ঢাকা : ৬ ডিসেম্বর, ২০১৬, মঙ্গলবার, ২:৪২ পূর্বাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site

অদ্ভূত ভাবে অলিম্পিকে সোনা জয়

প্রতিযোগিতা দৌড়ের। কিন্তু ডাইভ দিয়ে সোনা নিশ্চিত করলেন। রিও-অলিম্পিকে এমন ঘটনাই ঘটলো। চলছিল মেয়েদের ৪০০ মিটারের দৌড় প্রতিযোগিতা। শুরু থেকে সবার চেয়ে এগিয়ে ছিলেন বাহামার শন মিলার। কিন্তু শেষের দিকে গিয়ে পিছিয়ে পড়েছিলেন। পেরে উঠছিলেন না প্রতিপক্ষের সঙ্গে।

যুক্তরাষ্ট্রের তারকা দৌড়বিদ অ্যালিসন ফেলিক্স তাকে পেরিয়ে যান। দু’জনেই প্রাণপণে দৌড়াচ্ছেন। ফিনিশিং লাইন থেকে তখন মাত্র কয়েক হাত দূরে। শেষ মুহূর্তে যে কোনো কিছু ঘটে যাওয়ার সম্ভাবনা। ঠিক এমন মুহূর্তে অভাবনীয় এক কাজ করে বসলেন বাহামার শন মিলার। কয়েক হাত দূর থেকে সামনের দিকে লাফ দিলেন তিনি। হাত দিয়ে ছুঁয়ে ফেললেন ফিনিশিং লাইন। আর এই লাফেই বাজিমাৎ করলেন। ফেলিক্সকে ০.৭ সেকেন্ড পেছনে ফেলে সোনা জিতে নিলেন মিলার। ৪০০ মিটার পার হতে তিনি সময় নিলেন ৪৯.৪৪ সেকেন্ড। আর ৪৯.৫১ সেকেন্ড সময় নিয়ে রুপা জিতেছেন যুক্তারষ্ট্রের অ্যালিসন ফেলিক্স। জ্যামাইকার শেরিকা জ্যাকসন জিতেছেন ব্রোঞ্জ পদক।

২০০৪-এথেন্স অলিম্পিকে অভিষেক হয় যুক্তরাষ্ট্রের ‘স্প্রন্টের রানী’ বলে খ্যাত ফেলিক্সের। অলিম্পিকও বিশ্ব চ্যাম্পিয়শিপে তিনি মোট জিতেছেন ৩০টি পদক। যুক্তরাষ্ট্রের কোনো নারী অ্যাথলেট এখন পর্যন্ত এত পদক জিততে পারেননি। ২০১২-লন্ডন অলিম্পিকে তিনি ব্যক্তিগত ২০০ মিটার ও দলীয় ৪ক্ম১০০ ও ৪ক্ম৪০০ মিটার রিলেতে সোনা জেতেন। এর আগে বেইজিংয়ে ৪ক্ম৪০০ মিটার রিলের সোনার পাশাপাশি জেতেন ২০০ মিটারে রূপা। এর আগে ২০০০ সালে এথেন্সে জেতেন ২০০ মিটারে রুপা। সব মিলিয়ে অলিম্পিকে তার ৭টি পদক। কিন্তু এবার তাকে হতাশ হতে হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের অলিম্পিক ট্রায়ালে সেরা তিনের মধ্যে থাকতে না পারায় ২০০ মিটার দৌড়ের সুযোগ পাচ্ছেন না তিনি। চলতি আসরে বাকি আছে মাত্র একটি ইভেন্ট। ৩০ বছর বয়সী এ স্প্রিন্টার লড়বেন ৪ক্ম১০০ মিটার রিলে ইভেন্টে।

২০১৫ সালের বেইজিং বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে এই ফেলিক্সের কাছে একটুর জন্য হেরে রূপা জিতেছিলেন বাহামার শন মিলার। কিন্তু রিও-অলিম্পিকে সে ভুল আর তিনি করলেন না। প্রথমবার অলিম্পিকে অংশ নিয়েই ‘ডাইভ’ দিয়ে সোনা জিতে নিলেন। এমন অদ্ভুত উপায়ে সোনা জয়ের পর তিনি বলেন, ‘আগে কখনো এমন ঝাঁপ দেইনি। আমার মাথায় তখন একটা বিষয়-ই কাজ করছিল- সোনার পদক। এই ভাবনার মধ্যেই লাফ দিয়ে বসলাম। দেখি মাটিতে পড়ে আছি। কী ঘটেছে তার কিছুই আমি বুঝতে পারিনি। চোখে অন্ধকার দেখছিলাম। মাটিতে পড়ে ছিলাম। হঠাৎ আমি আমার মায়ের চিৎকার শুনতে পেলাম। গ্যালারি থেকে তার চিৎকার ভেসে আসছে। তখন বুঝলাম- আমি সোনা জিতেছি।’

এ সম্পর্কিত আরও

Check Also

68c6a1d425672e5846dcf5dbe32a3b36x600x400x33

বিয়ে করে কাঁদতে হল যুবরাজকে, কিন্তু কেন?

স্পোর্টস ডেস্ক: যুবরাজ সিংহকে কাঁদতে দেখা যায়নি কোনওদিন। বিয়ে করে কিন্তু কাঁদতে হল পঞ্জাবতনয়কে। কিন্তু …

Mountain View