ঢাকা : ১৭ অক্টোবর, ২০১৭, মঙ্গলবার, ৭:৪৪ পূর্বাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site
প্রচ্ছদ / খেলাধুলা / যে কারণে ১৩ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে বিসিবি!

যে কারণে ১৩ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে বিসিবি!

প্রকাশিত :

আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৩ ম্যাচ সিরিজের প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড(বিসিবি)। ঘোষিত দলে ত্রুটিপূর্ণ বোলিং অ্যাকশনের দায়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিষিদ্ধ পেসার তাসকিন আহমেদকে সুযোগ দিতে ১৩ সদস্যের স্কোয়াড করা হয়েছে । সম্প্রতি দেওয়া পরীক্ষার ফল ভাল হলে দলে অন্তর্ভূক্ত হবেন তিনি, এমনটিই জানিয়েছেন জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু। আর এর মধ্যে দিয়ে ঘোষিত এই স্কোয়াডের ব্যপ্তি বাড়বে বলেও জানান তিনি।

এ সম্পর্কে নান্নু বলেন, ‘তাসকিনের ফলাফল ইতিবাচক হলে ১৩ জনের দলে যোগ হয়ে যাবে। হোম সিরিজ বলে আমরা যে কোনো সময় যে কাউকে অন্তর্ভুক্ত করতে পারি। ওর আজই ফলাফল আসার কথা ছিল। কিন্তু তাসকিনের ব্যাপারটা হলো, তার বোলিং টেস্টের ফলাফল এখনো ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল থেকে আসেনি।’

এ ক্ষেত্রে স্কোয়াডের অবস্থা কেমন হবে? সাংবাদিকদের এমন এক প্রশ্নের জবাবে জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক বলেন, ‘তাসকিন এলে ১৩ জনের দলে একজন যোগ হবে। দল দাঁড়াবে ১৪ জনে।

সিলেকশন কমিটিতে কোচও আছেন। যেকোন সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে আমরা তিন নির্বাচক এবং কোচের সঙ্গে আলোচনা করে দল তৈরি করি। এখানে নেতিবাচক কিছু চিন্তার সুযোগ নেই। তাসকিনের ফলাফল ইতিবাচক না হলে, আমরা ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে আলোচনা নতুন কাউকে নিবো কি না, তা আলোচনা করব।’

‘সর্বশেষ সিরিজে আমাদের দলে চারজন পেসার ছিল। এবার তিন জন আছে। আমরা তাসকিনের জন্য অপেক্ষা করছি। পরে হয়ত তাকে বা অন্য একজন পেসারকে যোগ করা হবে।’ যোগ করেন মিনহাজুল আবেদীন নান্নু।

এদিকে আল আমিনকে দলে না রাখার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে জাতীয় দলের সাবেক এই তারকা ক্রিকেটার বলেন, ‘আল আমিন এবং শফিউলকে নিয়ে আমাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। আমরা ফিটনেস এবং অন্যান্য সব কিছু নিয়ে ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে আলোচনা করে শফিউলকেই নিয়েছি। আমাদের সামনে আরো খেলা আছে, তাকে ফেরানো হতে পারে। এমন না যে, (আল আমিন) একদম বাইরে চলে গেছে। সামনে কিন্তু ইংল্যান্ডের বিপক্ষেও খেলা আছে। আল আমিন আমাদের পুলের মধ্যেই আছে।’

‘আল আমিনের ব্যাপারে কিছু নেগেটিভ কথা উঠে এসেছে। ফিটনেস নিয়েও কথা এসেছে। ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে এ সব ব্যাপার নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

 

পরে আমরা শফিউলকেই নেই। আল আমিনকে না নেয়ার ব্যাপার কোচের পছন্দ, অপছন্দের কিছু নেই। আপনি যদি আল আমিন এবং শফিউলের ফিল্ডিং দেখেন, তাহলেই পার্থক্যটা চোখে পড়বে। বোলিংয়ে শফিউল অনেক অভিজ্ঞ। প্রিমিয়ার লিগে সে কী করেছে, এর আগে আন্তর্জাতিক ম্যাচে কী করেছে, সেটাও বিবেচনা করা হয়েছে। তাকে নেয়ার ব্যাপারে নির্বাচন পদ্ধতিতে থাকা সবার সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে।’ যোগ করেন নান্নু।

প্রসঙ্গত, চলতি বছর ভারতে অনুষ্ঠিত টি২০ বিশ্বকাপ চলাকালে তাসকিন আহমেদের বোলিং অ্যাকশন প্রশ্নবিদ্ধ হয়। পরে চেন্নাইয়ে বোলিং পরীক্ষায় ত্রুটি প্রমাণিত হওয়ায় অবৈধ বোলিং অ্যাকশনের দায়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ হয়েছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের এই পেসার। নিষেধাজ্ঞা কাটাতে সম্প্রতি ৮ সেপ্টেম্বর অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেনে আবারও পরীক্ষা দেন তাসকিন। যার ফলাফল ২/১ দিনের মধ্যেই প্রকাশ হওয়ার কথা রয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও

Check Also

তিন নাম্বার পজিশন: বাংলাদেশের আরেকটি ব্যর্থতার গল্প

৩ নম্ববর পজিশন বলতে গেলে ক্রিকেট এর সবচেয়ে ভাইটাল+ইংনিস বিল্ড আপ এর একজন বড় ভরসার …

Leave a Reply