ঢাকা : ২৮ মে, ২০১৭, রবিবার, ১২:৪৩ অপরাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site

রহস্যে ঘেরা হাজার বছরের পুরোনো নকলার ঐতিহাসিক বেড় শিমূল গাছ

received_1081504745297158

মাজহারুল ইসলাম মিশুঃ  বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে প্রায় হারাতেই বসেছে শতবছরের পুরোনো বৃ। ফলে প্রকৃতি হারাচ্ছে তার স্বাভাবিক ভারসাম্য। অবাধে গাছ কর্তনের ফলে এখন বড় বড় গাছ প্রায় হারিয়ে যাচ্ছে। প্রকৃতির সাথে লড়াই করে কালের সাী হয়ে এখনো দাড়িয়ে আছে বৃহত্তর ময়মনসিংহ বিভাগের শেরপুর জেলার নকলা উপজেলার চরঅক্টধর ইউনিয়নের নারায়ন গ্রামের হাজার বছরের পুরুনো রহস্যে ঘেরা ঐতিহাসিক বেড় শিমূল গাছ। এই গাছটিকে ঘিরে বহু কল্প কথাও প্রচলন রয়েছে। কথিত আছে এখানে এ রকম দুইটি গাছ ছিলো। এর মধ্যে একটি গাছ অনেক বছর আগে ময়মনসিংহের কাঠ ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করে দিয়েছিল স্থানীয় জায়গার মালিক। কিন্তু রহস্যজনক ভাবে একে একে তারা সবাই মারা যায়। স্থানীয় অনেকে আবার বলে থাকেন, অনেক বছর আগে এই গাছের নিচে এক বুড়ি মা বাস করতো। তার স্মৃতি রায় এখানে মাজার রয়েছে। গাছটির দিকে একটু গভীরভাবে পর্যবেন করা হলে দেখা যায়, গাছটির কান্ডের পশ্চিম পার্শ্বে হাতি সদৃশ্য, পূর্ব পার্শ্বে বাঘ ও সিংহ সদৃশ্য, দণি পার্শ্বে কুমিরের সদৃশ্য,  উত্তর পার্শ্বে নৌকার বৈঠা ও সাপের সদৃশ্য, পূর্ব পাশে মানুষ সদৃশ্য, উত্তর পূর্ব দিকে হনোমান সদৃশ্য, দনি পূর্ব দিকে স্মৃতি সৌধ সদৃশ্য এছাড়া আরো অনেক শৈল্পিক নিদর্শন রয়েছে এই গাছের শেকড় ও ডালপালায়। আশ্চর্যের ব্যাপার হলো প্রায় ৮০-১০০ ফুট উচ্চতার বিশাল এই গাছটির যে কোন একটি শাখা ধরে নাড়া দেয়া হলে সমগ্র গাছ নড়ে উঠে। বর্তমানে এই জায়গার উত্তরসূরী রয়েছে দু’জন, মোঃ সেলিম সরকার ও গোলাম মোস্তফা। গাছটি সম্পর্কে গোলাম মোস্তফা বলেন,  হাজার বছরের পুরুনো এই বেড় শিমূল গাছটি ২৬ শতাংশ জায়গা জুড়ে প্রকান্ড ডালপালা ছড়িয়ে সুবিশাল বৃে পরিণত হয়ে ঐতিহাসিকভাবে দাঁড়িয়ে আছে। এ গাছটিকে ঘিরে জায়গাটিতে পর্যটকদের আসা ও থাকার সু ব্যবস্থা করে এই এলাকার মানুষ। অনেক দেশি-বিদেশী পর্যটক, গবেষক ও বিজ্ঞানী এখানে এসে বৃটি হতে সামান্য অংশ কেটে পরীার জন্য নিয়ে গেছেন। এখানে আগত মানুষদের বসার জন্য পাকা বেঞ্চের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শুধু তাই নয় প্রতি বছর পহেলা বৈশাখে উক্ত বেড় শিমুল গাছের প্রাঙ্গনে মেলা বসে। অনেকে রোগ মুক্তির আশায় এই গাছকে ঘিরে মানত করে থাকেন আবার অনেকে আগরবাতি মোমবাতিও জালিয়ে রাখেন। প্রচন্ড রোদে ছায়া সুশীলত এই গাছটির নিচে বসলে আপনি হারিয়ে যাবেন পুরুনো স্মৃতিতে, আর মনে জাগবে অর্পূব শিহরন। প্রতিবছর মহরমের সময় এখানে মিলাদ মাহফিলও হয়। এই গাছটি নিয়ে জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ইত্যাদি প্রচার করেছিলো প্রামাণ্য চিত্র। এই গাছটি নিয়ে হয়েছে চলচিত্র চিনি বিবি। উল্লেখ্য নকলা সদর  থেকে নারায়ন গ্রামের দূরত্ব ১২ কিঃ মিঃ। নাড়ায়ন খলা বাজার থেকে বেড় শিমূল গাছের দুরত্ব এক কিলোমিটার।  প্রায় রাস্তাই পাকা। যে কোন বাহনে এখানে আসা যায়।

এ সম্পর্কিত আরও

Best free WordPress theme

Check Also

রমজানে ৩ স্তরের নিরাপত্তা রাজধানীতে

নিউজ ডেস্ক, বিডি টোয়েন্টিফোর টাইমস: রমজানে শুরু থেকে তিন স্তুরের নিরাপত্তা বলয়ে থাকবে রাজধানী। এ …

আপনার-মন্তব্য