Mountain View

শেরপুরের জেল সুপারসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশিতঃ অক্টোবর ৪, ২০১৬ at ৭:৪০ পূর্বাহ্ণ

images6

সোমবার পরিবহন শ্রমিক নেতা আলমগীর হোসেন বিশুর স্ত্রী শান্তি বেগম বাদী হয়ে মুখ্য বিচারিক হাকিম মো. সাইফুর রহমানের আদালতে মামলাটি দায়ের করেন।

 

বাদীর আইনজীবী প্রদীপ দে কৃষ্ণ জানান, আদালত মামলাটি গ্রহণ করে বিশুর জখমের ডাক্তারি সনদপত্র সংগ্রহ সাপেক্ষে ঘটনার বিষয়ে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য শেরপুর সদর থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।

 

 

জেলা কারাগারের সামনে গত বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) কারারক্ষীদের মারধরের অভিযোগে বিশু ড্রাইভারনহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার চারদিন পর এই পাল্টা মামলাটি দায়ের করা হলো।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যার কিছু আগে জামিন পাওয়া আসামিদের আত্মীয়-স্বজনদের কাছ থেকে প্রধান কারারক্ষী বাবুল মিয়া, জাফর আলী ও সেলিম প্রকাশ্যে টাকা হাতিয়ে নিলে কারাগারের পার্শ্ববর্তী নৌহাটা এলাকার বাসিন্দা পরিবহন শ্রমিক নেতা আলমগীর হোসেন বিশু ড্রাইভারসহ কয়েকজন তার প্রতিবাদ করেন।

 

ওই সময় কারারক্ষীদের সঙ্গে তাদের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে তাদের কারা অঙ্গন থেকে বের করে দেওয়া হয়।

 

এরপর রাত সাড়ে ৮টার দিকে হঠাৎ বিশু ড্রাইভারকে জেল সুপারের কথা বলে  ডেকে নিয়ে দা, লোহার পাইপ, রড ও লাঠিসোটা দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করা হয়।

 

এরপর থানায় খবর দিয়ে তারা আহত শ্রমিকনেতা বিশু ড্রাইভারকে পুলিশে তুলে দেয়। পুলিশ বিশু ড্রাইভারের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে। বিশু গত পাঁচদিন ধরে সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

 

এ বিষয়ে শেরপুর জেলা কারাগারের সুপার মজিবুর রহমান বলেন, কারাগারের সংরক্ষিত এলাকায় বিশু ড্রাইভারসহ অন্যরা অনধিকার প্রবেশ করে সরকারি কাজে বাধা প্রদান করে পাঁচজন কারারক্ষীকে মারধর করেছেন। একই সময়ে ইটপাটকেল ছুড়ে কারাগারের অফিসের জানালার কাচ ভাংচুর করে।

 

এ ব্যাপারে গত শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিশু ড্রাইভারসহ আট জনের নামে এবং অজ্ঞাত পরিচয় আরও ১০/১৫ জনের নামে শেরপুর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 

এর ধারাবাহিকতায় মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন অভিযোগ এনে আদালতে কাউন্টার মামলা করা হয়েছে বলে দাবি এই জেল সুপারের।

এ সম্পর্কিত আরও

Mountain View