মুস্তাফিজের চেয়ে বড় প্রতিভা বিমান বাহিনির সর্বোচ্চ গতির পেসার এবাদত!

প্রকাশিতঃ আগস্ট ৫, ২০১৬ at ৮:৪৪ পূর্বাহ্ণ

eb

বিসিবি হাইপারফরম্যান্স (এইচপি) ইউনিটের বোলিং পরামর্শক হিসেবে আসা আকিব জাভেদের এক সপ্তাহের কাজ শেষ হয়েছে  এইচপির ১৭ ও জাতীয় দলের ৮ পেসারের সঙ্গে। কাজ শেষে আজ একটা কাগজ নিয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে এলেন আকিব। কাগজে লেখা চার তরুণ পেসারের নাম, যাঁরা ভবিষ্যতে দিতে পারেন বাংলাদেশের পেস বোলিংয়ে নেতৃত্ব।

চার জনের মধ্যে একজন বিমান বাহিনীতে কর্মরত এবাদত হোসেন। এবারের ‘ফাস্ট বোলার হান্ট’ কর্মসূচির সর্বোচ্চ গতির বোলার মৌলভীবাজারের এ তরুণ। এইচপি ক্যাম্পে তাকে দেখে দারুণ মুগ্ধ পাকিস্তানি সাবেক পেসার ও কোচ আকিব জাভেদ। তবে জাতীয় দলে খেললেও বিমান বাহিনী ছাড়বেন না বলে জানিয়েছেন এবাদত।

আজ সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এবাদত বলেন, ‘আমি এয়ারফোর্সে জব করি। তারা শুরু থেকেই ইতিবাচক ছিল। যখনই ছুটির দরকার ছিল, বা বিসিবি ডাকছে বা কোনও ক্লাব লেভেলে খেলতে গেছি তারা আমাকে সাহায্য করেছে। এখন এখানে আসার পর মনে হচ্ছে ক্রিকেটের সাথে সংযুক্ত থাকতে হবে। আমার মনে হয় এয়ারফোর্স আমাকে সাহায্য করবে। আর এখানে থেকে আমি একটি চিঠি নিয়ে যাব, যাতে আমি নিয়মিত এখানে আসতে পারি, জিম করতে পারি বা ট্রেনারদের সঙ্গে কথা বলতে পারি, ফিটনেস নিয়ে কাজ করতে পারি।’

দ্রুতগতির এই পেসারের প্রশংসাও করেছেন এইচপি ক্যাম্পের পরমর্শক হিসেবে কাজ করা সাবেক পাকিস্তানি পেসার আকিব জাবেদ। তাই আকিবকে নিয়ে এবাদত বলেন, ‘তিনি আমার শারীরিক কাঠামো দেখে বুঝতে পারেননি যে আমি এতো জোরে বল করতে পারি। তিনি বলেছেন আমি যদি মাসল আরও বিল্ডআপ করতে পারি তাহলে আরও জোরে বল করতে পারবো।’ আকিবের এমন সংক্ষিপ্ত সফর থেকে অনেক কিছু শিখেছেন বলে জানান এবাদত, ‘যে চারটা দিন কাজ করেছেন তার কাছ থেকে কে কী নিয়েছে জানি না তবে আমি উপকৃত হয়েছি। কিভাবে রান আপ নিতে হয়, কিভাবে রিভার্স সুইং করাতে হয় সেসব শিখিয়েছেন তিনি।’

এ সম্পর্কিত আরও