সুবর্ণ সুযোগ মিস করলেন তামিম, দুষলেন নিজেকে

প্রকাশিতঃ অক্টোবর ২, ২০১৬ at ২:১৩ অপরাহ্ণ

নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়ার সূবর্ণ সুযোগ ছিল তামিম ইকবালের সামনে। ২০০৯ সালে বুলাওয়ের মাঠে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে ১৫৪ রানের ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস খেলেছিলেন এই হার্ডহিটার। শনিবার আফগানিস্তানের বিপক্ষে সে রান টপকে আরো বড় ইনিংস খেলার হাতছানি ছিল। কিন্তু তা আর হয়নি। খেলা শেষেদেশের এক নম্বর ওপেনার নিজ মুখে স্বীকার করেছেন, তার সামনে দেড়শো কিংবা তারও বেশি রানের ইনিংস সাজানোর সুবর্ণ সুযোগ ছিল; কিন্তু নিজের ভুলেই তাহয়নি।
7f382e88b8aaf82682bf6e5ad55195c7-57f00a6e04569
তামিম বলেন, ‘আমার সামনে সুযোগ ছিল বড় ইনিংস খেলার। হয়ত দেড়শো কিংবা তারচেয়েও বেশি রান করতে পারতাম; কিন্তু নিজের ভুলেই পারিনি।’ কেন মোহাম্মদ নবিকে তেড়েফুড়ে মারতে যাওয়া? কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তামিম যা বললেন, তার সারমর্ম হলো, আগের ওভারে লেগস্পিনার রহমত শাহকে দুই ছক্কাহাঁকানোর পর তার লক্ষ্য ছিল অফস্পিনার নবিকে অকেজো করে দেয়া। তাই নবির বলে ছক্কা হাঁকাতে গিয়েছি। এ সম্পর্কে তামিমের ব্যাখ্যা, বেশ কিছু ওভার বাকি ছিল, আমি আগের ওভারে লেগস্পিনার রহমত শাহকে ছক্কা হাঁকিয়েছিলাম।তারপরে টার্গেট করেছিলাম নবিকে হাত খুলে খেলার। লক্ষ্য ছিল নবির বলে যদি কিছু রান আদায় করে নিতে পারি, তাহলে খুব ভালো হবে। কারণ অন্যরা ভালো বল করছিল। হয়তো হিসেবে একটু ভুল হয়েছে। নবিও ভালো বলকরেছে। হয়তো ওই ওভার এক এক করে খেলে পরবর্তীতে কাউকে যদি টার্গেট করে রান করতাম তাহলে আরো ভালো হত। শুধু এই ম্যাচে বড় ইনিংস সাজাতে না পারার কারণ ব্যাখ্যা করাই নয়।বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা যে তুলনামুলক দুর্বল ও কমজোরি বোলিং শক্তির বিরুদ্ধে সেঞ্চুরিগুলোকে ১৫০/১৬০ করতে পারেন না- তামিম তাও অকপটে স্বীকারকরেছেন। ‘অবশ্যই আমাদের ১০০ গুলো ১৫০-১৬০ করা উচিত। সত্যি কথা বলতে আমার কাছে আজ সুযোগও ছিল। এটা কারো দোষ না, আমার নিজেরও দোষ। আমি নিজেই করতে পারিনি। সব সময় আমি বলি যখন আমার কাছে সর্বোচ্চ সময় থাকে তখন সর্বোচ্চ সুযোগ নেয়া উচিত।’ — নয়া দিগন্ত

এ সম্পর্কিত আরও