ঢাকা : ১০ ডিসেম্বর, ২০১৬, শনিবার, ৩:২০ পূর্বাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site

সাপাহারে তিন জন শিক নিয়ে চলছে এক সময়ের শ্রেষ্ঠ নারী শিা প্রতিষ্ঠান সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়

গোলাপ খন্দকার নওগাঁ প্রতিনিধি: শিক্ষক সংকটের কারণে শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙ্গেপড়ার উপক্রম হয়ে পড়েছে নওগাঁ জেলার সাপাহার উপজেলা সদরের নারী শিক্ষার শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপিঠ সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। দীর্ঘ দিন ধরে শিক সংকঠ লেগেই রয়েছে এ বিদ্যালয়ে। শিার্থীদের কলরবে এক কালের জমজমাট ও সরগরোম বিদ্যালয়টি এখন নিস্তেজ হয়ে পড়েছে। বিদ্যালয়ের অবকাঠামো বাহিরের আধিক্য অতীতের তুলনায় বাড়লেও শিার জৌলস শিার্থীর উপস্থিতি প্রায় জিরো কোঠায় ঠেকতে চলেছে। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে ১০ জন শিকের পদের বিপরীতে কর্মরত শিক রয়েছেন মাত্র ৫ জন তার মধ্যেও আবার মাতৃত্বকালীন ছুটি সহ অন্যান্য বিষয়ে ছুটিতে রয়েছেন দু’জন মাত্র ৩ জন শিক দিয়ে চলছে বিদ্যালয়ের পাঠ দান। এ ছাড়া একসময় যেখানে সাড়ে ৮ শত শিার্থীর কলরবে মুখরিত হয়ে থাকত পুরো বিদ্যালয় ক্যাম্পাস বর্তমানে সেখানে শিার্থী সংখ্যা এসে দাঁড়িয়েছে মাত্র ১৪০ জনে। জানা গেছে, অতীতে এলাকায় নারী শিায় ব্রতী হয়ে নারী শিার প্রসার ঘটানোর জন্য এলাকার শিানুরাগী প্রবীন ব্যক্তি আলহাজ্ব ডাঃ তাহের উদ্দীন আহম্মেদ ১৯৭৩ সালে উপজেলা সদরে এক খন্ড জমির উপর একটি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। এর পর বিদ্যালয়টি এলাকায় প্রথম নারী শিা কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি পাওয়ায় দিন দিন শিার্থী সংখ্যা বাড়তেই থাকে। বিদ্যালয়ের শিার্থী সংখ্যা ও শিক্ষার গুনগত মান বিশ্লেষন করে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট হুসাইন মুহাম্মাদ এইচ এম এরশাদ গত ১৯৮৮ ইং সালে সাপাহারে রাষ্ট্রিয় এক সফরে এসে বিদ্যালয়টিকে সরকারী ঘোষনা করেন সে হতে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টি এলাকায় নারী শিায় এক অগ্রণী ভূমিকা রেখে আসছে। সারা জেলায় হাতে গোনা দু’একটি সরকারী বিদ্যালয়ের মধ্যে সাপাহার সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় একটি। বিদ্যালয়টি শুরু থেকে বেশ সুনাম ও জাঁক জমকের সাথে পরিচালিত হয়ে আসলেও দীর্ঘ প্রায় এক যুগ ধরে চরম শিক সংকটে ভুগছে। দশ বছর ধরে বিদ্যালয়টিতে শূন্য রয়েছে গণিত শিকের মত একটি গুরুত্বপুর্ণ পদ। দীর্ঘ সময় ধরে বিদ্যালয়টিতে শিক সংকট লেগে থাকায় অভিভাবকগন তাদের মেয়েদের আর ওই বিদ্যালয়ে ভর্তি করছেনা। এ বিষয়ে সদ্য যোগদানকৃত প্রদান শিক্ষক শেমল কুমার চাকীর সাথে কথা হলে দুঃখের সাথে তিনি জানান, সাপাহারের মানুষ শিানুরাগী হলেও সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের মত গুরুত্বপুর্ন একটি শিাপ্রতিষ্ঠানের প্রতি তাদের খবরদারী একটু হলেও কম। শিক বদলী ঠেকাতে বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদ, অভিভাবক কিংবা এলাকার কোন শিানুরাগী মহলের তৎপরতা না থাকায় এখানে কোন শিক্ষক যোগদান করার পর কয়েক দিনের মধ্যে অন্যত্র বদলী হয়ে চলে যায়। যার ফলে কোন কোন সময় শিকের পদ পুরন হলেও স্বল্পসময়ে তা আবার সংকটে পরিণত হয়। শিক সংকট সহ বিদ্যালয়ে শিা ব্যবস্থার আমুল পরিবর্তন করার জন্য তিনি মনোনিবেশ করলেও বর্তমানে মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে তারও অন্যত্র বদলীর অর্ডার এসেছে তিনিও কয়েক দিনের মধ্যে এ বিদ্যালয় ছেড়ে অন্যত্র চলে যাবেন।

এ সম্পর্কিত আরও

Check Also

কোথায় ডিএনসিসি চাকরিচ্যুত নগর পরিকল্পনাবিদ?

স্ত্রী জানেন না তার স্বামী কোথায়। উত্তরা পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাও বলছেন, ঢাকা উত্তর সিটি …

Mountain View