ঢাকা : ৮ ডিসেম্বর, ২০১৬, বৃহস্পতিবার, ১২:১৬ পূর্বাহ্ণ
সর্বশেষ
ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি কার্যক্রম বন্ধে আইনি নোটিশ ‘রোহিঙ্গাদের অবারিত আসার সুযোগ দিতে পারি না’প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে ২১ হাজার রোহিঙ্গা মুসলিম দেশে এইচআইভি আক্রান্ত ৪ হাজার ৭২১ জন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানাজায় লাখো মানুষের ঢল,শেষ শ্রদ্ধায় শাকিলের দাফন সম্পন্ন ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপে ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ৯৭ সংসদে রোহিঙ্গা ইস্যুতে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী বগুড়ায় জাতীয় বিদ্যুৎ ও জ্বালানী সপ্তাহ ২০১৬ উদ্বোধন ও র‌্যালী অনুষ্ঠিত অভিনয়েই নয় এবার শিক্ষার দিক দিয়েও সেরা মিথিলা শিশুদের ওজনের ১০ শতাংশের বেশি ভারী স্কুলব্যাগ নয়
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site

শিশুটি বলছে- ‘আমার নাম আকাশি, আমি হারিয়ে গিয়েছি’

full_587525908_1470600476

গত ১ লা আগস্ট ঢাকার ডেমরা রোডের মৃধাবাড়ী এলাকায় রাস্তায় ওপরে দাঁড়িয়ে কাঁদছিল শিশুটি। তখন স্থানীয় দুই ব্যক্তি শিশুটিকে যাত্রাবাড়ী থানায় নিয়ে আসে। পরে তাকে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে রাখা হয়।

এরই মধ্যে সবার মনে দাগ কেটেছে শিশুটি। ফুটফুটে বাচ্চাটির মায়াবী চেহারা। বয়স তিন বছর হলেও চটপট করে কথা বলে সে। যিনি দেখেছেন তিনি বলছেন, ‘আহারে। বাচ্চাটির খোঁজে মা-বাবা হয়তো পাগলের মতো রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছে।’ হারিয়ে যাওয়া এই শিশুটির নাম আকাশি। তাকে রোববার ঢাকার শিশু আদালতে হাজির করে যাত্রাবাড়ী থানা-পুলিশ। পরে আদালত রোববার শিশুটিকে রাজধানীর আজিমপুরে অবস্থিত ছোটমনি নিবাসে পাঠানোর আদেশ দেন।

রোববার শিশুটিকে বেলা সাড়ে এগারোটার দিকে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের (সিএমএম) হাজতখানায় আনে যাত্রাবাড়ী থানা-পুলিশ। পরে শিশুটিকে ঢাকার আদালত পুলিশের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তাদের কার্যালয়ে (ননজিআরও) আনা হয়। সেখানে শিশুটিকে দেখে পুলিশের একজন কর্মকর্তা বিভিন্ন প্রকারের ফল এনে খাওয়ান।

সেখানেই শিশুটি বলে, ‘আমার নাম আকাশি। আমার আব্বুর নাম মনির। মায়ের নাম সালমা বেগম। আমি হারিয়ে গিয়েছি।’ ‘হারিয়ে গিয়েছি’ শব্দ উচ্চারণ করার পরপরই শিশুটি হাউমাউ করে কাঁদতে থাকে। খানিকক্ষণ ফুপিয়ে ফুপিয়ে কেঁদেই চলে শিশুটি। একপর্যায়ে শিশুটি বারবার বলতে থাকে, ‘আমি আমার মায়ের কাছে যেতে চাই। আমি আমার বাবার কাছে যেতে চাই।’

পরে শিশুটিকে বিকেলে ঢাকার শিশু আদালতে তোলা হয়। তখন ওই আদালতের সরকারি কৌঁসুলি আবদুস সাত্তারও আদালতের সামনে শিশুটির কাছে তার পরিচয় জানতে চান। তখনো শিশুটির তার বাবা-মায়ের নাম বলে। কিন্তু কোথায় তাদের বাসা তা বলতে পারেনি। কীভাবে সে হারিয়ে গেছে তাও বলতে পারে না।

আবদুস সাত্তার বলেন, ‘যে-ই শিশু আকাশিকে দেখেছে, তারই খারাপ লেগেছে। শিশুটির জন্য আমারও মন কাঁদছে। ওর বাবা-মায়ের জন্য খারাপ লাগছে। শিশুটিকে পাওয়ার জন্য ঢাকার শিশু আদালতে যোগাযোগ করলে সার্বিক সহযোগিতা করব।’ সূত্র: প্রথম আলো

এ সম্পর্কিত আরও

Check Also

গণধর্ষণের লজ্জায় স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যার চেষ্টা

মাদারীপুরের কালকিনির গোপালপুর এলাকায় গণধর্ষণের শিকার হয়ে এক স্কুলছাত্রী আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে। তাকে উদ্ধার করে …

Mountain View

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *