ঢাকা : ১৭ অক্টোবর, ২০১৭, মঙ্গলবার, ১১:৪০ পূর্বাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site
প্রচ্ছদ / পাঠকের পছন্দ / কোরবানির জন্য সুস্থ গরু চিনবেন যেভাবে

কোরবানির জন্য সুস্থ গরু চিনবেন যেভাবে

প্রকাশিত :

cow

ঈদুল আজহার জন্য কোরবানির গরু কেনার সময় নিতে হয় সঠিক সিদ্ধান্ত। দেখতে সুন্দর, মোটাতাজা গরুর চেয়ে সুস্থ গরু কেনার প্রতিই খেয়াল রাখতে হয় বেশি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সুস্থ দেশি গরুর মাংসের স্বাদও হয় বেশি। আর অসুস্থ মোটা গরুর মাংসের স্টেরয়েড মানব দেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।

বাংলাদেশ পশু সম্পদ ইনস্টিটিউটের ল্যাবরেটরি ইন চার্জ (ন্যাশনাল রেফারেন্স ল্যাবরেটরি ফর এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা) ডা. গিয়াসউদ্দিন  জানিয়েছেন, এই কোরবানির ঈদে সুস্থ গরু চেনার কিছু উপায়।

তিনি বলেন, শহরের অনেকেরই গরু সম্পর্কে ধারণা কম থাকে। চোখের সৌন্দর্যেই গরু কিনে নিয়ে আসে। তবে কিছু বিষয় খেয়াল রাখলে সুস্থ ও সুস্বাদু মাংসের গরু কেনা সম্ভব।

তিনি বলেন, বাহ্যিকভাবে স্বাস্থ্যের কিছু বিষয়ে খেয়াল করলেই ভাল ও সুস্থ গরু চেনা যায়। প্রথম বিষয়টিই হচ্ছে- গরুর মধ্যে চাঞ্চল্য থাকবে। আশপাশে খেয়াল রাখবে। কান খাড়া হয়ে যাবে ভারি আওয়াজে।

সুস্থ গরু অস্বাভাবিক মোটা হয় না। আড়াই থেকে তিন বছরের (৩০ থেকে ৪২ মাস) গরু ভাল। বেশি বয়সের গরুকেই কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজাকরণ করা হয়। দুই থেকে চার দাঁতের গরুর মাংস স্বুসাদু এবং স্বাস্থ্যসম্মত।

তিনি বলেন, গরুর পাঁজরের হাড়ে যে তিন কোণা গর্ত রয়েছে দু’পাশে যাকে ফ্লায়েন্ট জয়েন্ট বলে তাতে কোনা রয়েছে কিনা সেটি খেয়াল রাখতে হবে। যেসব গরুতে স্টেরয়েড দেয়া থাকে সেগুলোর পাঁজরের স্থান ফোলা থাকে। সেখানেও মাংস থাকে।

সুস্থ গরু চিনতে হলে পাঁজরের হাড়েও খেয়াল করতে হবে। সুস্থ গরুর পাঁজরের হাড়ে উঁচু নিচু থাকবে। দৃষ্টি হবে দ্রুত, নড়াচড়া করবে অনেক বেশি।

তিনি বলেন, কৃত্রিমভাবে মোটাতাজা করা গরুর বুক অস্বাভাবিক ফোলা থাকবে, নিস্তেজ থাকবে। হেলে দুলে ধীরে চলবে। রোদে থাকতে চাইবে কম। ধীরে ধীরে ছায়া খুঁজবে।

এই গবাদি পশু বিশেষজ্ঞ বলেন, গরু ২৫০ থেকে ৩৫০ কেজির মধ্যে হলে ভাল হয়। এসব গরুর মাংস সুস্বাদু। আর এসব গরুর মধ্যে চাঞ্চল্যও খুঁজে পাওয়া যায়। এর চেয়ে বেশি ভারের বড় গরু ভাল নয়, মাংসের স্বাদও নাই।

সুস্থ গরুর তুলনায় অসুস্থ গরু প্রশ্রাব করে বেশি। প্রশ্রাবের রং লাল হয় অনেক সময়। আবার কিছুটা রক্তও পড়তে পারে। আর বুকের নিচে অনেক বেশি পানি থাকে এবং ঝুলে থাকে। সুস্থ গরুর বুকে পানি থাকে কম। প্রশ্রাবও করে কম। গোবর হয় স্বাভাবিক।

এবারের কোরবানির পশুর বাজার তুলনামূলক নিরাপদ বলে এখন পর্যন্ত মনে করছেন ডা. গিয়াসউদ্দিন। তিনি বলেন, এবারে গরুর বাজারে স্টেরয়েড পুশ করা গরু বেশি নেই। কক্সবাজার ও চট্টগ্রামে এবং এর আগে উত্তরবঙ্গের বেশ কিছু বাজারে স্টেরয়েড পুশ করা গরু দেখতে পাইনি।

তবে স্টেরয়েড পুশ করা গরু কিনে ঘরে ১৫ দিন থেকে ১ মাস রাখলে তার প্রভাব কমে যায়। নিজেরা যত্ন নিলে গরুর মাংস আবারো নিরাপদ হয়ে ওঠে। শহরের মানুষের এক সপ্তাহ গরু রেখেও যত্ন করা সম্ভব হয় না। তবে গ্রামের মানুষের এই সমস্যা হবে না যদি কিছুদিন নিজের কাছে রেখে পালেন।

এ সম্পর্কিত আরও

Check Also

আসেমের যোগ দিতে মিয়ানমার যাচ্ছে পররাস্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী আসেম (এশিয়া-ইউরোপ মিটিং) পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে যোগ দিতে আগামী মাসে মিয়ানমার …