ঢাকা : ২৯ জুলাই, ২০১৭, শনিবার, ১২:৪৮ পূর্বাহ্ণ
A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site
Home / খেলাধুলা / ঢাকায় এসে বিপাকে পড়েছেন ইংলিশরা

ঢাকায় এসে বিপাকে পড়েছেন ইংলিশরা

20161006123723
স্পোর্টস ডেস্ক : প্রায় এক মাস বাংলাদেশে থাকবে ইংলান্ড টিম। ঢাকায় এসে একটি বিপাকে পড়েছেন ইংলিশরা। এরই মধ্যে টাইগারদের সাথে একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছেন তারা।সে ম্যাচে জয় পেয়ে বেশ আনন্দিত তারা। ৭ অক্টোবর মিরপুরে হবে প্রথম ওয়ানডে ম্যাচ। এই ম্যাচের জন্য প্রহর গুণছে দুই দল।

তবে এবার নতুন একটি বিপাকেই তারা।বাংলাদেশের আবহাওয়াকে আগুনের সঙ্গে তুলনা করেছেন ইংলিশ ক্রিকেটার জনি ব্যারিস্টো। ডেইলি মেইলে লেখা নিজের কলামে তিনি জানিয়েছেন, দিনে ছয় হাজার ক্যালরি ঝরে যাচ্ছে তার শরীর থেকে।এই অক্টোবর এমনিতে উষ্ণতা নিয়ে হাজির হয়েছে। গত তিন দশকে কোনো অক্টোবর মাস এমন উষ্ণ হয়নি। অন্যদিকে ইংল্যান্ডে শীত মৌসুম আসন্ন।

‘প্রথম ম্যাচের আগে আমাদের হাতে একদিন সময় ছিল। এই ধরনের কন্ডিশনে এই সময়ের ভেতর মানিয়ে নেয়া আমাদের জন্য কঠিন। কঠিনতম একটি ওয়ানডে সিরিজ অপেক্ষা করছে আমাদের জন্য। বিশেষ করে ফিল্ডিং।’

তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ম্যাচ শুরু হবে আগামীকাল। এরপর শেষ দুই ম্যাচ হবে ৯ ও ১২ তারিখ।গত বছর দুবাইতে খেলে গেছে ইংল্যান্ড। সেখানে তখন তাপমাত্রা ছিল ৪০ ডিগ্রির মতো।সেই স্মৃতি স্মরণ করে ব্যারিস্টো বলছেন, ‘ওই পাশবিক স্মৃতির কথা এখানে এসে আমার মনে পড়ছে।’

জনি ব্যারিস্টো অনুশীলনের সময় হাতে ফিটবিট ঘড়ি পরছেন। যাতে ক্ষয়ে যাওয়া ক্যালোরির হিসাব রাখতে পারেন।তিনি লিখেছেন, ম্যাচের সময় প্রথমবারের মতো আমার ফিটবিট ঘড়ে পরেছিলাম। আমি পুড়ছি। পিঠে সবাই জিপিএস প্যাক বাঁধছি, যাতে মাঠে কতটুকু দৌড়াতে পারি সেটা হিসাব করা যায়।বাংলাদেশের আবহাওয়ার বর্ণনা দিতে যেয়ে তিনি লিখেছেন, ‘৩ ঘণ্টা ৫৪ মিনিটের পোড়া সেশনে আমরা অস্থির। গোটা দিনে আমি ছয় হাজার ১০০ ক্যালোরি হারিয়েছি। এই হিসাব দেখেই বুঝতে পারছেন এখানে টিকতে হলে আপনাকে কী পরিমাণ খেতে হবে আর পান করতে হবে। আর যদি হয় ৫০ ওভারের খেলা!’

ওয়ানডে সিরিজের পর টাইগারদের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবে ইংল্যান্ড। টেস্টে বেশি সময় মাঠে থাকতে হবে বলে চিন্তায় এখনি অস্থির এই ইংলিশ উইকেটরক্ষক,‘৯০ ওভারের খেলায়ও আমাকে ফের এটা সহ্য করতে হবে। কিপিং এবং ব্যাটিং করার পর আমার কী অবস্থা হবে সে কথা ভাবছি।’

কিছুটা ভাবনার পর ব্যারিস্টো বলছেন, ‘ভারতীয় উপমহাদেশের মতো অঞ্চলে আসলে এটা মেনে নিতে হয়। এটাও একটা চ্যালেঞ্জ স্বরুপ।’

এ সম্পর্কিত আরও

আপনার-মন্তব্য