ঢাকা : ৫ ডিসেম্বর, ২০১৬, সোমবার, ৮:৪৯ অপরাহ্ণ
সর্বশেষ
পাকিস্তানের দ্বারস্থ হচ্ছে ভারত! ভিডিও বার্তার জবাবে হুমকি পেলেন সাব্বির! বান্দরবানে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির বার্ষিক সভা ও নির্বাচন অনুষ্ঠিত ‘গণতন্ত্রের ভিত্তিকে শক্তিশালী করতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে’ ‘শান্তিরক্ষা মিশনে অস্ত্রশস্ত্র ভাড়া বাবদ বাংলাদেশের বার্ষিক আয় ৪৩৭,৫২,৯৫,২৬৪ টাকা’ দেশে আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পরিচয় মিলল দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে নিহত হওয়া তিন যুবকের বিদেশের কারাগারে বন্দী ১০ হাজার বাংলাদেশি ‘২০১৮ সালের মধ্যে নিরক্ষরমুক্ত হবে দেশ’ গণতন্ত্রের মানসপুত্র হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর ৫৩তম মৃত্যুবার্ষিকী
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site

সহজেই জাল টাকা সনাক্ত করার উপায়

নিউজ ডেস্ক: সামনে আসছে কোরবানী ঈদ। এই সময়টাকেই জাল টাকা তৈরি ও বিস্তারের মোক্ষম সময় হিসেবে বিবেচনা করে জাল টাকার জালিয়াতকারীরা।গত কয়েকদিন আগে ঢাকা মহানগরীর গোয়েন্দা পুলিশ প্রায় সোয়া এক কোটি জাল টাকা সহ ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে। আসন্ন কোরবানীর পশুর হাটগুলোই এখন জালটাকা বিস্তারের প্রধান টার্গেট। এটাকা যাচ্ছে কোথায়? জাল টাকা জালিয়াতকারীদের মাধ্যমে প্রতারিত হয়ে এ টাকা নিশ্চয়ই আপনার, আমার কিংবা অন্য কারো পকেটে দিব্বি ঢুকে যাচ্ছে। তাই, সময় থাকতে আসুন জেনে নেই জাল টাকা চেনার সহজ উপায়গুলো।

জাল টাকা চেনার সহজ কয়েকটি উপায়,

দৈন্দিন জীবনে চলতে-ফিরতে অনেক সময় আমাদের অনেকের পকেটে জাল টাকা চলে আসে। আর এটা মূলত কিছু অসাধু ব্যক্তির জাল নোট তৈরি ও বাজার জাত করার কারণে প্রতিনিয়ত আমরা সাধারণ মানুষেরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছি। তাই আমাদের সকলকে এই জাল নোট গুলো চেনা খুবই জরুরী। আসুন জেনে নেই জাল নোট চেনার সহজ কিছু উপায়:

১ । জাল টাকার প্রথম শর্ত হচ্ছে, এই টাকার নোটগুলো নতুন হবে। কারণ জাল টাকার নোটগুলো সাধরণ কাগজের তৈরি তাই পুরাতন হয়ে গেলে সেই নোট নাজেহাল হয়ে যায় বা তা অতি সহজেই বোঝা যায়।

২। জাল টাকার নোট ঝাপসা দেখায়। আসল নোটের মত ঝকঝকে থাকে না। সেটা নতুন হোক আর পুরাতন হোক এবং কিছুটা পাতলা বা হালকা ধরনের যা একজন আরেকজনের কাছ থেকে টাকা লেন দেন করার সময় একটু মনযোগ সহকারে দেখলেই বোঝা যায়।

৩। জাল নোট হাতের মধ্যে নিয়ে মুষ্টিবদ্ধ করে কিছুক্ষণ পর ছেড়ে দিলে তা সাধারণ কাগজের মতো ভাঁজ হয়ে যাবে। আর আসল নোট ভাঁজ হবে না। যদিও সামান্য ভাঁজ হবে তবুও তা জাল নোটের ক্ষেত্রে তুলনামূলক অনেক বেশি।

৪। এবার আসুন আসল কথায়, আপনি এই মূহুর্তে নতুন একটি ১০০০ টাকা ও ৫০০ টাকা এবং একটি ১০০ টাকার নোট এবং পুরাতন একটি পাঁচশত টাকার নোট আপনার হাতে নিন। আর এই বর্ণনার সাথে মিলিয়ে দেখুন কথাগুলো ঠিক আছে কি না।

৫। উপরে লেখা প্রথম তিনটি নোট সোজা করে ধরুন এবার লক্ষ্য করুণ নোটের বাম পাশে উপর থেকে নিচ পর্যন্ত একটি সরল রেখা আছে। একটু ভালোভাবে লক্ষ্য করলে দেখতে পাবেন ওটা কোন রেখা নয়। সেখানে স্পষ্টভাবে ইংরেজিতে বাংলাদেশ ব্যাংক Bangladesh Bank কথাটা লেখা আছে।

৬। পুরাতন ৫০০ টাকার নোটে বাম পার্শের নিচে সুন্দর নকশা করে লেখা আছে ৫০০ মূলত সেখানে Bangladesh Bank কথাটাও লেখা আছে হালকা ও ভারি রং দিয়ে।

৭। টাকা সবসময় দুটি অংশ দিয়ে তৈরি হয়। টাকার দুই পার্শে দুটো নোট জোড়া লাগানো থাকে এবং এটা হরিনের চামড়া দিয়ে তৈরি বলে পানিতে ভেজালেও খুব তারাতারি ভেঙ্গে যাবে না। আর জাল নোট পানিতে ভেজানোর সাথে সাথেই তা ভেঙ্গে যাবে।

৮। আসল নোট সবসময় খসখসে হবে।

৯। উপরের সবগুলো উপায়ে যদি আসল ও জাল এবং নকল নোট সনাক্ত করতে কেউ ব্যর্থ হয় তবে তার জন্য সর্বশেষ উপায় আল্ট্রা ভায়োলেট লাইট। এই লাইটের মাধ্যমে সনাক্ত করা খুবই সহজ। আসল নোটে এই লাইটের আলো ধরলে নোটের উপর রেডিয়ামের প্রলেপ জ্বল জ্বল করে উঠবে। জাল নোটে তা হয় না।

এবার আসুন জেনে নেই আসল ও নকল নোটে কী কী নিরাপত্তা বৈশিষ্ট থাকে

রঙ পরিবর্তনশীল কালি: আসল ১০০, ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোটে বিশেষ এক ধরনের রঙ পরিবর্তনশীল কালি ব্যবহৃত হয়, যার নাম অপটিক্যালি ভেরিয়েবল ইনক বা ওভিআই। নোটের ওপরের অংশে ১০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকা লেখায় এই কালি ব্যবহৃত হয়। নোট একটু এদিক-সেদিক করলে ওই কালির রঙ পরিবর্তন হয়। জাল টাকায় কালির রঙ পরিবর্তন হবে না। সুইজারল্যান্ডের ’সিকপা’ নামে পৃথিবীর একটি মাত্র কোম্পানি এই কালি তৈরি করে। টাকা ছাপার অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানগুলোতেই শুধু এই কালি তারা সরবরাহ করে।

অমসৃণ মুদ্রণ: সব মূল্যমানের আসল নোটগুলো বিশেষ এক ধরনের কালি দিয়ে মুদ্রিত হয়। টাকার বিভিন্ন স্থানে এই কালির ব্যবহার রয়েছে, যেখানে হাত দিলে অমসৃণ মনে হবে। জাল নোটে কালির জায়গায় হাত দিলে মসৃণ মনে হবে। আসল নোটের সামনে-পেছনে বিভিন্ন স্থাপনার ছবিতেও এই কালির ব্যবহার রয়েছে। আসল নোটের ওপর অন্ধ ব্যক্তি ও হাত বোলালে উঁচু-নিচু বা খসখসে অনুভূত হবে। নোটের ডানদিকে অন্ধদের চেনার জন্য ছোট-ছোট কয়েকটি বিন্দু আছে, যা হাতের স্পর্শে উঁচু-নিচু মনে হবে।

নিরাপত্তা সুতা: আসল নোটের বাম পাশে চার মিলিমিটার চওড়া এক ধরনের নিরাপত্তা সুতা সেলাই ফোঁড়ের মতো গেঁথে দেওয়া রয়েছে। সাধারণভাবে সরাসরি তাকালে মনে হবে, সুতা খানিকটা আছে, খানিকটা নেই। জাল নোট হলে পুরোটাই একরকম লাগবে। আসল নোটের সুতার মধ্যে ওই নোটের মূল্যমান লেখা থাকবে।

জলছাপ: আসল নোটে জলছাপ হিসেবে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি রয়েছে। আগের নোটগুলোতে রয়েছে বাঘের জলছাপ। বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতির নিচে অতি উজ্জ্বল ইলেকট্রো টাইপ জলছাপে নোটের মূল্যমান লেখা আছে। এর বাম পাশে আছে বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রামের ইলেকট্রো টাইপ জলছাপ। জাল নোটে এসব জলছাপ থাকে না।ডিএমপি নিউজ

এ সম্পর্কিত আরও

Check Also

15357073_1737681833220019_13360

মুস্তাফিজের উন্নতিতে খুশি বোলিং কোচ

অস্ত্রোপচারের পর পুনর্বাসনে থাকা কাটারমাস্টার মুস্তাফিজুর রহমানের উন্নতিতে খুশি বাংলাদেশ জাতীয় দলের বোলিং কোচ কোর্টনি …

Mountain View