Mountain View

ভয়াবহ নদী ভাঙ্গনে নকলার দক্ষিনাঞ্চল

প্রকাশিতঃ জুলাই ২৮, ২০১৬ at ৭:১৮ অপরাহ্ণ

nodi

মো.জিহান মিয়া,নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধিঃ ভয়াবহ নদী ভাঙ্গনে নকলা উপজেলার ৮ নং চর অষ্টধর ইউনিয়নের দক্ষিন নারায়নখোলা গ্রামের কয়েকটি এলাকা। বর্তমানে এই এলাকার একটি মসজিদ ও দক্ষিন নারায়খোলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ব্রহ্মপুত্র নদী গর্ভে চলে যাওয়ার আশংক্ষা রয়েছে। ইতিপূর্বে বেশ কয়েকটি বাড়ীঘড়, কয়েকশ একর জায়গা জমি,গাছপালা, কবরস্থান নদীগর্ভে চলে গেছে।

জায়গা জমি,সহায় সম্বল, বাড়ীঘড় হারিয়ে দিশেহারা এ অঞ্চলের অনেক মানুষ। একদিকে নদী গর্ভে হারিয়ে যাচ্ছে সহায় সম্ভল, বসত ভিটা, জায়গাজমি অন্যদিকে কমে যাচ্ছে নকলা উপজেলার মানচিত্রের কিছু অংশ। কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরীর নির্দেশে আজ ২৮/৭/ ২০১৬ তারিখে নকলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিকুল ইসলাম জিন্নাহ ব্রহ্মপুত্র নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেন এবং এ এলাকার সাধারন মানুষের দুঃখ দূর্দশার কথা শোনেন।

নদী ভাঙ্গন রোধে কি করা যায় তার জন্য উপস্থিত সকলের পরামর্শ ও দিক নির্দেশনা নেন। এ নদী ভাঙ্গন সম্পর্কে আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিকুল ইসলাম জিন্নাহ তাৎক্ষনিক ভাবে নকলা নালিতাবাড়ীর অভিভাবক কৃষি মন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরীকে ফোনে বর্তমান চিত্রের কথা জানান এবং কি কি করনীয় তা তুলে ধরেন।মন্ত্রী অচিরেই এই ব্রহ্মপুত্র নদী ভাঙ্গন রোধে পদক্ষেপ নেবেন বলে মন্ত্রী আশ্বস্ত করেন।

নারায়খোলা দক্ষিন অঞ্চলে নদী ভাঙ্গন পরিদর্শনের সময় তার সাথে অত্র ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক ছিয়াবুল বাদশা, সম্মানিত সদস্য নকলা উপজেলা আওয়ামীলীগের শরিফুজ্জামান রিপন, ৪নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি সামছুল হক,২নং ওয়ার্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিক খান সহ নকলা উপজেলা যুবলীগ কর্মী রিপন ও রফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য যে গত ২ বছর আগে কৃষি মন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী নদী ভাঙ্গন রোধে এবং ব্রহ্মপুত্র নদীপাড়ের মানুষদের রক্ষার জন্য ড্রেজার মেশিন পাঠিয়ে ছিলেন কিন্তু দুই পাড়ের বাসীন্দারা সে সময় নদী খননে বাধা প্রদান করে। এ নিয়ে দুধিরামচর ও দক্ষিন নারায়নখোলা গ্রামের মধ্যে স্থানীয় নেতৃবিন্দদের দোষারোপ করেন।

নদী ভাঙ্গনে সর্বহারা কালাম বলেন, আমার ভিটাবাড়ী, জায়গা জমি হারিয়ে আজ আমি পথে বসার মত, কে করে দিবে আমার মাথা গুজার ঠাঁই । নদী ভাঙ্গন রোধে অনেক আগে থেকে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও চেয়ারম্যানদের বলেও কোন লাভ হয়নি বলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। উপস্থিত অনেকেই বলেন একমাত্র আল্লাহ্’ র রহমত ও কৃষি মন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরীর হস্তক্ষেপ ও সঠিক দিক নির্দেশনা ছাড়া এ অঞ্চলের মানুষ নদী ভাঙ্গন থেকে রক্ষা পাবেনা।

এ সম্পর্কিত আরও

Mountain View