রবিবার , অক্টোবর ২২ ২০১৭
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site
প্রচ্ছদ / জাতীয় / ৩০ শতাংশের বেশি বাড়ানো যাবেনা শিক্ষার্থীদের বেতন

৩০ শতাংশের বেশি বাড়ানো যাবেনা শিক্ষার্থীদের বেতন

প্রকাশিত :

sk


বেসরকারি এমপিওভুক্ত, আংশিক এমপিওভুক্ত ও এমপিওবিহীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি) শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধির লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের মাসিক বেতন সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো যাবে। তবে এ ক্ষেত্রে অভিভাবকদের সঙ্গে আলোচনা ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের (শিক্ষা) অনুমোদন নিতে হবে।

মঙ্গলবার বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের বেতন ও টিউশন ফি বৃদ্ধি সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এতে বলা হয়েছে, ‘সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ২০১৫ সালের নতুন পে-স্কেল প্রবর্তনের পরিপ্রেক্ষিতে বেসরকারি এমপিওভুক্ত, আংশিক এমপিওভুক্ত এবং এমপিওবিহীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ অস্বাভাবিক বেতন ও টিউশন ফি বৃদ্ধি করে যাচ্ছে, যা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’

এ.কে.এম.জাকির হোসেন ভূঞা স্বাক্ষরিত পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে, ‘এ ক্ষেত্রে অভিভাবকদের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে বর্ধিত বেতন-ভাতা বৃদ্ধি নির্ধারণ করতে হবে। তবে কোন অবস্থাতেই ছাত্র-ছাত্রীদের বেতন সর্বোচ্চ ৩০% এর বেশি বাড়ানো যাবে না। তাছাড়া সংস্থাপন ব্যয় বাবদ ভর্তি নীতিমালায় বর্ণিত সেশন চার্জ ও উন্নয়ন ফি এর অতিরিক্ত কোন অর্থ আদায় করা যাবে না।’

গত বছরের ডিসেম্বরে নতুন জাতীয় বেতনস্কেল করার পর অনেক বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধির কথা বলে শিক্ষার্থীদের মাসিক বেতন বিভিন্ন হারে বৃদ্ধি করে। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান শতভাগ পর্যন্ত বেতন বৃদ্ধি করে। এ নিয়ে অভিভাবকেরা আন্দোলনে নামলে ওই বর্ধিত বেতন ও টিউশন ফি বন্ধের নির্দেশ দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। অবশেষে এ বিষয়ে একটি নির্দিষ্ট হার নির্ধারণ করে দিল মন্ত্রণালয়।

ওই পরিপত্রে বলা হয়েছে, ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা জনবল কাঠামো অনুসারে নির্ধারণ করতে হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া কোনো শ্রেণি-শাখা বৃদ্ধি করা যাবে না। শ্রেণি-শাখার অনুমোদন না থাকলে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ বৈধ হবে না। অনুমোদন ছাড়া নিয়োগকৃত শিক্ষক-কর্মচারীর বেতন-ভাতার জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো বেতন বা ফি আদায় করা যাবে না।’

এতে আরও বলা হয়েছে, ‘শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন ভাতাদি জনবল কাঠামোতে নির্ধারিত শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে নির্ধারণ করতে হবে। একজন নন-এমপিও শিক্ষকের বেতন ভাতার মোট পরিমাণ কোনভাবেই সমস্কেলের একজন এমপিওভুক্ত শিক্ষকের বেতনের চেয়ে বেশি হবে না।’

মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র অনুযায়ী, ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সরকারি বেতন ভাতার অংশের বাইরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বাড়তি ভাতা প্রদানে ইচ্ছুক হলে তার পরিমাণ এমনভাবে নির্ধারিত হবে, যেন একজন শিক্ষকের মোট প্রাপ্তি কোনভাবেই একই স্কেলভুক্ত সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষকের মোট প্রাপ্তির বেশি না হয়।’

এতে আরও বলা হয়েছে, ‘জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা প্রস্তাবটি পরীক্ষা করে তা যথাযথ প্রতীয়মান হলে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা)-এর নিকট উপস্থাপন করবেন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা) অনুমোদন করলে বিদ্যালয় ফি বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।’

এ সম্পর্কিত আরও

Check Also

জাতীয় পতাকার ব্যবহারবিধি ও শাস্তি!

আমরা অনেকে জানি না জাতীয় পতাকার যথাযথ ব্যবহার . জাতীয় পতাকার ব্যবহার জানা অনেক গুরুত্বপূর্ণ …

Leave a Reply