ঢাকা : ২৮ এপ্রিল, ২০১৭, শুক্রবার, ১১:৫২ অপরাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site

এক রুমে ৪০০ জনের ঘুম

একটি বেডরুমে দুই থেকে পাঁচ জনের ঘুমানোর ব্যবস্থা থাকবে এটাই সচরাচর দেখা যায়। কিন্তু এর ব্যতিক্রম দেখতে চাইলে বাংলায় প্রাচ্যের ভেনিস খ্যাত বরিশাল বিভাগে লঞ্চ ভ্রমন করতে হবে। পাঠক বেডরুম বলতে এখানে লঞ্চের ডেকারকে বুঝানো হয়েছে। বরিশালগামী প্রতিটি বড় বড় লঞ্চে ডেকার থাকে। এই ডেকারে ৩০০ থেকে ৪০০ মানুষ এক সাথে অবস্থান করে রাতে ঘুম, খাওয়া, গল্প সব কিছু সেরে নেওয়া যায়।

মজার ব্যাপর হল, একজনের পাশে যে ঘুমিয়ে আছে তাকে হয়তো চেনেন না অপর ব্যক্তি। অথচ একই সাথে তারা বেডরুমে (ডেকে) বালিশ-বিছানা নিয়ে ঘেসা-ঘেসি করে ঘুমাচ্ছেন।b.shal-220150920144741

প্রতিটি বড় বড় লঞ্চে ডেকার থাকে। এখানে টাকার কারণে হোক আর মজা করে হোক অপরিচিত হলেও এক পরিবার আরেক পরিবারের সাথে শেয়ার করে ঘুমায়। তবে কিছু কিছু সময় ডেকারের জায়গা নিয়ে যাত্রীদের বকাবকিও শুনা যায়।

রাতের বেলায় সদরঘাট থেকে ছেড়ে পরদিন খুব সকাল বরিশাল ঘাটে পৌঁছায় লঞ্চ। কেবিনে আসার সৌভাগ্য হলে সারারাত কষ্ট-ক্লেশ না করে ঘুমিয়ে আসা যায়।

ডেকের যাত্রীদের কথা অবশ্য আলাদা। স্টিলের পাতের তৈরি অসম্ভব ঠান্ডা লঞ্চের ডেকে সারারাত বসে আসার অভিজ্ঞতা অনেক মজার। বউ-বাচ্চা নিয়ে সদরঘাট থেকে কলা-রুটি কিনে খেয়ে, মানুষের ভিড়ে গাদাগাদি করে ডেকে চাদর বিছানো শয্যায় নির্ঘুম রাত কাটানোর অভিজ্ঞতা অনেকের কাছে।

সিঙ্গেল কেবিন ভাড়া লঞ্চভেদে ৫০০-৭০০ টাকা , ডাবল কেবিন ১০০০–১২০০ টাকা আর ডিলাক্স (ফ্যামিলি) ১৬০০ টাকা। এ ছাড়াও আছে লঞ্চের ডেক, যার ভাড়া ১৫০-২০০ টাকা।

আপনি চাইলে লঞ্চেই রাতের খাবার অর্ডার করতে পারেন অথবা নিজের বাসা থেকে নিয়ে যেতে পারেন। লঞ্চের ভ্রমন খুব-ই উপভোগ্য। লঞ্চের প্রথম ভ্রমন হলে যে কেউ আপ্লুত হয়ে পরবেন। লঞ্চ গুলো ঢাকা থেকে ছাড়ে বিকেল ৬ টা থেকে সন্ধ্যা ৮ টার ভেতর। সকাল ৬ টা বা ৭ টা নাগাদ বরিশাল পৌঁছায়।

এ সম্পর্কিত আরও

Check Also

সঠিক সময়েই অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মাশরাফি: কোচ হাথুরুসিংহে

স্পোর্টস ডেস্ক: শ্রীলঙ্কা সফরে প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে মাঠ নামার ঠিক আগ মুহূর্তে হঠাৎই টি-টোয়েন্টি থেকে …

আপনার-মন্তব্য

Loading...

টাইমস is Stephen Fry proof thanks to caching by WP Super Cache