ঢাকা : ২৮ জুলাই, ২০১৭, শুক্রবার, ১১:০৭ অপরাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site
Home / জাতীয় / রানা প্লাজার চেয়েও বেশি ধ্বংসস্তুপ টাম্পাকোতে

রানা প্লাজার চেয়েও বেশি ধ্বংসস্তুপ টাম্পাকোতে

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৪ স্বতন্ত্র ইঞ্জিনিয়ারিং ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এএসএম মাহমুদ হাসান বলেছেন, টাম্পাকোতে রানা প্লাজার চেয়ে অনেক বেশি ধ্বংসস্তুপ রয়েছে। এই  ধ্বংসস্তুপ সরাতে এক মাসের বেশি সময় লাগতে পারে। এমনকি দুই মাসও লাগতে পারে। এটা বলা মুশকিল।
সোমবার টাম্পাকো কারখানার ধ্বংসস্তুপ অপসারণ করতে এসে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি বলেন, আজকে কাজ শুরু করেছি। কালকে হয়ত লাইটলি কাজ করতে পারি। ঈদের পরের দিন  থেকে পুরোদমে কাজ করবো। তিনি আরো বলেন, এখানে ইথাইলের মতো কেমিক্যাল ড্রাম রয়েছে। এসব জায়গাতে কাজ করার মতো আমাদের তেমন অভিজ্ঞতা নেই। কিন্ত যতটুকু সম্ভব নিরাপত্তা ও সর্তকতার সঙ্গে আমরা করছি। ইথাইল ড্রামগুলো আমরা স্পর্শ করবো না। এটাকে বাদ দিয়ে আমাদের যতটুকু সম্ভব গার্বেজগুলো ক্লিয়ার করবো। আজ সকালে ভারী যন্ত্রপাতি নিয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৪ স্বতন্ত্র ইঞ্জিনিয়ারিং ব্রিগেডের কমান্ডের সদস্যরা টাম্পাকো কারখানায় উদ্ধার কাজ শুরু করেছেন। উদ্ধার কাজে তাদের সহায়তা করছেন গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন, ফায়ার সার্ভিস, গাজীপুর জেলা প্রশাসন ও পুলিশ সদস্যরা।
এদিকে উদ্ধার কাজ করতে গিয়ে সেনাবাহিনীর সদস্যরা ২টি লাশ ও এর আগে ফায়ার সার্ভিস কমীরা ২টি লাশ ধংসস্তুপের ভিতর থেকে উদ্ধার করে। ধংসস্তুপ থেকে এ পযর্ন্ত ৮টি লাশ উদ্ধার করেছে তারা। এনিয়ে কারখানায় বয়লার বিস্ফোরণ ও আগুনে পুড়ে ৩৩ জনের মৃত্যু হল। শনিবার ঘটনার দিন হাসপাতালসহ ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল। ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা রোববার সন্ধ্যায় ধংসস্তুপের নীচ থেকে ৪ জনের লাশ উদ্ধার করেছে। সর্বশেষ উদ্ধার চারটি লাশের পরিচয় জানা যায়নি। এরা নিখোঁজদের তালিকার কি না, তাও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। কারখানায় সাড়ে চারশর মতো শ্রমিক থাকলেও শুক্রবার রাতের শিফটে ৭৫ জনের মতো কাজ করছিলেন। সিলেটে বিএনপির সাবেক এমপি সৈয়দ  মো. মকবুল হোসেনের মালিকানাধীন এই প্যাকেজিং কারখানাটি ১৯৭৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। কারখানার মালিক  সৈয়দ মকবুল হতাহত শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। অপরদিকে নিহতদের প্রত্যেকের পরিবারকে ২ লাখ টাকা অনুদান দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। এদিকে গাজীপুর জেলা প্রশাসন নিহতদের পরিবারকে ২০ হাজার টাকা করে এবং আহতদের ৫ হাজার টাকা করে অনুদান দিচ্ছে।

এ সম্পর্কিত আরও

আপনার-মন্তব্য