Mountain View

সাকার মৃত্যুদণ্ডের রায় ফাঁসের মামলায় আইনজীবীর ১০ বছরের কারাদণ্ড, স্ত্রী-পুত্র খালাস

প্রকাশিতঃ সেপ্টেম্বর ১৫, ২০১৬ at ৬:৩৯ অপরাহ্ণ

যুদ্ধাপরাধী সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর মৃত্যুদণ্ডের রায় ফাঁসের মামলায় তার আইনজীবী ফখরুল ইসলামকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।  সেই সঙ্গে এক কোটি টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ওই অর্থ দিতে ব‌্যর্থ হলে তাকে আরও ছয় মাসের সাজা ভোগ করতে হবে। এছাড়া ট্রাইব্যুনালের দুই কর্মচারীসহ চারজনকে ৭ বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। তবে এ মামলায় সাকা চৌধুরীর স্ত্রী ফারহাত কাদের চৌধুরী ও ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরীকে খালাস দেয়া হয়েছে।
সাকা চৌধুরীর ম্যানেজার মাহবুবুল আহসান, ফখরুলের সহকারী মেহেদী হাসান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কর্মচারী নয়ন আলী ও ফারুক হোসেনকে দেয়া হয়েছে সাত বছরের কারাদণ্ড। পাশাপাশি তাদের প্রত‌্যেককে দশ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। তা না দিলে আরও এক মাস জেলে কাটাতে হবে তাদের।
দুই দফা পেছানোর পর বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক কে এম শামসুল আলম আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ২০১৩ সালের ১ অক্টোবর বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। তবে রায়ের আগেই সাকা চৌধুরীর স্ত্রী ও তার পরিবারের সদস্য এবং আইনজীবীরা রায় ফাঁসের অভিযোগ তোলেন। তারা ‘রায়ের খসড়া কপি’ সাংবাদিকদের দেখান এবং স্পাইরাল বাইন্ডিং করা কপি নিয়ে ট্রাইব্যুনালের এজলাসকক্ষে যান।
রায় ঘোষণার পরদিন ২ অক্টোবর ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার এ কে এম নাসির উদ্দিন মাহমুদ বাদী হয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে শাহবাগ থানায় একটি জিডি করেন। এ বিষয়ে ওই বছরের ৪ অক্টোবর ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফজলুর রহমান বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় আরেকটি মামলা করেন। মামলায় ট্রাইব্যুনালের কর্মচারী ফারুক ও নয়ন এবং ব্যারস্টার ফখরুলের জুনিয়র আইনজীবী মেহেদীকে আসামি করা হয়।

এ সম্পর্কিত আরও

Mountain View