ঢাকা : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭, শুক্রবার, ১১:৫৫ পূর্বাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site

মৌর্যযুগের সভ্যতার খোঁজ সুন্দরবনে

sundor


সুন্দরবনে মিলল প্রাচীন সভ্যতার বেশকিছু নিদর্শন। এই ম্যানগ্রোভ অরণ্যে মৌর্যযুগেও যে মানুষের বসবাস ছিল তা অনুমান করা যায়। ৩২২-১৮৫ খ্রিস্টপূর্বাব্দের এই সভ্যতা অন্তত ৫০০-৬০০ বছর পর্যন্ত ছিল বলে মনে করা হচ্ছে। এতদিন পর্যন্ত সুন্দরবনের গভীর অরণ্যকে মানুষের বাসযোগ্য করে তোলার কৃতিত্ব দেওয়া হতো ব্রিটিশদেরই। ১৭৫৭ সালে মুঘল বাদশাহ দ্বিতীয় আলমগীরের কাছ থেকে সুন্দরবন হস্তান্তরিত হয় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছে। এরপর ১৭৬৪ সালে প্রথম দেশের মানচিত্রে স্থান পায় সুন্দরবনের অবস্থান। কিন্তু বর্তমান আবিষ্কারে অনেকটা স্পষ্ট যে তার অনেক আগে থেকেই সুন্দরবনে

মানুষের বসবাস ছিল। তবে কী করে এই সভ্যতা আধুনিক যুগের প্রারম্ভে এসে হারিয়ে গেল তা এখনও স্পষ্ট নয় পুরাতত্ত্ববিদদের কাছে। বিশেষজ্ঞ ফণীকান্ত মিশ্র জানিয়েছেন, ‘এই মিসিং লিঙ্ক-কে খুঁজে বের করাই এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ।’

সুন্দরবনের ঐতিহাসিক গুরুত্ব আবিষ্কারের নেপথ্যে যে মানুষটির অবদান সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য তিনি কোনো পুরাতত্ত্ববিদ বা ঐতিহাসিক নন। তিনি একজন সাধারণ মৎস্যজীবী। নাম বিশ্বজিৎ সাহু। মাছ ধরার জন্য সুন্দরবনের ভারতীয় অংশের বিভিন্ন দ্বীপে ঘুরে বেড়াতে হয় তাকে। নানা সময় খুঁজে পাওয়া টেরাকোটার খেলনা, প্রাচীন পুঁতির মালা, পেনড্যান্টের মতো বেশ কিছু জিনিস সংগ্রহ করেন তিনি। এ সবের সঠিক অর্থ বুঝতে না পারলেও নষ্ট করে না ফেলে নিজের সংগ্রহে রাখতেন বিশ্বজিৎ। এভাবে প্রায় ১৫ হাজার প্রাচীন নিদর্শন সংগ্রহ করেন তিনি।

যার নেতৃত্বে পাথর প্রতিমায় পুরাতাত্তি্বক গবেষণা চলছে, সেই ফণীকান্ত মিশ্র বলেছেন, ‘সাহু না পুরাতত্ত্ব সম্পর্কে কিছু জানেন, না মৌর্যযুগ সম্পর্কে তার কোনো ধারণা আছে। তবু নিজের বুদ্ধিতেই এই সব তিনি নষ্ট না করে ফেলে যত্নে নিজের কাছে রেখে দিয়েছিলেন। তার জন্যই এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উদ্ঘাটিত হলো।’

প্রাচীন খেলনা, ঘর-সংসারের সামগ্রী ছাড়াও বেশ কিছু মানুষের মাথার খুলি, হাড়ের টুকরো বিশ্বজিৎ সংগ্রহ করে রাখেন। এসব প্রাচীন সভ্যতার বাসিন্দাদের নিদর্শন বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। ফণীকান্ত মিশ্রের মতে, সুন্দরবনের এই সভ্যতা মৌর্য যুগে শুরু হয়ে সুঙ্গা যুগ পেরিয়ে গুপ্ত যুগের প্রথমদিকেও বজায় ছিল। গুপ্ত যুগের শেষের দিকে কোনোভাবে এই সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যায় বলে মনে করা হচ্ছে।

এ সম্পর্কিত আরও

Best free WordPress theme

Check Also

বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের চূড়ান্ত পর্বে কুড়িগ্রামের সোনার ছেলেরা

এস,এম আব্দুল্লা আল মামুন(উজ্জল),কুড়িগ্রাম; আজ দুপুর ২টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম মাঠে স্কুল ভিত্তিক প্রতিযোগিতায় রংপুর …