ঢাকা : ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬, শুক্রবার, ৯:৪৬ পূর্বাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site

কোনো ‘ইস্যু’ খুঁজে না পেয়ে বিএনপি এখন ঝোপ বুঝে কোপ মারছে

আজ (শুক্রবার) গণমাধ্যমে পাঠানো দলটির পলিটব্যুরোর স্ট্যান্ডিং কমিটির এক বিবৃতিতে এ দাবি করা হয়। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগও বলছে, সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের কোনো ‘ইস্যু’ খুঁজে না পেয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া তেল-গ‌্যাস কমিটির রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রবিরোধী আন্দোলন ‘ছিনতাই’ করেছেন।

সরকারের শরিক ওয়ার্কার্স পার্টির বিবৃতিতে বলা হয়, সুন্দরবন রক্ষা ও রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র অন্য জায়গায় সরিয়ে নেওয়া সম্পর্কে খালেদা জিয়ার বক্তব্য ‘মাছের মায়ের পুত্র শোক’। চলমান আন্দোলনকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করে রাজনৈতিক লক্ষ্য পূরণই এর উদ্দেশ্য।

“সুন্দরবনসহ দেশের তেল-গ্যাস জাতীয় সম্পদ রক্ষার জন্য তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ, বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটিসহ বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠন যে দাবি তুলে ধরেছে সে বিষয়ে বিএনপি এ যাবৎ কোনো কথাই বলেনি। বরং ক্ষমতায় থাকাকালে ফুলবাড়ীতে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলনের জন্য অবৈধ পন্থায় এশিয়া এনার্জির হাতে তা তুলে দেওয়ার ষড়যন্ত্রেই তারা লিপ্ত ছিল না, এর প্রতিবাদে গড়ে ওঠা আন্দোলন দমনে ছয়জনকে হত্যা করে।”

বিবৃতিতে বলা হয়, “যখন রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনকে কেন্দ্র করে সুন্দরবন রক্ষার প্রশ্নে দেশবাসী সোচ্চার তখন অন্য সব ইস্যুতে আন্দোলন গড়ে তুলতে ব্যর্থ হয়ে তারা (বিএনপি) এখন ঝোপ বুঝে কোপ মারতে চাচ্ছে।”

রামপালে বিদ‌্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের বিরোধিতা করে ওয়ার্কার্স পার্টি বলছে, “রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপিত হলে কেবল সুন্দরবনের পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত করবে না, এটা ঘিরে ওই এলাকায় যে শিল্প-কারখানা গড়ে উঠবে তাতে সুন্দরবনের আরও বড় ক্ষতি হবে।”

সুন্দরবনের ক্ষতি হয় এমন কাজ ‘বর্তমান সরকার করবে না’ আশা করে বিবৃতিতে বিদ্যুতের প্রয়োজন মেটাতে রামপালের স্থলে সুন্দরবন থেকে দুরবর্তী অঞ্চলে বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে বিবৃতিতে।

বাংলাদেশ-ভারত যৌথ উদ্যোগে সুন্দরবনের ইউনেস্কো ঘোষিত হেরিটেজ অংশ থেকে ৬৯ কিলোমিটার এবং সুন্দরবনের প্রান্তসীমা থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত রামপালে ১৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার কয়লাভিত্তিক ‘মৈত্রী সুপার থারমাল’ নামের বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের কাজ চলছে।

এই তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র হলে তা বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের পরিবেশের ক্ষতি করবে বলে দাবি করে আসছে পরিবেশবাদীদের একাংশ ও বাম দলগুলো।

ওই প্রকল্প বাতিলের দাবিতে বাম দলগুলোর সমর্থন নিয়ে আন্দোলনরত তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি ২৬ নভেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে, যাতে সমর্থন জানিয়েছে বিএনপি।

এ সম্পর্কিত আরও

Check Also

১৪ দলের সমর্থন পেলেন আইভী

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি ও আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আইভীকে সমর্থন দিতে …

Mountain View