Mountain View

আজ সামনে কিরগিজস্তান আরও গোল চায় মেয়েরা

প্রকাশিতঃ আগস্ট ৩১, ২০১৬ at ১২:০১ অপরাহ্ণ

 ক্রীড়া প্রতিবেদক: ম্যাচ জিতেও কান্নাকাটি! এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ প্রতিযোগিতার বাছাইয়ে প্রথম দুই ম্যাচ শেষে বাংলাদেশের মেয়েদের অন্দরে এমনটাই হচ্ছে। এই কান্না গ্লানির নয়, নয় দুঃখেরও। যে মেয়েটি গোল করতে পারছে না, ম্যাচ শেষে অঝোরে কাঁদছে সে। চাইলে অনায়াসে ‘কাঁদুনের’ দলে বসিয়ে দেওয়া যাবে মার্জিয়া, স্বপ্না বা শামসুন্নাহারকে।

ফুটবল দলীয় খেলা, জালে বল ঢোকাতে এগারো জনেরই কমবেশি অবদান থাকে—সেটা এখনো তারা সেভাবে বুঝতে পারছে না। গ্রামের চপলা কিশোরীরা শুধু গোল করাতেই সার্থকতা খোঁজে। দলের জয়ে যে অন্যভাবেও ভূমিকা রাখা যায়, সেটা বোঝাতে গলদঘর্ম কোচ-কর্মকর্তারা। একই সঙ্গে উজ্জীবিতও করা হচ্ছে মেয়েদের। ইরান ম্যাচের পর বাফুফে থেকে নতুন টি-শার্ট পেয়েছে তারা। আজ মেয়েদের কাছে চাওয়া একটাই—যত বেশি সম্ভব গোল যেন তারা করতে পারে।

বেশি বেশি গোলের কথা আসার কারণ, আজকের প্রতিপক্ষ দুর্বল কিরগিজস্তান। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে সন্ধ্যা ছয়টায় শুরু হতে যাওয়া ম্যাচে বাংলাদেশের জয় নিয়ে তাই সংশয় নেই কারও। জয়ের ব্যবধান নিয়েই কথা হচ্ছে বেশি। বাংলাদেশ প্রথম দুটি ম্যাচেই জিতেছে একতরফা ফুটবল খেলে। কেউ কেউ বলেন, বাংলাদেশের মেয়েরা নান্দনিক ফুটবল খেলছে। ইরানের বিপক্ষে জয় ৩-০ গোলে, সিঙ্গাপুরকে ৫-০। অন্যদিকে কিরগিজস্তান প্রথম ম্যাচে শক্তিশালী চীনা তাইপের কাছে হেরেছে ৭-১ গোলে, ইরানের কাছে ৯-০। তাই আজ বাংলাদেশের মেয়েরা গোলোৎসবের আশা করতেই পারে।

চূড়ান্ত পর্বে যেতে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়া চাই। বাংলাদেশের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী চীনা তাইপে প্রতিপক্ষের জালে দুই ম্যাচে ১২ গোল দিয়েছে। যেখানে একটু পিছিয়েই স্বাগতিকেরা। আজকের ম্যাচে তাই জয় ছাপিয়ে গোল বাড়ানোই মূল লক্ষ্য কোচ গোলাম রব্বানীর, ‘ম্যাচটা আমাদের জিততেই হবে। সেই জয়টা যত ভালোভাবে হয়, সেটাই চাইব। ম্যাচটা তাই আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’ ইরান ও সিঙ্গাপুরের সঙ্গে পুরোটা সময়ই প্রতিপক্ষের বক্সে খেলেছে বাংলাদেশ দল, কিন্তু দ্রুত গোল পায়নি। এসব নিয়েও কোচ বিস্তর কাজ করেছেন।

গোলাম রব্বানী চাইছেন আজ যেন দ্রুত গোল আসে, ‘দ্রুত গোল পেলে মেয়েরা অনেকটাই নির্ভার হয়ে যায়। তাহলে আরও বেশি গোল করতে পারবে ওরা। এ জন্য ওদের নিয়ে আলাদা কাজ করেছি।’ কিরগিজস্তানের সঙ্গে কখনোই খেলেনি বাংলাদেশ। তবে গত মে মাসে তাজিকিস্তানে এএফসি অনূর্ধ্ব-১৪ ফুটবলের আঞ্চলিক চ্যাম্পিয়নশিপে অন্য গ্রুপে থাকা কিরগিজদের মাঠে বসে দেখেছে বাংলাদেশ। ওই প্রতিযোগিতায় তিন ম্যাচে এক ড্র ও দুই হারে গ্রুপ পর্ব থেকেই ছিটকে পড়েছিল কিরগিজ মেয়েরা। বাংলাদেশ হয়েছিল চ্যাম্পিয়ন। এই প্রতিযোগিতায়ও চ্যাম্পিয়ন হওয়ার ভালো সুযোগ আছে।

তবে বাংলাদেশের বড় চিন্তা গোল নষ্ট হচ্ছে দেদার। ইরানের সঙ্গে মার্জিয়া, তহুরা ও মৌসুমী তিনটি গোল করেছে। সিঙ্গাপুরের জালে পাঁচ গোলের দুটি অধিনায়ক কৃষ্ণার। কাল অনুশীলনের পর সেই কৃষ্ণার মুখেই আরও গোলের আকাঙ্ক্ষা থাকল, ‘ওদের চেয়ে আমরা শক্তিতে একটু এগিয়েই। এই ম্যাচে আমি হ্যাটট্রিক করতে চাই।’ এমন ব্যক্তিগত সব লক্ষ্য জোড়া লাগালে বাংলাদেশ দল স্বপ্ন পূরণ করতে পারবে বলেই মনে করছেন সবাই। দলে কোনো চোট-সমস্যা নেই। দলটা আছে চনমনে। টার্ফে কাল শেষ বিকেলের অনুশীলনের ফাঁকে সানজিদা, মারিয়া, আনুচিংদের নির্ভার দেখে সেটাই মনে হলো। আরামবাগের দেয়ালঘেরা টার্ফের চারদিকের উঁচু উঁচু আবাসিক ভবনের বারান্দা-জানালায় কৌতূহলী অসংখ্য চোখ গভীর মনোযোগে দেখছিল এই মেয়েদের অনুশীলন। আজ পুরো বাংলাদেশই তাকিয়ে থাকবে সানজিদাদের দিকে। তারা যে জয়ের আকাঙ্ক্ষা বাড়িয়ে দিয়েছে দেশের ফুটবলে। আজসামনেকিরগিজস্তান আরওগোলচায়মেয়েরা ।

ম্যাচ জিতেও কান্নাকাটি! এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ প্রতিযোগিতার বাছাইয়ে প্রথম দুই ম্যাচ শেষে বাংলাদেশের মেয়েদের অন্দরে এমনটাই হচ্ছে।এই কান্না গ্লানির নয়, নয় দুঃখেরও।যে মেয়েটি গোল করতে পারছে না, ম্যাচ শেষে অঝোরে কাঁদছে সে। চাইলে অনায়াসে ‘কাঁদুনের’ দলে বসিয়ে দেওয়া যাবে মার্জিয়া, স্বপ্না বা শামসুন্নাহারকে। ফুটবল দলীয় খেলা, জালে বল ঢোকাতে এগারো জনেরই কমবেশি অবদান থাকে—সেটা এখনো তারা সেভাবে বুঝতে পারছে না।গ্রামের চপলা কিশোরীরা শুধু গোল করাতেই সার্থকতা খোঁজে।দলের জয়ে যে অন্যভাবেও ভূমিকা রাখা যায়, সেটা বোঝাতে গলদঘর্ম কোচ- কর্মকর্তারা। একই সঙ্গে উজ্জীবিতও করা হচ্ছে মেয়েদের।ইরান ম্যাচের পর বাফুফে থেকে নতুন টি-শার্ট পেয়েছে তারা।

আজ মেয়েদের কাছে চাওয়া একটাই —যত বেশি সম্ভব গোল যেন তারা করতে পারে।বেশি বেশি গোলের কথা আসার কারণ, আজকের প্রতিপক্ষ দুর্বল কিরগিজস্তান। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে সন্ধ্যা ছয়টায় শুরু হতে যাওয়া ম্যাচে বাংলাদেশের জয় নিয়ে তাই সংশয় নেই কারও।জয়ের ব্যবধান নিয়েই কথা হচ্ছে বেশি। বাংলাদেশ প্রথম দুটি ম্যাচেই জিতেছে একতরফা ফুটবল খেলে। কেউ কেউ বলেন, বাংলাদেশের মেয়েরা নান্দনিক ফুটবল খেলছে। ইরানের বিপক্ষে জয় ৩-০ গোলে, সিঙ্গাপুরকে ৫-০।অন্যদিকে কিরগিজস্তান প্রথম ম্যাচে শক্তিশালী চীনা তাইপের কাছে হেরেছে ৭-১ গোলে, ইরানের কাছে ৯-০।তাই আজ বাংলাদেশের মেয়েরা গোলোৎসবের আশা করতেই পারে।

চূড়ান্ত পর্বে যেতে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়া চাই।বাংলাদেশের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী চীনা তাইপে প্রতিপক্ষের জালে দুই ম্যাচে ১২ গোল দিয়েছে।যেখানে একটু পিছিয়েই স্বাগতিকেরা।আজকের ম্যাচে তাই জয় ছাপিয়ে গোল বাড়ানোই মূল লক্ষ্য কোচ গোলাম রব্বানীর, ‘ম্যাচটা আমাদের জিততেই হবে।সেই জয়টা যত ভালোভাবে হয়, সেটাই চাইব। ম্যাচটা তাই আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’ ইরান ও সিঙ্গাপুরের সঙ্গে পুরোটা সময়ই প্রতিপক্ষের বক্সে খেলেছে বাংলাদেশ দল, কিন্তু দ্রুত গোল পায়নি।এসব নিয়েও কোচ বিস্তর কাজ করেছেন।গোলাম রব্বানী চাইছেন আজ যেন দ্রুত গোল আসে, ‘দ্রুত গোল পেলে মেয়েরা অনেকটাই নির্ভার হয়ে যায়।তাহলে আরও বেশি গোল করতে পারবে ওরা।এ জন্য ওদের নিয়ে আলাদা কাজ করেছি।’ কিরগিজস্তানের সঙ্গে কখনোই খেলে

এ সম্পর্কিত আরও