছিল। ‘জিহাদি মেট্রিমোনি’ নামের একটি পাত্র-পাত্রী সন্ধানকারী ওয়েবসাইটের সঙ্গেও সংশ্লিষ্টতা ছিল তার। দুই সিরীয় জিহাদির সঙ্গে তার বিয়ের কথাও চলছিল!

সোমবার ভারতের জাতীয় তদন্ত সংস্থা এনআইএ-এর দায়ের করা এক অভিযোগপত্রে এসব লোমহর্ষক তথ্য উঠে এসেছে। তবে সেই অভিযোগপত্রে ওই তরুণীকে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়ী করা হয়নি। সে কারণে তার নাম উল্লেখ করেনি ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো।

এনআইএ’র অভিযোগপত্রের বরাত দিয়ে টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে ওই তরুনীর ভাইকে গ্রেফতার করেন গোয়েন্দারা। ওই তরুণী আইএসের হায়েদ্রাবাদ ইউনিটের সক্রিয় সদস্য ছিল। ওই ইউনিটের সদস্য সংখ্যা ছিল ৯ জন।

টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, ওই নারীকে কাউন্সেলিং করার পর ছেড়ে দেয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের না করায় ওই তরুণীর নাম উল্লেখ করা হচ্ছে না। অবশ্য অভিযোগপত্রে ওই নারী যে আইএসের হায়েদ্রাবাদ ইউনিটের অংশ ছিল তা স্পষ্ট করে উল্লেখ করা হয়েছে।

এনআইএ’র তদন্তকে উদ্ধৃত করে টাইমস অব ইন্ডিয়া আরো জানায়, সিরিয়াভিত্তিক আইএস নেতা আবু জাকারিয়া হায়েদ্রাবাদ ইউনিট এবং ওই নারীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন। আইএস সদস্যদের বিয়ের ব্যবস্থা করতে ‘জিহাদি মেট্রিমোনি’ একটি পাত্র-পাত্রী সন্ধানকারী ওয়েবসাইট খুলেছিলেন জাকারিয়া।

সিরিয়াভিত্তিক আইএস সদস্য হামজা আল মুজাহির ওই তরুণী ও তার ভাইয়ের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখত। এনআইএ’র অভিযোগপত্রে বলা হয়, ‘মুজাহির ওই তরুণীকে বিয়ে করতে চেয়েছিল’।

অভিযোগপত্র অনুযায়ী, সিরিয়াভিত্তিক আরেক আইএস নেতা আবু জাকারিয়ার সঙ্গে ওই তরুণীর ভাইয়ের যোগাযোগ ছিল। হায়েদ্রাবাদ ইউনিটের অন্য সদস্যরা ছাড়াও ওই তরুণীর সঙ্গে আলাদা করে যোগাযোগ ছিল জাকারিয়ার। তাকে বিয়েও করতে চেয়েছিল।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, ‘জাকারিয়া সাধারণত দলীয় আলোচনা (গ্রুপ ডিসকাশন) করে থাকে এবং আইএসের মতাদর্শের প্রচারণা চালায়।

উল্লেখ্য, সোমবার আইএসের তিন সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দায়ের করে এনআইএ। এ তিনজন হলো- জম্মু-কাশ্মিরের বাসিন্দা শেখ আজহার উল ইসলাম, কর্নাটকের ভাটকালের বাসিন্দা আদনান হাসান এবং মহারাষ্ট্রের মুমব্রা-এর বাসিন্দা মোহাম্মদ ফারহান শেখ। আদনান হাসানের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল ওই তরুণীর ভাইয়ের।

ভারতের কল্যান এলাকাভিত্তিক আইএস সদস্য আরিব মাজিদ এবং ফাহাদ শেখের সঙ্গেও তার যোগাযোগ ছিল। আরিব ও ফাহাদ দুজনই সিরিয়ায় নিহত হয়েছে বলে মনে করা হয়।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

এ সম্পর্কিত আরও

Best free WordPress theme

Check Also

ট্রাম্পের বিপরীতে তসলিমা

ট্রাম্প মানুষকে শিখিয়েছেন ঘৃণা করতে। মুসলিমদের ঘৃণা করতে। কালো-বাদামি-হলুদদের ঘৃণা করতে। শরণার্থীদের ঘৃণা করতে। গরিব …