Mountain View

৪২৫ ডলারের ওষুধ বাংলাদেশ দিচ্ছে ৩২ ডলারে

প্রকাশিতঃ সেপ্টেম্বর ২৭, ২০১৬ at ৫:৫২ অপরাহ্ণ

বিশ্বের ১১৩ টি দেশে ওষুধ রপ্তানি করছে বাংলাদেশ। স্বাধীন হওয়ার পর চরম ওষুধ সংকটে পড়েছিলো বাংলাদেশ। তবে সেসব এখন অতিত। বাংলাদেশের ওষুধ উত্তীর্ণ হয়েছে অামেরিকার পরীক্ষাগারেও।
বাংলাদেশের ওষুধ সম্পর্কে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ভারতীয় বাংলা দৈনিক আনন্দবাজার।full_409996956_1474975898

তাদের প্রতিবেদন হুবহু তুলে ধরা হলো-
যেমন অসুখ তেমন দাওয়াই। রেহাই নেই কোনও রোগের। জালে পড়বেই। ঠিকঠাক ওষুধটা মিললেই হল। সেটাই যে অমিল। বাজারে থাকলেও নাগালের বাইরে। এতটাই দুর্মূল্য, বহুল প্রয়াসে অধরা। সামর্থের বাইরে। কিনতে হলে পকেটে আটকাবে। কোনও একটি দেশে নয়, সব দেশেই এক অবস্থা। ব্যতিক্রম বাংলাদেশ। সেখানেই হতাশার সমাধান। সব দেশ ছুটছে সে দেশে ওষুধ কিনতে। জলের দামে ওষুধ পেয়ে, দমে যাওয়া মনে আশ্বাস। দাম এতটাই কম, অবিশ্বাস্য। ৪২৫ ডলারের ওষুধ ৩২ ডলারে। বিস্মিত আমেরিকা, ইউরোপও। এ যে ম্যাজিক। আমেরিকা, ব্রিটেনের আবিষ্কার করা ওষুধ বাংলাদেশে তৈরি হচ্ছে নামমাত্র মূল্যে। মিশন পরিষ্কার, বিনা ওষুধে কেউ যেন না মরে। ১১৩ দেশ বাংলাদেশের মুখাপেক্ষী। রোগী বাঁচাচ্ছে বাংলাদেশ থেকে আমদানি করা ওষুধে। অনেক দেশ চাইছে বাংলাদেশের ওষুধ কোম্পানি তাদের দেশে গিয়ে ওষুধ তৈরি করুক। তাদের সব রকম সুবিধা দেওয়া হবে। কারখানার জমি, কাঁচামাল, বিনিয়োগের অভাব হবে না। আপত্তি বাংলাদেশ সরকারের। ওষুধ শিল্পের সমৃদ্ধিতে দেশের লাভ। কর্মসংস্থান প্রচুর। বিদেশি মুদ্রার আয় বৃদ্ধি। স্বদেশে সস্তায় ওষুধ পাওয়ার সুযোগ।

২৭৮টি কোম্পানির ওষুধ বাংলাদেশ থেকে বিদেশে যাচ্ছে। বছরে তৈরি করছে ১৫ হাজার ৬১৯ কোটি টাকার ওষুধ। শুধু অ্যালোপ্যাথিক ওষুধে আটকে নেই। রয়েছে ২৬৬ ইউনানি, ২০৫টি আয়ুর্বেদিক, ৭৯টি হোমিওপ্যাথিক আর ৩২টি হারবাল ওষুধ তৈরির প্রতিষ্ঠান। তাদের উৎপাদন বছরে ৮৫০ কোটি টাকার।

এ সম্পর্কিত আরও

Mountain View