ঢাকা : ১১ ডিসেম্বর, ২০১৬, রবিবার, ৪:৩৫ পূর্বাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site

শতকের সামনে বাংলাদেশ

%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a1%e0%a6%bf

২৫ সেপ্টেম্বর আফগানিস্তানের সাথে প্রথম ম্যাচে জয়ের পর একদিনের ক্রিকেটে টাইগারদের জয়ের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৯। ২৮ সেপ্টেম্বর আফগানিস্তনের বিপক্ষে দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচে জয় পেলেই সেই সংখ্যা হবে ১০০।

 

 

 

এপর্যন্ত ৩১৩ টি একদিনের ম্যাচ খেলেছে টাইগারা। সেখানে ৯৯  জয়ের বিপরীতে পরাজয় ২১০ ম্যাচে। বাকি ৪ টি ম্যাচে ফলাফল আসে নি। ১৯৮৬ সালে একদিনের ক্রিকেটে টিম বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সূচনা হয়েছিলো। পাকিস্তানের সাথে সেই ম্যাচে টাইগাররা হেরেছিলো ৭ উইকেটে। শুরুতে টানা হারতে হয়েছে বাংলাদেশকে। প্রথম জয় পেতে অপেক্ষা করতে হয়েছে ১২ টি বছর। নিজেদের ১৯ তম ম্যাচে কেনিয়াকে ৬ উইকেটে হারিয়ে জয়ের সূচনা হয়। ১৯৯৮ সালে ভারতের হায়দ্রাবাদে হয়েছিলো সেই ম্যাচটি। ধীরে ধীরে একটি দল হিসেবে পরিণত হয়েছে টাইগাররা। এরপর ১৮ বছরে ২৯৪ টি একদিনের ম্যাচ খেলে টাইগাররা জিতেছে ৯৮ টি ম্যাচে।

 

হঠাত হঠাত জয় পেলেও ২০০৯ সালের পর অনেকটাই বদলে গেছে বাংলাদেশের ক্রিকেট। বড় দলগুলোর সাথে নিয়মিত জিততে শুরু করে বাংলাদেশ। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলেছে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। আর সবচেয়ে বেশি জয় এসেছে আফ্রিকান এই দেশটির বিপক্ষেই। মোট ৬৭ বারের দেখায় টাইগারদের জয় ৩৯ টিতে, অন্যদিকে পরাজয় ২৮ টি ম্যাচে।

 

জিম্বাবুয়ের পর বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি খেলেছেন শ্রীলংকার সাথে। কিন্তু সবচেয়ে বেশি হেরেছে এই দ্বীপ দলটির বিপক্ষে। এপর্যন্ত লঙ্কানদের বিপক্ষে ৩৮ টি একদিনের ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। সেখানে ৪ টি জয়ের বিপরীতে হেরেছে ৩৩ টি ম্যাচে।

 

পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশ খেলেছে ৩৫ টি ম্যাচ। ১৯৯৯ বিশ্বকাপে প্রথম জয় পেলেও পরবর্তি জয়ে পেতে লাগে ১৬ বছর। অনেক কাছে গিয়েও কয়েকবার জিততে পারে নি টাইগাররা। অবশেষে গত বছর দেশের মাটিতে পাকিস্তানকে হোয়াইওয়াশ করে বাংলাদেশ। পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের জয় ৪ টি অন্যদিকে পরাজয় ৩১ টি। উপমহাদেশের আর এক দেশ ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ খেলেছে ৩২ টি ম্যাচ। সেখানে ৫ জয়ের বিপরীতে পরাজয় ২৬ টিতে। একটি ম্যাচের ফলাফল আসে নি।

 

টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর মধ্যে জিম্বাবুয়ের পর বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি জিতেছে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে। এপর্যন্ত ২৫ টি একদিনের ম্যাচে বাংলাদেশের মুখোমুখি হয়েছিলো নিউ জিল্যান্ড। সেখানে টাইগারদের জয় ৮ টিতে। এছাড়া ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২৮ বারের দেখায় টাইগারদের জয় ৭ টি ম্যাচে অন্যদিকে পরাজয় ১৯ টি ম্যাচে। দুইটি ম্যাচের ফলাফল হয় নি।

বর্তমান একদিনের র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষ দুই দল অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে যথাক্রমে ১৯ টি ও ১৭ টি একদিনের ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইংল্যান্ডের কার্ডিফে একমাত্র জয় পেয়েছিলো টাইগাররা অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জয় তিন ম্যাচে। টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে কম ম্যাচ খেলেছে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। এপর্যন্ত ১৬ ম্যাচে এই দুই দলের দেখা হয়েছিলো। সেখানে বাংলাদেশের ৩ জয়ের বিপরীতে পরাজয় ১৩ টিতে। তবে আসছে অক্টোবরে তিনটি একদিনের ম্যাচে মুখোমুখি হবে এই দুই দল। সেখানে রেকর্ড ভালো করার সুযোগ থাকবে বাংলাদেশের সামনে।

 

এছাড়া আইসিসি সহযোগী সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলেছে কেনিয়ার সাথে। ১৪ বারের দেখায় বাংলাদেশের জয় ৮ অন্যদিকে পরাজয় ৬ ম্যাচে।

স্কটল্যান্ড (৪), বারমুডা (২), হংকং (১) ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের (১) বিপক্ষে সব ম্যাচেই জিতেছে টাইগাররা। তবে আফগানিস্তান, কানাডা, নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ১টি করে ম্যাচ হারার স্মৃতি রয়েছে।

 

শুরু থেকে একদিনের ক্রিকেটে ধারাবাহিকভাবে ভালো করতে পারে নি বাংলাদেশ। তবে ২০০৯ সাল থেকে নিয়মিত জয় পেতে থাকে টাইগাররা। ২০০৯ সালে ১৯ টি ম্যাচের মধ্যে টাইগাররা জিতেছিলো ১৪ টি ম্যাচ। বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি জয় আসে এই বছরটিতে। এরপর ২০১০ সালে ২৬ টি একদিনের ম্যাচ খেলার সুযোগ আসে টাইগারদের। সেখানে ১৯ পরাজয়ের বিপরীতে জয় আসে ৯ টিতে।  ২০১১ সালে ২০ ম্যাচে জয় ৬ টিতে, পরাজয় ১৪ টিতে। ২০১২ সালে এশিয়া কাপের ফাইনাল খেলা বাংলাদেশ ৯ ম্যাচে জিতেছে ৫ টিতে, পরাজয় বাকি চারটি ম্যাচে। ২০১৩ সালেও ৯ টি ম্যাচ খেলার সুযোগ পায় টাইগাররা, সেখানে ৫ জয়ের বিপরীতে পরাজয় ৩ টিতে। অন্য ম্যাচটি হয়েছে পরিত্যক্ত। তবে ২০১৪ সালে ধারাবাহিক সাফল্য থেকে কিছুটা ছিঁটকে যায় বাংলাদেশ। টানা ১৩ ম্যাচের একটিতেও জিততে পারে নি লাল-সবুজ বাহিনী। এরপর অধিনায়ক মাশরাফির নেতৃত্বে বছরের শেষ একদিনের সিরিজে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৫-০ তে সিরিজ জিতে বাংলাদেশ। এরপরের গল্পটা সাফল্যময়। ২০১৫ সালে ১৮ টি একদিনের ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। সেখানে ৫ পরাজয়ের বিপরীতে জয় আসে ১৩ টি ম্যাচে। পাকিস্তান, ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথমবারের মতো সিরিজ জয় আসে।

 

২০১৬ সালে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ দিয়েই আন্তর্জাতিক একদিনের ক্রিকেটে যাত্রা শুরু হলো টাইগাররা। ইতিমধ্যে প্রথম ম্যাচ জিতে ১-০ তে এগিয়ে গেছে বাংলাদেশ। ২৮ অক্টোবরের আফগানদের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচে জয়ে টাইগারদের সিরিজ জয়ের পাশাপাশি এনে দিবে শততম জয়।

এ সম্পর্কিত আরও

Check Also

সেরা একাদশে জায়গা পেলেন না সাকিব!

শুক্রবার শেষ হয়েছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগ (বিপিএল) টুয়েন্টি টুয়েন্টি ক্রিকেটের চতুর্থ আসর। চ্যাম্পিয়ন হয়েছে সাকিব …

Mountain View

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *