ঢাকা : ২৫ মে, ২০১৭, বৃহস্পতিবার, ৮:১৬ অপরাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site

১১টি বিষয় সন্তান জন্মদানের আগে প্রস্তুতি নিন

pregnet

সন্তান জন্মদানের জন্য নারীদের লেবার রুমে যাওয়ার ঘটনাটি জীবনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তবে সে কক্ষে যাওয়ার আগে কেমন প্রস্তুতি নেওয়া উচিত? এ লেখায় তুলে ধরা হলো সে বিষয়ে কয়েকটি করণীয়। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ফক্স নিউজ।

১. আত্মীয়-স্বজনকে খবর দিন
আপনার কাছের আত্মীয়-স্বজনকে খবর দিন। তাদের আগে থেকে বলে রাখতে পারলে তাদের প্রস্তুতি নেওয়া সহজ হবে। এতে তাদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তাও পাবেন।

২. বেশি খাবার খাবেন না
আপনি যদি মনে করেন শিগগিরই আপনার প্রসববেদনা উঠতে পারে তাহলে পেট ভর্তি করে খাবেন না। কিছুটা ফাঁকা রাখুন। অন্যথায় এটি সমস্যা তৈরি করতে পারে।

৩. ভালোভাবে শ্বাস নিন
সন্তান জন্মদানের আগের কিছুদিন নারীদের জন্য খুবই কষ্টকর। এ সময় ঘুমের সমস্যা, খাওয়ায় সমস্যা ইত্যাদি লেগেই থাকে। আর এ সময়টির যন্ত্রণা কমাতে পারে ভালোভাবে শ্বাস নেওয়ার অনুশীলন। এ ক্ষেত্রে ভালোভাবে শ্বাস নেওয়ার অনুশীলন করতে হবে। এটি দেহ শিথিল হতে সহায়তা করবে। এ ক্ষেত্রে ভালোভাবে শ্বাস নেওয়ার জন্য আরামদায়ক কোনো স্থানে বসে বড় করে শ্বাস টানতে হবে। এরপর তা ধীরে ধীরে ছাড়তে হবে। এ সময় মনও যেন শান্ত থাকে সে ব্যাপারে খেয়াল রাখতে হবে। এতে দেহ রিলাক্স হবে এবং ভালো অক্সিজেন পাওয়ায় শারীরিক কিছু সমস্যা দূর হবে।

৪. প্রসব পরবর্তী বিষণ্নতা বিষয়ে চিন্তা
সন্তান প্রসবপরবর্তী সময়ে বিষণ্ণতায় আক্রান্ত হন অনেক নারী। আর এ বিষয়ে তাই আগে থেকেই চিন্তা করা উচিত। আপনার যদি বিষণ্ণতা বা উদ্বেগের ইতিহাস থাকে তাহলে এ বিষয়ে আগে থেকেই সচেতন হতে হবে। তবে এটি আপনি নিজেই প্রতিরোধ করতে পারবেন না। লক্ষণ দেখা গেলে আপনার চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে। এ ছাড়া মানসিক চাপ যেন সৃষ্টি না হয় সে জন্য সচেষ্ট হতে হবে।

৫. শিশু ডাক্তার
সন্তান জন্মদানের পর তাকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য একজন শিশু ডাক্তার দেখানো ভালো। এ জন্য আগে থেকেই প্রস্তুতি নিতে পারেন।

৬. সারকুমসেশন
সন্তান যদি ছেলে হয় তাহলে জন্মদানের পর হাসপাতালে থাকতেই তার খতনা বা সারকুমসেশন করে নেওয়া যায়। এতে পরবর্তীতে ঝামেলা এড়ানো যায়। আপনি চাইলে এর জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন আগেই।

৭. মায়ের দুধ দেওয়ার প্রস্তুতি
সন্তান জন্মদানের পরই তাকে মায়ের দুধ দিতে হবে। আর এ জন্য তার জন্ম হওয়ার আগে থেকেই প্রস্তুতি নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে সঠিক উপায় জেনে রাখুন আগেই।

৮. স্থানান্তরের জন্য
সন্তান স্থানান্তর করবেন কী দিয়ে? এ জন্য একটি পরিকল্পনা করুন আগেই। আপনার যদি গাড়ি থাকে তাহলে কার সিট কিনুন। অন্যথায় প্রয়োজনীয় নিরাপদ বাহনের ব্যবস্থা করুন।

৯. জিনিসপত্র
হাসপাতালে থাকার সময় প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র হাতের কাছে যেন পাওয়া যায় সে জন্য প্রস্তুতি নিন। একটি ব্যাগে নিজের প্রয়োজনীয় কাপড় জীবাণুমুক্ত করে সংরক্ষণ করুন। প্রয়োজনের সময় এগুলো খুবই কাজে লাগবে। খাবার দাবারের ব্যবস্থা কী হবে, সে জন্যও প্রস্তুতি নিন।

১০. প্রয়োজনীয় অর্থ
হাসপাতালে থাকার সময় নানা ধরনের খরচ হতে পারে। আর সে জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান আগেই করুন। প্রয়োজনে আত্মীয়-স্বজনকে বলে রাখুন।

১১. রক্তের সংস্থান
আপনার আত্মীয়-স্বজনদের মাঝে যাদের সঙ্গে আপনার রক্তের গ্রুপ মিলে যায় তাদের বলে রাখুন। রক্তের প্রয়োজনে তাদের ডাকার জন্য প্রস্তুতি নিয়ে রাখুন।

এ সম্পর্কিত আরও

Best free WordPress theme

Check Also

ওয়ানডেতে কম রান করেও ম্যাচসেরা বাংলাদেশী যারা

বিডি টোয়েন্টিফোর টাইমস টেস্ট ক্রিকেটে অনেক সময় ২০০ রান করেও ম্যাচসেরা হওয়া সম্ভব হয় না, …

আপনার-মন্তব্য