ঢাকা : ২১ অক্টোবর, ২০১৭, শনিবার, ২:৪০ অপরাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site
প্রচ্ছদ / জাতীয় / প্রাণভিক্ষা না চাইলে যেকোনো সময় ফাঁসি: অ্যাটর্নি জেনারেল

প্রাণভিক্ষা না চাইলে যেকোনো সময় ফাঁসি: অ্যাটর্নি জেনারেল

প্রকাশিত :

mir kasesm

রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা না চাইলে যেকোনো সময় যুদ্ধাপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মীর কাসেম আলীর ফাঁসি কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

আজ (মঙ্গলবার) জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর মৃত্যুদণ্ডের আদেশ বহাল রেখে সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের রায়ের পর তাৎক্ষণিক এক ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন তিনি।অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, এই রায়ে দেশবাসীর আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হয়েছে।

আমি রায়ে সন্তুষ্ট, দেশবাসীও সন্তুষ্ট।তিনি আরও বলেন, দণ্ড কার্যকরের আগে যুদ্ধাপরাধী কাসেমের শেষ আইনি সুযোগ ছিল রিভিউ আবেদন। তা খারিজের মধ্য দিয়ে আইনি লড়াইয়ের পরিসমাপ্তি হয়েছে। এখন সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদ অনুসারে শেষ সুযোগে দণ্ডাদেশ পাওয়া আসামি প্রাণভিক্ষা চাইতে পারেন।আসামি তা না চাইলে বা রাষ্ট্রপতির ক্ষমা না পেলে সরকার দিনক্ষণ ঠিক করে কারা কর্তৃপক্ষকে ফাঁসি কার্যকরের নির্দেশ দেবে।

তার আগে স্বজনেরা কারাগারে গিয়ে তার সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন বলে জানান অ্যাটর্নি জেনারেল।এসময় সাংবাদিকরা রায় নিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেলের উদ্বেগের কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, একজন আইনজীবী হিসেবে রিভিউ আবেদনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত উদ্বিগ্ন ছিলাম।

কারণ বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে বিচারকার্যটি বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা চালানো হয়।এর আগে আদালত রিভিউ আবেদনের ওপর শুনানি শেষ করে রোববার আদেশের এ দিন ধার্য করেছিলেন।মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ২০১৪ সালের ২ নভেম্বর দুটি অভিযোগে মীর কাসেম আলীকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

ওই রায়ের বিরুদ্ধে তিনি আপিল করলে ৮ মার্চ আপিল বিভাগ কিশোর মুক্তিযোদ্ধা জসীম উদ্দিন হত্যা সংক্রান্ত একটি অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে রায় দেন। এছাড়া আরও ছয় অভিযোগে মোট ৫৮ বছরের কারাদণ্ডের রায় বহাল রাখেন আপিল বিভাগ।৬ জুন আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়।

নিয়ম অনুযায়ী রায়ের কপি হাতে পাওয়ার ১৫ দিন পার হওয়ার আগেই ১৯ জুন তা রিভিউ চেয়ে আবেদন করেন মীর কাসেম।রিভিউ আবেদনে ১৪টি যুক্তি তুলে তরে মীর কাসেম খালাস চান। ২৪ আগস্ট মীর কাসেমের পক্ষে সময় আবেদন খারিজ করে রিভিউ শুনানি শুরু করেন আপিল বিভাগ।

গত রোববার শুনানি শেষ হয়।সংশ্লিষ্টরা জানান, রিভিউয়ের রায়ের মধ্য দিয়ে মীর কাসেম আলীর বিচার প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। রিভিউ আবেদনই ছিল তার আইনি লড়াইয়ের শেষ ধাপ।

রিভিউ খারিজ হওয়ায় এখন সরকারের নির্দেশে কারা কর্তৃপক্ষ দণ্ড কার্যকর করবে। তবে তার আগে আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনার সুযোগ পাবেন ৬৩ বছর বয়সী এই যুদ্ধাপরাধী।

একাত্তরে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে ২০১২ সালের ১৭ জুন মতিঝিলে নয়া দিগন্ত কার্যালয় থেকে গ্রেফতার করা হয় মীর কাসেমকে। পরের বছর ৫ সেপ্টেম্বর অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে তার বিচার শুরু হয়।

এ সম্পর্কিত আরও

Check Also

আজ খালেদা জিয়া তাঁর গুলশানের কার্যালয়ে বসবেন

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া তিন মাস ছয় দিন পর আজ রাত ৮টায় তার গুলশানের কার্যালয়ে …