মাশরাফির কান্নার প্রতিদান দিতে চান তাসকিন

প্রকাশিতঃ সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৬ at ৮:৫৫ পূর্বাহ্ণ

দিনটি ছিল গত ২০ মার্চ। বেঙ্গালুরুতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের প্রস্তুতি নিচ্ছিল বাংলাদেশ। আগের দিনই তাসকিন আহমেদ ও আরাফাত সানিকে বোলিংয়ে নিষিদ্ধ করেছিল আইসিসি। খবরটিতে গোটা দলই ছিল বজ্রাহত। বিশেষ করে তাসকিন আহমেদের নিষেধাজ্ঞা মেনে নিতে পারছিল না দল।

 

আবেগটা বেশি ছুঁয়ে গিয়েছিল অধিনায়ক মাশরাফিকে। ম্যাচ পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে তাসকিনকে নিয়ে ‘অবিচার’ হয়েছে বলে বারবার বলেছেন। কথা বলতে বলতেই বারবার ধরে এসেছে কণ্ঠ। সংবাদ সম্মেলনে থেকে বেরুনোর পর এক পর্যায়ে আর ধরে রাখতে পারেননি চোথের পানি। ক্ষোভ, হতাশা, অসহায়ত্বের কান্না, যা ছুঁয়ে গিয়েছিল বিদেশি সাংবাদিকদেরও।সে সময় মাঠে ছিলেন না তাসকিন। তবে সবার কাছে শুনে ও সংবাদমাধ্যমে মাশরাফির কান্নার কথা জেনে কেঁদেছিল তাসকিনের ভেতরটাও। বরাবরই যাকে আদর্শ মেনে এসেছেন, ছোট ভাইয়ের মতো তাকে আগলে রাখেন যিনি, সেই অধিনায়কের কান্না স্পর্শ করেছিল তাসকিনকে ভীষণভা৬ মাসের কঠিন লড়াই শেষে সেই নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্তি পেয়েছেন তাসকিন। তবে ভোলেননি কঠিন সময়, ভোলেননি অধিনায়কের কান্না। বিডি টোয়েন্টিফোর টাইমস ডটকমকে শোনালেন প্রতিদানের প্রতিজ্ঞা।

“মাশরাফি ভাইয়ের ঘটনায় খুব খারাপ লেগেছিল। আমাকে সবসময়ই অন্যভাবে দেখেন তিনি, আগলে রাখেন। সেই সময় পাশে ছিলেন, গত ৬ মাসও দারুণ ভাবে সাহস ও উৎসাহ দিয়ে গেছেন।”“মাশরাফি ভাই চোখের পানি ফেলেছিলেন, আমার বাবা-মাও অনেক কেঁদেছেন। আরও অনেকেই। আমার কাছে সবারই অনেক প্রত্যাশা। আমি চেষ্টা করব বোলিং দিয়েই সবার ভালাবাসার প্রতিদান দিতে।”

 

নিষেধাজ্ঞার পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তিনটি ম্যাচ খেলতে পারেননি তাসকিন। তবে এরপর বাংলাদেশের আর কোনো খেলা ছিল না। তাসকিনকেও তাই মিস করতে হয়নি কোনো ম্যাচ। ফেরার পর সেটাই বাড়তি স্বস্তি দিচ্ছে এই ফাস্ট বোলারকে।

 

“অনেক বড় ভার নেমে গেছে। নিশ্চিত হয়ে খেলায় মন দিতে পারব এখন। সবচেয়ে ভালো হয়েছে যে বাইরে থাকার সময়টায় কোনো সিরিজ মিস হয়নি। চেষ্টা করব নিজেকে উজার করে বোলিং করার।”

এ সম্পর্কিত আরও