Mountain View

সারিয়াকান্দিতে প্রতিমা তৈরি কাজ শেষ, এখন রংঙ্গের কাজ চলছে !

প্রকাশিতঃ সেপ্টেম্বর ২৯, ২০১৬ at ১১:০৩ পূর্বাহ্ণ

বগুড়া প্রতিনিধি: বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে হিন্দু ধর্মের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গাপুজাকে ঘিরে চলছে নানা রকমের আয়োজন ।এ উৎসব উপলক্ষে ব্যাস্ত হয়ে পড়েছেন সারিয়াকান্দির প্রতিমা শিল্পী,পূজা উদযাপন কমিটি ও প্যান্ডেল মঞ্চের কারিগররা।পূজা ঘনিয়ে আসায় সারিয়াকান্দি পালপাড়া গুলোতে যেন দম ফেলার সময় নেই কারিগরদের। কাজের চাপ বেশি থাকায় পুরুষের পাশা-পাশি নারীরাও সহযোগিতা করছেন।এখন চলছে বাঁশ,খর,কাঁদামাটি দিয়ে প্রতিমার অবকাঠামো তৌরি ও প্রলেপ দেয়ার প্রাথমিক কাজ। কাঁদামাটি দিয়ে পরম যতেœ দেবীর মুকুট,হাতের বাজু,গলার মালা,শড়ীর পাড়,প্রিন্ট ও ঠাকুরের চুল তৌরি করছে।এর পরে দেয়া হবে রং তুলির আঁচড়।এবার সারিয়াকান্দিতে সারিয়াকান্দি পৌরসভার মধ্যে ৭টি,ফুলবাড়ী ইউনিয়নে ৬টি,নারচীতে ৪টি,কুতুবপুরে ১টি,কামালপুওে ১টি,চালুয়াবাড়ীতে ১টি,হাটশেরপুওে ১টি,কর্ণিবাড়িতে ১টি ও চন্দনবাইশায় ১টি মোট ২৩টি পুজা মন্ডুপ রয়েছে। এব্যাপারে সারিয়াকান্দি পুজা উদযাপনের সভাপতি অরুনাংশু কুমার সাহা জানান,প্রতিবারের ন্যায় এবারও পুজার প্রায় সবধরনের প্রস্তুতির কাজ প্রায় শেষের দিকে। নানা উৎস উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে এবছরও পূজা উদযাপিত হবে বলে আশা করছি।দেবডাঙ্গা-চরকুমার পাগা সর্বজনীন পুজা মন্দিরের পুরহিত শ্রী প্রলয়কৃষ্ণ চক্রবত্তী জনান,আমাদের পুজা মন্দিরটি অনেক পুরাতন।এবার নিয়ে আমাদের ১১১ তম অধিবেশন চলছে। আমাদের মন্দিরের আওতায় বেশিভাগই পরিবার দারিদ্র।সে কারনে আমাদের প্রতিবছর পূজার কার্যক্রম করতে অনেক কষ্ট সাধ্য হয়ে পরে। সরকার যদি আমাদের প্রতি দৃষ্টি রাখে তাহলে আমাদের পক্ষে অনেক ভাল হয়।মথুড়া পাড়া বিকে উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী শিক্ষক সুমেশ চন্দ্র প্রামানিক বলেন, আমাদের পূজা মন্ডুপে প্রতিবছর অনেক সুন্দর ও শান্তি পূর্ন ভাবে পালিত হয়। আশাকরি এবারও হবে। তবে গরীব পরিবারের সংখ্যা বেশি হওয়ায়র পরেও আমরা সমান ভাবে পূজা উদযাপন করে থাকি। সরকারি ভাবে সহযোগীতা পেলে আরো ভালো ভাবে করা সম্ভব।
এব্যাপারে কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইমরান আলী রনি পূজামন্ডব পরিদর্শন করে বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের লোক অনেক কম। যতটুকুবা রয়েছে তাদের বেশির ভাগই হল গরীব ও অসহায়। আমার পক্ষ থেকে যতটুকু সম্ভব সহযেগীতা করবো ।

এ সম্পর্কিত আরও