Mountain View

কাল অনেক রেকর্ডের হাতছানি দিয়ে ডাকছে বাংলাদেশকে

প্রকাশিতঃ সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৬ at ৯:৫৫ অপরাহ্ণ

sakib-tamim

মোঃরাজিব রজ্জব,স্পোর্টস ডেস্ক,বিডি টুয়েন্টিফোর টাইমসঃ দীর্ঘ ১০ মাসেরও বেশি সময় পর ওয়ানডে ম্যাচ খেলতে নামবে বাংলাদেশ।  কাল(রবিবার) আফগানিস্তানের সাথে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম একদিনের ম্যাচ খেলতে নামবে বাংলাদেশ।আগামীকাল দুপুর আড়াইটা মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে দুইদল।এই ম্যাচে অনেক গুলো রেকর্ডের সামনে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ।হয়ত কালই মিরপুরে সেইসব রেকর্ডের সাক্ষী থাকতে পারে।জেনে নিন কি কি রেকর্ডের সামনে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ।

একটি বড় জয় অর্জনের অপেক্ষায় রয়েছে বাংলাদেশ দল। কারণ সামনে রয়েছে শততম ওয়ানডে ম্যাচ জয়ের হাতছানি। তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম দুটিতে জিতে গেলেই অনন্য এক অর্জন হবে বাংলাদেশের ক্রিকেটের। আর তিনটি ম্যাচ জিতলে ওয়ানডে ম্যাচে জয়ের সংখ্যাটা বেড়ে দাঁড়াবে ১০১! যা নিয়ে বেশ আলোড়িত এখন ক্রিকেটাররা।কাল এবং পরের ম্যাচ দুইটাই জিতলে বাংলাদেশের ওয়ানডেতে ১০০ টি ম্যাচের জয়ের মাইলফলক স্পর্শ করবে।

তামিমের সামনে টেন্ডুলকার–পন্টিংকে ‘ছাড়িয়ে’ যাওয়ার অপূর্ব সুযোগ এর হাতছানি।আর মাত্র ১৬  রান করতে পারলে তামিম ইকবালের ৩ ফরম্যাট মিলে নয় হাজার রানের বিরল রেকর্ড তামিমের নামে স্থান পাবে।যেটা ক্রিকেট ইতিহাসেও আর কারও নেই!একই দলের টেস্ট-ওয়ানডে দুই ধরনের ক্রিকেটে ব্যাটিংয়ের মূল তিনটি রেকর্ডই (রান-সেঞ্চুরি-সর্বোচ্চ ইনিংস) হয়ে যাবে এই ওপেনারের। টেস্টে এখনো হাবিবুল বাশার (৩ হাজার ২৬ রান) এগিয়ে। তবে দূরত্বটা খুব বেশি নয়। মাত্র ১৬ রানের। আগামীকাল তামিমের ব্যাটে আর ১৬ রান এলে বাংলাদেশের হয়ে টেস্টের সর্বোচ্চ রানের মালিক হয়ে যাবেন তামিম।

এর আগে তামিমের নামের পাশে লেখা হয়েছে বাংলাদেশের পক্ষে ওয়ানডের সর্বোচ্চ রান (৪ হাজার ৪৩৭), টেস্টের সর্বোচ্চ সেঞ্চুরি (৭টি), ওয়ানডের সর্বোচ্চ সেঞ্চুরি (৬টি), টেস্টের সর্বোচ্চ ইনিংস (২০৬) এবং ওয়ানডের সর্বোচ্চ ইনিংসের (১৫৪) রেকর্ড।

এমন কীর্তির দিক দিয়ে তামিমের সবচেয়ে কাছাকাছি থাকবেন শচীন টেন্ডুলকার ও রিকি পন্টিং। দুজনই নিজ নিজ দলের টেস্ট-ওয়ানডের সর্বোচ্চ রানের মালিক, টেস্ট-ওয়ানডের সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির মালিকও। তবে দলের টেস্ট-ওয়ানডের সর্বোচ্চ ইনিংস দুটি টেন্ডুলকার-পন্টিং নিজেদের নামের পাশে লেখাতে পারেননি।

টেস্টে টেন্ডুলকারের রান ১৫ হাজার ৯২১। ওয়ানডেতে ১৮ হাজার ৪২৬। টেস্টে টেন্ডুলকারের সেঞ্চুরি ৫১টি, ওয়ানডেতে ৪৯। ভারতের হয়ে তো বটেই, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেই টেস্ট-ওয়ানডের সর্বোচ্চ রান আর সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির রেকর্ডটা টেন্ডুলকারের। তবে ভারতের হয়ে টেস্ট-ওয়ানডের সর্বোচ্চ ইনিংস দুটো টেন্ডুলকারের নয়। টেস্টে সেটি বীরেন্দর শেবাগের দখলে (৩১৯, টেন্ডুলকারের কোনো ট্রিপল সেঞ্চুরিই নেই)। ওয়ানডেরটি রোহিত শর্মার (২৬৪, এটি আন্তর্জাতিক রেকর্ডও)।

একইভাবে টেস্ট-ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ রান ও সেঞ্চুরির মালিক রিকি পন্টিং। টেস্টে রান ১৩ হাজার ৩৭৮, সেঞ্চুরি ৪১টি। ওয়ানডেতে রান ১৩ হাজার ৫৮৯, সেঞ্চুরি ২৯টি। তবে টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ ইনিংসটি ম্যাথু হেইডেনের (৩৮০, ব্রায়ান লারার ৩৭৫ রানের ইনিংস ভেঙে দিয়েছিলেন। পরে লারা ৪০০ রানের ইনিংস খেলে রেকর্ডটি ফিরিয়ে নেন)। ওয়ানডেতে শেন ওয়াটসনের ১৮৫।

শুধু কালই যদি বিশ্বসেরা অলরাইন্ডার সাকিব আল হাসান ২টি উইকেট লাভ করে তাহলে তিনি হবেন একমাত্র ব্যক্তি যে ৩ ফরম্যাটে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি হবেন।বিশ্বের আর কোনো ক্রিকেটারের এমন রেকর্ড নেই। তাই বলা যায়, বিরল এক রেকর্ডের দ্বারপ্রান্তে বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার ।

ওয়ানডেতে সাকিবের উইকেট সংখ্যা এখন ২০৬টি। রাজ্জাকের উইকেট ২০৭টি। টেস্টে সাকিবের উইকেট সংখ্যা ১৪৭টি। টেস্টে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি মোহাম্মদ রফিক (১০০টি)। তৃতীয় স্থানে আছেন মাশরাফি বিন মুর্তজা (৭৮ উইকেট)।

এ সম্পর্কিত আরও