Mountain View

যে পদ্ধতিতে ঢাকার ট্রাফিক জ্যাম নেমে আসবে অর্ধেকে

প্রকাশিতঃ জুলাই ৩১, ২০১৬ at ১১:৩৪ পূর্বাহ্ণ

tra


সারা বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের শত সমস্যার মাঝে তিব্র সমস্যার মধ্যে মিশে আছে রাস্তার যানজট। অসহনীয় যানজটের মাঝে মানুষের অর্ধেক চরিত্র অমানুষিক হয়ে যায়। কারন নির্দিষ্ট সময়ে কাজ করতে না পারা এবং ঘন্টার পর ঘন্টা রাস্তায় বসে থাকা, যারা বাস যাত্রী তাদের তো রীতিমত নাস্তানাবুদ অবস্থা হয়ে যায় রাস্তায় নামলেই। ঢাকা শহর যেহেতু অতিরিক্ত বসবাসকারী মানুষের স্থানে পরিণত হয়েছে সে জন্য ঢাকার বিষয়টাকে আজ গুরত্ত দিয়ে লেখাটি লিখছি।

খুব সামান্য কথায় শেষ করবো।

উপরেল্লেখিত শিরোনাম সম্পর্কিত সমস্যার সীমা স্বল্প কথায় বলে শেষ করা যাবে না।
আসা যাক, মূল কথায়,
সরকারের সদিচ্ছা ছাড়া এই যানজট দূর করণের উদ্যোগ কারোর পক্ষে নেয়া সম্ভব নয়।
তাই সরকারের প্রতি আমার প্রস্তাব খুবই সু-স্পষ্ট  ও নিখুঁত যা সবার পক্ষেই পালন করা সম্ভব।
১ম ধাপঃ প্রত্যেকটা গাড়ির নাম্বার প্লেট হিসেব করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে হবে, যেনো জোড় নাম্বার সংবলিত গাড়ি একদিন চলবে ,পরের দিন বন্ধ থাকবে। পরদিন বেজোড় নাম্বার সংবলিত গাড়ি চলবে এবং জোড় নাম্বার সংবলিত গাড়ি বন্ধ থাকবে।

এই নিয়ম সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রন করতে পারলে যানজট অর্ধেকে নেমে আসবে। এবং পরিবেশ দূষণ নেমে যাবে অর্ধেকে।
২য় ধাপঃ  প্রতি সপ্তাহে ঢাকার মূল সড়কগুলোর মধ্যে বড় বড় কিছু রাস্তা ৩/৪ কিলোমিটারে জুড়ে বন্ধ থাকবে যাতে করে  মানুষ প্রতি সপ্তাহে ৩/৪ দিন হাটাহাটি করতে পারে এবং হেঁটেই গন্তব্যে যেতে পারে। ওখানে কোনো ধরনের যানবাহন চলবে না। তাতে করে মানুষের শরীর মন ভালো থাকবে। চিকিৎসা ব্যয় কমে যাবে।
৩য় ধাপঃ কঠিন ভাবে নির্দেশনা থাকবে যেনো কোনো গাড়ির গায়ে নুন্যতম আঁচড় না থাকে , তথাকথিত  ফিটনেস নয়, একেবারে অ্যাকশন, যাতে করে কেউ দাগ সহ গাড়ি রাস্তায় নামাতে না পারে। তাতে করে রাস্তায় আর বাসে বাসে ধাক্কা ধাক্কি ও কার আগে কে যাবে প্রতিযোগিতা একদম কমে যাবে।

তবে বিশেষ সার্ভিস গুলি এই নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে।দেখুন চেষ্টা করে,শরীর,মন , সময় সব কিছু থাকবে সুন্দর ও সুস্থ।

এ সম্পর্কিত আরও