ঢাকা : ২৮ জুলাই, ২০১৭, শুক্রবার, ৪:৪৬ পূর্বাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site
Home / খেলাধুলা / আফগানিস্তান সিরিজে সাকিব-মুশফিকের সামনে মাইলফলক

আফগানিস্তান সিরিজে সাকিব-মুশফিকের সামনে মাইলফলক

1474350381

প্রায় বছর খানেক পর ক্রিকেটে ফিরছে বাংলাদেশ। মাঝের এই সময়টায় নিরাপত্তা প্রশ্নে ক্রিকেট দেখেছে অনেক চড়াই-উতরাই। তাই আফগানিস্তান-ইংল্যান্ড সিরিজ সঞ্জীবনী সুধা হয়ে আসছে লাল-সবুজের ক্রিকেটের জন্য।

এই আলোচনার বাইরে মাশরাফি-সাকিব-তামিম-মুশফিকের জন্য নিজস্ব লড়াইয়ের অনুষঙ্গ নিয়েও আসছে সিরিজগুলো। আফগানিস্তান সিরিজে সাকিব-মুশফিকের সামনে রয়েছে বিশেষ কিছু মাইলফলক।

২৫ সেপ্টেম্বর আফগানদের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে সাকিব উইকেট পেলে যৌথভাবে দেশের সর্বাধিক উইকেট শিকারি হবেন। দুটি পেলে ছাড়িয়ে যাবেন ২০৭ উইকেট নিয়ে এককভাবে শীর্ষে থাকা আব্দুর রাজ্জাককে।

রাজ্জাক দীর্ঘদিন দলের বাইরে। সহসা ফিরতে পারবেন বলেও মনে হয় না। তাই রেকর্ডটি সাকিবের কাছে থাকার সম্ভাবনাই বেশি। তবে তাকে ‘নিশ্চিন্ত’ থাকতে দেবেন না ‘বড়ভাই’ মাশরাফি বিন মর্তুজা; যিনি ২০৩টি উইকেটের মালিক।

২০০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করার সময়ও মাশরাফি-সাকিব একই রকম লড়াইয়ের মুখোমুখি হয়েছিলেন।

২০১৫ সালের ১৫ জুলাই সেই লড়াইয়ে জিতেছিলেন সাকিব। তবে একই ম্যাচে মাশরাফিও সাকিবের পরে ২০০ উইকেটের মাইলফলকে পা দেন। ১৪তম ওভারের তৃতীয় বলে হাশিম আমলাকে ফিরিয়ে দ্বিতীয় বাংলাদেশি বোলার হিসেবে ২০০ উইকেটের মালিক হন সাকিব। আর ২৯তম ওভারের শেষ বলে ডেভিড মিলারকে ফিরিয়ে তৃতীয় বোলার হিসেবে এই গৌরবের মালিক হন মাশরাফি। এরপর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সাকিব ৫ উইকেট নিয়ে মাশরাফিকে বেশ ছাড়িয়ে যান। আফগানিস্তান-ইংল্যান্ড সিরিজে দুজনের সুযোগ থাকছে ‘মধুর লড়াই’য়ে একে-অপরকে হারানোর। ব্যাটেও সাকিব আরেকটি লড়াইয়ের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। ওয়ানডেতে এখন সর্বাধিক রানের মালিক তামিম ইকবাল, ৪ হাজার ৭১৩। সাকিবের সংগ্রহ ৪ হাজার ৩৯৮। প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে সাকিবই চার হাজারের মাইলফলক আগে স্পর্শ করেন।  ২০১৫ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৬৩ রান করে সাকিব তামিমের আগে ইতিহাস গড়েন। ওই ম্যাচের আগে চার হাজার রান করতে সাকিবের দরকার ছিল ২৩, তামিমের ২৯। তামিম ওপেনার হওয়ায় আগে ইতিহাসে পা রাখতে পারতেন। কিন্তু ১৯ রানের মাথায় সাজঘরে ফিরে সেই সুযোগ হাতছাড়া করেন দেশসেরা ওপেনার। বিশ্বকাপের পর তামিম দুই সেঞ্চুরি এবং পাঁচ হাফসেঞ্চুরি করে নিজের মোট সংগ্রহ বাড়িয়ে নিয়েছেন। এই সময়ে সাকিবের হাফসেঞ্চুরি মাত্র তিনটি। আর তাই তামিমের চেয়ে ৩১৫ রানে পিছিয়ে আছেন তিনি। উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান মুশফিকও আছেন এই লড়াইয়ে। চার হাজার রানের মাইলফলক থেকে ৮০ রান দূরে তিনি। মুশফিক রানে ফিরলে ধারাবাহিকভাবেই খেলতে থাকেন। তাই তার ভক্তরা আশা করতেই পারেন, সবাইকে ছাড়িয়ে যাবেন মুশফিক। এতো গেল ওয়ানডের কথা। টেস্টেও একই চিত্র। ২৮২৩ রান নিয়ে সাকিব অপেক্ষায় আছেন তৃতীয় বাংলাদেশি হিসেবে ৩০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করার। প্রথম এই কীর্তি গড়েন হাবিবুল বাশার। এরপর তামিম। বাশার ক্যারিয়ার শেষ করেন ৩০২৬ রানে। তামিম তাকে ছাড়িয়ে এখন দেশের টেস্ট ইতিহাসে সর্বাধিক রানের মালিক, ৩১১৮। ইংলিশদের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে সাকিবের ব্যাট হাসলে রেকর্ডটা চলে যেতে পারে অলরাউন্ডারের ঘরে। একইভাবে তামিম ভক্তরা সুর তুলবেন, ‘তামিমের ব্যাট হাসলে ওপেনার চলে যেতে পারেন আরো দূরে।’ বাংলাদেশ ভক্তরা নিশ্চয়ই মৃদু হাসবেন। কেউ বললেও বলতে পারেন, ‘এ লড়াই মধুর লড়াই। চলছে; চলুক!’

এ সম্পর্কিত আরও

আপনার-মন্তব্য