ঢাকা : ২৩ মার্চ, ২০১৭, বৃহস্পতিবার, ২:২১ অপরাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site

প্রশান্ত মহাসাগরে স্বর্গীয় দ্বীপ ৩৮০০ টাকায়!

dip


চোখ কপালে তোলার মতো খবরই বটে। তবে তা একশ’ ভাগ সত্যি। ভাগ্য সহায় থাকলে যে কোনো স্বপ্ন সত্যি হয়ে যেতে পারে অনায়াসেই। আবার এমন কিছু ঘটনাও ঘটে যেতে পারে, যা স্বপ্নেরও অতীত। তেমনি এক ঘটনা ঘটে গেছে অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক জশুয়ার ক্ষেত্রে। মাত্র ৪৯ মার্কিন ডলার বা বাংলাদেশি মুদ্রায় তিন হাজার আটশ’ টাকায় তিনি জিতে নিয়েছেন প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত গোটা একটি দ্বীপ।

শুধু দ্বীপ বললে ভুল হবে। কী নেই এখানে। স্বর্গীয় সুষমার সবটুকু ঢেলে দেওয়া হয়েছে এখানে। প্রশান্ত মহাসাগরে ফেডারেটেড স্টেটস অব মাইক্রোনেশিয়ার অন্তর্গত কসরে দ্বীপপুঞ্জের এ দ্বীপটিতে রয়েছে সৈকতমুখী ১৬ কক্ষবিশিষ্ট একটি রিসোর্ট, যার চারপাশে চমৎকার বাগান। দুই বেডের প্রতিটি কক্ষ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। ২২টি চ্যানেলের কেবল টিভি। ছোট একটি বার। রয়েছে ব্যক্তিগত ৩২ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি সুইমিংপুল। পুরো রিসোর্টটি সৌরশক্তির সাহায্যে সার্বক্ষণিক বিদ্যুতের ব্যবস্থা করা। এ ছাড়া রোমাঞ্চপ্রিয়দের সমুদ্রে ডাইভ দেওয়ার মতো সব ধরনের সরঞ্জাম ও ব্যবস্থা তো আছেই। দ্বীপটিতে রয়েছে কুঞ্জবন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ধ্বংসপ্রাপ্ত কিছু প্রাচীন স্থাপনা; রয়েছে অনেকগুলো গুহা এবং প্রবালপ্রাচীর। দ্বীপটি ব্রিসবেন থেকে তিন হাজার আটশ’ কিলোমিটার দূরে। তবে রিসোর্ট থেকে ট্যাক্সিতে করে মাত্র ১৭ মিনিটে কসরে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাওয়া যায়।
কীভাবে তিন একর আয়তনের দ্বীপটির মালিক হলেন জশুয়া? সে আরেক অবাক হওয়ার মতো ব্যাপার। রিসোর্টসহ এ গোটা দ্বীপটি বিক্রির জন্য একটি সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করেন এর মালিক ডাগ এবং স্যালি। দ্বীপটি বিক্রির জন্য এক অভিনব উপায় বেছে নেয় ওই সংস্থা। প্রায় ১৫০টি দেশে মোট ৭৫ হাজার ৪৮৫টি টিকিট অনলাইনে বিক্রি করে তারা। প্রতিটি টিকিটেরই মূল্য ধরা হয় ৪৯ মার্কিন ডলার। এর পর ওই ৭৫ হাজার ৪৮৫ জনের মধ্যে ‘লাকি ড্র’তে নাম উঠে আসে অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসের বাসিন্দা জশুয়ার। আর অবিশ্বাস্য দামে তিনিই এখন দ্বীপটির মালিক।
এ দ্বীপের মালিক ডাগ এবং স্যালি এবার ফিরতে চান অস্ট্রেলিয়ায়, তাদের পরিবারের কাছে। তাই প্রায় এক দশক আগে বানানো সুদৃশ্য রিসোর্টসহ গোটা দ্বীপ তারা এখন বুঝিয়ে দেবেন জশুয়াকে। এই দ্বীপের মালিকানা পেয়ে যারপরনাই খুশি জশুয়া। অস্ট্রেলিয়ার একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমি ডাগ আর স্যালিকে ধন্যবাদ জানাতে চাই আমাকে এই অসাধারণ সুযোগ দেওয়ার জন্য।’ তিনি আরও বলেন, ‘ওই দ্বীপে গিয়ে স্বর্গীয় রিসোর্টে ফিতা কাটার জন্য আমি মুখিয়ে আছি।’

এ সম্পর্কিত আরও

Best free WordPress theme

Check Also

ফেসবুকে লাইভ ধর্ষণ!

প্রযুক্তির দাপটে নতুন মাত্রা পাচ্ছে অপরাধের জগত। সেইসঙ্গে বিপন্ন হচ্ছে মানবিকতাও। সম্প্রতি এরকমই এক ঘটনার …