Mountain View

সাখাওয়াতকে ফাঁসির আদেশ, বাকি সাত রাজাকারের আমৃত্যু কারাদণ্ড

প্রকাশিতঃ আগস্ট ১০, ২০১৬ at ১:৩৬ অপরাহ্ণ

ICTsm20160809110247

মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে জাতীয় পার্টির নেতা সাবেক সংসদ সদস্য একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে যশোরের কেশবপুরের রাজাকার কমান্ডার সাখাওয়াত হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।

একই মামলার আট আসামির মধ্যে কেশবপুরের অন্য সাত রাজাকারকে দেওয়া হয়েছে আমৃত্যু কারাদণ্ডাদেশ।

আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত সাতজন হচ্ছেন- মো. বিল্লাল হোসেন, মো. ইব্রাহিম হোসেন, শেখ মোহাম্মদ মুজিবর রহমান, মো. আব্দুল আজিজ সরদার, মো. আজিজ সরদার, কাজী ওয়াহেদুল ইসলাম ও মো. আব্দুল খালেক মোড়ল।

আসামিদের বিরুদ্ধে আনা দুই জনকে হত্যা, এক নারীকে ধর্ষণ, অন্য কয়েকজনকে অপহরণ, আটক ও নির্যাতন এবং বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগসহ পাঁচটি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের মধ্যে সবগুলোই প্রমাণিত হওয়ায় পৃথক পৃথকভাবে এ সাজা পেয়েছেন তারা।

একই মামলার ওই আট আসামির মধ্যে গ্রেফতার রয়েছেন সাখাওয়াত হোসেন ও মো. বিল্লাল হোসেন। বাকি ছয়জন পলাতক।

আজ (বুধবার) ১০ আগস্ট সকালে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার ২৬তম এ রায় ঘোষণা করেন চেয়ারম্যান বিচারপতি মোহাম্মদ আনোয়ার উল হকের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল। বিচারিক প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হচ্ছেন বিচারপতি শাহিনুর ইসলাম ও বিচারপতি মো. সোহরাওয়ার্দী।

নয় আসামির মধ্যে মো. লুৎফর মোড়ল গ্রেফতার হওয়ার পর অসুস্থ হয়ে মারা যাওয়ায় এর আগে তাকে আসামি তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

একাত্তরের ইসলামী ছাত্রসংঘ নেতা সাখাওয়াত হোসেন ছিলেন মুক্তিযুদ্ধে যশোরের কেশবপুরের রাজাকার বাহিনীর কমান্ডার। অন্য আসামিরা ছিলেন এ বাহিনীর সদস্য।

সাখাওয়াতের নেতৃত্বে কেশবপুরের চিংড়া, বগা, ভাণ্ডারখোলা, নেহালপুর, হিজলডাঙ্গা, গৌরীঘোনা ও ভাল্লুকঘরসহ বিভিন্ন এলাকায় হত্যা, গণহত্যা, অপহরণ, আটক, নির্যাতন, বাড়িঘরে হামলা, লুটপাট অগ্নিসংযোগসহ বিভিন্ন ধরনের মানবতাবিরোধী অপরাধ করেন তারা। তাদের অত্যাচার-নির্যাতনে এলাকার সংখ্যালঘুরাও দেশত্যাগে বাধ্য হন।

এ সম্পর্কিত আরও

Mountain View