টাঙ্গাইলে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি

প্রকাশিতঃ জুলাই ২৮, ২০১৬ at ৭:০১ অপরাহ্ণ

tangail

নাজমুল হাসান,টাঙ্গাইল প্রতিনিধি,বিডিটুয়েন্টিফোর,টাইমস :যমুনা ও ধলেশ্বরী নদীর পানি অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় টাঙ্গাইলের ভুয়াপুর, গোপালপুর, কালিহাতী, নাগরপুর, দেলদুয়ার ও সদর উপজেলার বন্যা পরিস্থিতির মারাত্বক অবনতি ঘটেছে।

এসব উপজেলার সবজি, বীজতলা রোপাআমনসহ অন্তত ১০ হাজার একর জমির ফসল বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। এবং প্রায় দুই লাখ লোক পানি বন্দি হয়ে পড়েছে। টাঙ্গাইলের ভূয়াপুরের নলীন পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি বিপদসীমার ৬৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়েন প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে ব্যাপক আকার ধারণ করেছে নদী ভাঙ্গন।

নদী গর্ভে বীলিন হয়েগেছে শত, শত ঘর বাড়ী। বিশেষ করে ভুয়াপুর উপজেলার গাবসারা ইউনিয়নের বন্যা পারিস্থিতি সবচেয়ে ভয়াবহ আকার ধারন করেছে। এই ৬টি উপজেলায় যমুনা ও ধলেশ্বরী নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে নতুন করে শতাধিক গ্রাম বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে।

এতে করে এইসব গ্রামের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাটবাজার, রাস্তাঘাট ও ঘরবাড়ি পানিতে তলিয়ে গেছে। বন্যাকবলিত মানুষগুলো উচু বাঁধ ও সরকারী উচু রাস্তায় আশ্রয় নিয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডে নির্বাহী প্রকৌশলী শাহজাহান সিরাজ জানান, গত ২৪ ঘন্টায় টাঙ্গাইলে যমুনার পানি ১১ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে শনিবার বিপদসীমার ৭৪ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

গাবসারা গ্রামের বন্যাকবলিত ইয়াকুব মিয়া জানান, নতুন করে বন্যায় আমাদের রোপা, তিল টিসিসহ অন্যান্য ফসল তলিয়ে যাওয়ায় বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। পানি বন্দি হয়ে পড়ায় হাঁস মুরগী ও গরু-বাছুর নিয়ে খুবই কষ্টের মধ্যে দিন যাপন করছি।

হাউসি বেগম জানান, বন্যায় রাস্তাঘাট ও ঘরবাড়ি তলিয়ে গেছে হাটা চলা এবং রাতে ঘুমানোর জায়গা নেই। উচু বাধে আশ্রয় নিয়ে কোন মতে বেঁচে আছি।

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো. মাহবুব হোসেন জানান, বন্যা কবলিত মানুষের মাঝে ত্রান তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। প্রতিটা উপজেলায় বন্যাকবলিতদের মাঝে ত্রান সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। তবে তা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম।

এ সম্পর্কিত আরও