দিনাজপুরের বীরগঞ্জে প্রেমিকের বাড়ীতে প্রেমিকার অনশন

প্রকাশিতঃ সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৬ at ৫:৫৪ অপরাহ্ণ

দিনাজপুরের বীরগঞ্জে ১০ দিন ধরে বিয়ের দাবীতে প্রেমিকের বাড়ীতে প্রেমিকার আমরণ অনশন শুরু করেছে। প্রেমিকের বাড়ীতে প্রেমিকার উপস্থিতি দেখে প্রেমিক পলাতক রয়েছে।

শনিবার দুপুরে সরে জমিন ঘুরে দেখা গেছে উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের শালবাড়ী ডাবড়া গ্রামের কাসেম আলীর ছেলে বারোলিয়া বাজারের মুদি ব্যবসায়ী নুরল ইসলাম নুরুর (৩০)  সাথে পাশের গ্রাম ডাবড়া জীনেশ্বরীর আক্তার আলীর মেয়ে ফাতেমার ভালোলাগা থেকে ভালোবাসা ও প্রেম হয়। দীর্ঘদিন প্রেম ভালোবাসার এক পর্যায় তারা বিবাহ করার সিদ্ধান্ত নেয়। উভয়ের সিদ্ধান্ত মোতাবেক তারা দিনাজপুর নোটারী পাবলিকে এফিডেফিট করে।
নুরল ইসলাম বিবাহ রেজিষ্ট্রি করার কথা বলে গত ৭ সেপ্টম্বর বুধবার প্রেমিকা ফাতেমাকে পলাশবাড়ী ইউনিয়নের সোনাচালনী গ্রামে বন্ধুর বাড়ীতে নিয়ে গিয়ে দৈহিৃক মেলামেশা করে। ওই দিন গভীর রাতে ফাতেমা বেগমকে বাড়ীতে নিয়ে আসে এবং বিয়ে করেছে মর্মে বাড়ীর লোকজনের কাছে ২য় স্ত্রী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয়। ২য় স্ত্রী পরিচয় পেয়ে ১ম স্ত্রী সহ পরিবারের লোকেরা নুরুল ইসলামকে মারপিট করে বাড়ী থেকে তাড়িয়ে দেয়। পরিবারের লোকজন ফাতেমাকে মারপিট ও নির্যাতন করে বাড়ী থেকে তাড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে।
ফাতেমা জানান, ৪/৫ বছর ধরে উভয়ের মধ্যে গভীর প্রেম ও ভালোবাসা চলে আসছে। নুরল ইসলাম আমাকে স্ত্রী হিসেবে ব্যবহার করেছে এবং সকলের কাছে পরিচয় করে দিয়েছে। সুতরাং আমাকে যতই মারপিট ও নির্যাতন করা হউকনা কেন লাশ না হয়ে বাড়ী থেকে যাবো না।
ফাতেমার মা হুসনেয়ারা বেগম জানান আমার মেয়েকে পাগল বানিয়েছে নুরুল তার কোন কিছু হলে আমি নিজে বাদী হয়ে মামলা করবো।
মরিচা ইউপি চেয়ারম্যান আতাহারুল ইসলাম চৌধুরী হেলাল নির্যাতনের ঘটনা অস্বীকার করে জানান আপোষের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
বীরগঞ্জ থানার ওসি আবু আক্কাস আহমদ সংবাদের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, অভিযোগ দিলে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ সম্পর্কিত আরও